corona virus btn
corona virus btn
Loading

উনিশে অপারেশন এসটিএফ, অ্যাথলেটের অ্যাঙ্কেলেটে ১ কেজি সোনা!

উনিশে অপারেশন এসটিএফ, অ্যাথলেটের অ্যাঙ্কেলেটে ১ কেজি সোনা!
উদ্ধার হওয়া সোনার বিস্কু

তিন মাসে এসটিএফ ধরল প্রায় ১৫ কেজি সোনা। যার বাজারমূল্য প্রায় ৬০ কোটি টাকা।

  • Share this:

সপ্তর্ষি সোম

#কলকাতা: ১৯ সেপ্টেম্বর ৩ জন। ঘটনাস্থল নিউমার্কেট। ১৯ অক্টোবর, ১ জন, ঘটনাস্থল বড়বাজার। ১৯ নভেম্বর, ১জন। ঘটনাস্থল মৌলালি। ১৯ ডিসেম্বর, ফেল কলকাতা পুলিশের এসটিএফ। গত তিন মাসে সাকসেস গ্ৰাফটা হঠাৎ ধাক্কা খেল ডিসেম্বরের ১৯ তারিখে।

বিদেশ থেকে আসা সোনা পাচারকারীদের ধরার সাফল্যে হঠাৎই বিপর্যয়। সাফল্যটা আসলে অপেক্ষা করছিল দু দিন বাদে। ২১ ডিসেম্বর। শিয়ালদহ থেকে ধরা পড়ল কাজিরুল মল্লিক। তিন মাসে এসটিএফ ধরল প্রায় ১৫ কেজি সোনা। যার বাজারমূল্য প্রায় ৬০ কোটি টাকা।

ধৃত ব্যক্তি ধৃত ব্যক্তি

আদতে গত কয়েক মাস ধরেই অপারেশনের ধরন বদলে দিয়েছিল পাচারকারীরা। ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে পরপর তিনমাস একই দিনে প্রায় একই সময়ে ভারতে ২৪ ক্যারেট পাকা সোনা নিয়ে এসেছিল বাংলাদেশি নাগরিকরা। তাও আবার বিজনেস ভিসা নিয়ে আসা পাচারকারীরা। কিন্তু বারবার ধরা পড়ায় এবার তারা কাজে লাগায় এদেশের পাচারকারীদের।

কাজিরুল এমনই এক কেরিয়ার। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে তার কাছে পৌঁছে দেওয়া হয় ১ কেজি নিখাদ ২৪ ক্যারেটের সোনা। সেই সোনা আনার পদ্ধতিতেও ছিল অভিনব কায়দা। পায়ে হাঁটুর নীচে বাঁধা ছিল অ্যাঙ্কেলেট। তার মধ্যে লুকানো ছিল সোনা।

এই অ্যাঙ্কলেটেই লোকানো ছিল সোনা এই অ্যাঙ্কলেটেই লোকানো ছিল সোনা

স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন উঠবে ক্রেতা কারা? কেন এ ভাবে সোনা পাচার হয়? এ রাজ্যের এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তের নামী গয়না প্রস্তুতকারক সংস্থাই এই পাচার হওয়া সোনার ক্রেতা। অনেক কম দামে তাঁরা এই সোনা কিনে নেন। বড়বাজারে তৈরি হয় পাচার হওয়া সোনার আসল কাগজপত্র।

তারপর গয়না তৈরি হয়ে তা শোকেসের শোভা বাড়ায়। অপেক্ষা করে মালদহের ক্রেতার। এ তো গেল পাচার হওয়া সোনার ক্রেতার কাহিনি। কেন এভাবে সোনা পাচার হয়? তার পিছনে রয়েছে করের চাপ। বর্তমানে ভারতে সোনা আমদানিতে ১০ শতাংশ থেকে কর বাড়িয়ে ১২.৫ শতাংশ করা হয়েছে। তাই বাংলাদেশ ও নেপাল থেকে কাঁচা বা ২৪ ক্যারেটের সোনা চোরাপথে ঢোকে এ রাজ্যে। বড়বাজারে বিক্রি করাই থাকে টার্গেট। কারণ, বড়বাজারে এই সোনার টাকা পেমেন্ট দেওয়া হয় ডলারে।

ফোরেক্সে টাকার সমান পেমেন্ট ডলারে বদলে দেওয়া হয়। ফলে পাচারকারীরা ভারতীয় টাকার তুলনায় খুব অল্প নোটে পেমেন্ট নিয়ে ফিরে যায়।

ডিরেক্টর অব রেভিনিউ ইন্টেলিজেন্স মূল সংস্থা, যারা সোনা পাচার বন্ধ ও পাচারকারীদের ধরার কাজ করে। যদিও এসটিএফ এ ব্যাপারে উদাহরণ তৈরি করেছে। শনিবারের অপারেশনের পর এসটিএফের অপেক্ষা ১৯ জানুয়ারির।

Published by: Arindam Gupta
First published: December 22, 2019, 1:21 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर