সংসদে এবার যুদ্ধের রঙ, হোলির পরেরদিন দিল্লি নিয়ে আলোচনায় রাজি কেন্দ্র

সংসদে এবার যুদ্ধের রঙ, হোলির পরেরদিন দিল্লি নিয়ে আলোচনায় রাজি কেন্দ্র

অতএব, হোলির পরের দিনই সংসদে যুদ্ধের রং। বিরোধীদের এই ঝাঁঝেরই মুখোমুখি হবে মোদি সরকার।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: হোলির পরের দিন সংসদে যুদ্ধের রং। মুখোমুখি হবে শাসক-বিরোধী। ১১ তারিখ দিল্লির হিংসা নিয়ে আলোচনায় রাজি মোদি সরকার। সংসদে কেন্দ্রের অবস্থান কী হবে তার সুর কিন্তু আগেই বেঁধে দিলেন নরেন্দ্র মোদি। বুঝিয়ে দিলেন, সংসদে পাল্টা আক্রমণই কৌশল। বিরোধীরা অবশ্য সরকারকে বিঁধতে কোমর বাঁধছে। কংগ্রেসের কটাক্ষ, দিল্লিতে তো রক্তের হোলি। সোমবারের পর মঙ্গলবার। ফের দিল্লি হিংসার আঁচ সংসদে। ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ। শাসক-বিরোধী চাপানউতোর। হইহট্টগোল। দফায় দফায় মুলতুবি। এ সবের মাঝেই লোকসভার স্পিকার জানান, দিল্লির হিংসা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার আলোচনায় রাজি। কিন্তু, তা হবে প্রশ্নোত্তর পর্বের পরে। এদিন লোকসভা স্পিকার ওম বিড়লা, ‘সরকার আলোচনায় রাজি। হোলির পরে আলোচনা ৷’ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ, ‘সরকার আলোচনার পক্ষে। কিন্তু, তাতে টেনশন কমবে না পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার আশঙ্কা? রাজনৈতিক স্বার্থের থেকে দেশের স্বার্থ আগে ৷’ বিরোধীদের পাল্টা প্রশ্ন, দিল্লি হিংসার মতো ঘটনা নিয়ে এত দেরিতে আলোচনা কেন? কেন হোলির পরে? অতএব, হোলির পরের দিনই সংসদে যুদ্ধের রং। বিরোধীদের এই ঝাঁঝেরই মুখোমুখি হবে মোদি সরকার। দিল্লি ইস্যুতে কেন্দ্রের অবস্থান কী হবে তার সুর অবশ্য মঙ্গলবারই বেঁধে দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। সম্প্রতি, গেরুয়া শিবিরকে নিশানা করে মনমোহন সিং দাবি করেন, জাতীয়তাবাদ ও ‘ভারত মাতা কী জয়’ স্লোগানের অপব্যবহার হচ্ছে। এ দিন বিজেপির সংসদীয় বোর্ডের বৈঠকে প্রাক্তনকে জবাব দেন বর্তমান।

প্রধানমন্ত্রী  নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘অনেকে ভারত মাতা কী জয় বলতে অস্বস্তি বোধ করেন। স্বাধীনতার সময় যেমন বন্দেমাতরম বলতে অনেকের অসুবিধা হত। বাইরে থেকে যাঁরা আমেরিকায় গেছেন মার্কিন নাগরিক হিসেবে নিজেদের পরিচয় দিতে তাঁরা লজ্জা পান না। কিন্তু, ভারতে যাঁরা আছেন তাঁদের অনেকে ভারত মাতা কী জয় স্লোগান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ৷’ দিল্লির অশান্তির আঁচে অনেক দিন ধরেই জাতীয় রাজনীতি গরম। সংসদেও দিল্লি ঝড়। এবার, হোলির পরে যুদ্ধ। তাল ঠুকছে দু’পক্ষই।

First published: March 3, 2020, 7:50 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर