সাধারণতন্ত্র দিবসে কেরল সরকারের থেকে 'উপহার'! কান্নায় ভেঙে পড়লেন প্রতিবন্ধী সুনেশ

সাধারণতন্ত্র দিবসে কেরল সরকারের থেকে 'উপহার'! কান্নায় ভেঙে পড়লেন প্রতিবন্ধী সুনেশ
প্রতিবন্ধী সুনেশ নিজের ছেলের সাইকেল চুরির ঘটনা সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছিলেন। সাধারণতন্ত্র দিবসে রাজ্য সরকার থেকে পাঠানো হল ব্র্যান্ড নতুন সাইকেল, এই ঘটনার প্রশংসা করেছেন নেটদুনিয়া।

প্রতিবন্ধী সুনেশ নিজের ছেলের সাইকেল চুরির ঘটনা সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছিলেন। সাধারণতন্ত্র দিবসে রাজ্য সরকার থেকে পাঠানো হল ব্র্যান্ড নতুন সাইকেল, এই ঘটনার প্রশংসা করেছেন নেটদুনিয়া।

  • Share this:

    #তিরুঅনন্তপুরম: নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মদিনে দিন চুরি হয়ে গিয়েছিল নয় বছরের ছেলের সাইকেল। বুধবার রাতে, মনের দুঃখে নিজের ফেসবুক পেজে গিয়ে সাইকেল চুরির বিষয়টি জানিয়েছিলেন প্রতিবন্ধী সুনেশ জোসেফ। যদি কেউ তাঁর ছেলের সাইকেল খুঁজে দিতে পারেন, তাহলে খুবই ভালো হয়। কিন্তু কখনও কল্পনা করতে পারেননি যে তাঁর এই একটা পোস্টের প্রতিক্রিয়া হবে মারাত্মক।

    পোস্টটি শেয়ার করার তিন দিনের মাথায় তাঁর বাড়িতে পৌঁছে যায় একটি  নতুন সাইকেল। আবার তাও কিনা কেরলের মুখমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে 'উপহার' হিসেবে। দারুণ এই ঘটনাটি নজরে আসতেই নেটিজেনরা এর প্রশংসা করছেন।

    কেবল তাই নয়, সুনেশের হুইলচেয়ার কেনার জন্য আর্থিক সহায়তা ইত্যাদি বিভিন্ন মহল থেকে করা হচ্ছে। কিন্তু সুনেশ তার শারীরিক প্রতিবন্ধকতা ও অসুবিধার কথা উল্লেখ না করে ফেসবুকে পোস্টটি শেয়ার করেছিলেন। আর তাতেই এই করোনাকালে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন নেটিজেনরা। তিনি শুধুই উল্লেখ করছিলেন যে, বুধবার রাতে তাঁর ছেলে জাস্টিনের সাইকেলটি চুরি হয়ে গিয়েছিল।


    ২৩ জানুয়ারি ছেলের চুরি হওয়া সাইকেলের একটি ছবি দিয়ে ক্যাপশনে সুনেশ লিখেছিলেন, দীর্ঘ দিন চেষ্টা করার পর কষ্ট করে তিনি ছেলেকে ওই সাইকেলটি কিনে দিয়েছিলেন। দয়া করে কেউ যদি ছেলের সাইকেলটি দেখতে পান, তাহলে অবশ্যই নিচে লেখা নম্বরে যোগাযোগ করবেন।

    এরপরেই দ্রুত ভাইরাল হতে থাকে পোস্টটি। এই পোস্টটি দেখার পরে ওই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন কোট্টায়াম সুনেশের ছেলেকে একটি নতুন সাইকেল কিনে দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছিলেন। তারপরেই সাধারণতন্ত্র দিবসের দিন জাস্টিনকে একটি নতুন সাইকেল উপহার দেওয়া হয়।

    এই ঘটনায় সুনেশ আর নিজের চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি। ৩৫ বছরের সুনেশ শারীরিক দিক দিয়ে অক্ষম। পেট চালানোর দায় এবং পরিবারের চার সদস্যের খরচা টানার জন্য তিনি একটি কমন সার্ভিস সেন্টার চালান। ছেলের জন্য নতুন সাইকেল কেনার টাকা বাঁচাতে তাঁর বেশ কয়েক মাস সময় লেগেছিল। তাই সাইকেল চুরি হতেই মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ার মতন অবস্থা হয় সুনেশ এবং তাঁর পরিবারের।

    Published by:Somosree Das
    First published:

    লেটেস্ট খবর