দেশ

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

স্ত্রীকে পেটালেন মধ্যপ্রদেশের পুলিশ কর্তা! পারিবারিক বিবাদ বলে সাফাই অভিযুক্তের

স্ত্রীকে পেটালেন মধ্যপ্রদেশের পুলিশ কর্তা! পারিবারিক বিবাদ বলে সাফাই অভিযুক্তের
অভিযুক্ত আইপিএস অফিসার পুরুষোত্তম শর্মা৷ Photo-ANI

অভিযুক্ত অফিসারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জাতীয় মহিলা কমিশনের পক্ষ থেকেও মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখে অনুরোধ করা হয়েছে৷

  • Share this:

#ভোপাল: নিজে ডিজি পদমর্যাদার পুলিশ অফিসার, অথচ তাঁকেই কিনা দেখা গেল নিজের স্ত্রীকে মারধর করতে৷ সেই ভিডিও ভাইরাল হতেই বিপাকে পড়েছেন মধ্যপ্রদেশের এক শীর্ষ পুলিশ কর্তা৷ যদিও তাঁর সাফাই, গোটাটাই পারিবারিক বিবাদ৷ ফলে কোনও অপরাধ করেননি তিনি!

পুরুষোত্তম শর্মা নামে ওই পুলিশকর্তাকে ইতিমধ্যেই ছুটিতে পাঠিয়েছে সরকার৷ ভাইরাল হওয়া ভিডিও-তে দেখা গিয়েছে, ১৯৮৬ সালের ব্যাচের আইপিএস অফিসার পুরুষোত্তম শর্মা নিজের স্ত্রীকে ঘরের মেঝেত ফেলে মারধর করছেন৷ ভিডিও-তে ঘরের মধ্যে আরও দু' জন ব্যক্তিকে দেখা গিয়েছে৷ এ ছাড়াও একটি পোষ্য সারমেয়কেও দেখা যায় ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিও-য়৷ ভিডিও-তে অবশ্য দেখা গিয়েছে, নিজের হাতের আঘাত দেখিয়ে স্ত্রীর উপরে চিৎকার করছেন ওই পুলিশ আধিকারিক৷

নিজের স্বপক্ষে যুক্তি দিয়ে অভিযুক্ত পুলিশ কর্তা বলেছেন, 'আমি যদি স্ত্রীর উপরে এ ভাবে অত্যাচার চালাতাম তাহলে তো তিনি আগেই আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করতেন৷ আমি কোনও অপরাধী নই বা হিংস্র স্বভাবেরও নই৷ এটা সম্পূর্ণ পারিবারিক বিবাদ, কোনও অপরাধ নয়৷ এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমি যে পরিস্থিতিতে পড়েছি তা দুর্ভাগ্যজনক৷ আমার স্ত্রীর আমার উপরে নজরদারি চালান৷ বাড়িতে ক্যামেরাও লাগিয়েছেন তিনি৷

সংবাদসংস্থাকে তিনি আরও জানিয়েছেন, তাঁরা ৩২ বছর সংসার করছেন৷ এর আগে ২০০৮ সালেও তাঁর স্ত্রী তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছিলেন বলে স্বীকার করেছেন ওই পুলিশ আধিকারিক৷ যদিও তাঁর দাবি, 'অভিযোগ করার পরেও ২০০৮ সালের পর থেকে আমার সঙ্গে আমার বাড়িতেই রয়েছেন আমার স্ত্রী৷ সমস্ত সুযোগ সুবিধা ভোগ করেছেন তিনি৷ আমার টাকায় বিদেশেও ঘুরেছেন৷' জানা গিয়েছে, পুরুষোত্তম শর্মা এবং তাঁর বন্ধুর সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে পড়ার পরেই স্ত্রীকে মারধর শুরু করেন ওই পুলিশ অফিসার৷

এই ঘটনায় প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান জানিয়েছেন, 'ওই অফিসারকে তাঁর দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছে৷ দায়িত্বশীল পদে থেকেও কেউ যদি বেআইনি কিছু করেন বা আইনকে নিজের হাতে তুলে নেন, সেক্ষেত্রে তাঁর পরিচয় বা পদ না দেখেই যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে৷'

অভিযুক্ত অফিসারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জাতীয় মহিলা কমিশনের পক্ষ থেকেও মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখে অনুরোধ করা হয়েছে৷ চিঠিতে বলা হয়েছে, ওই পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে সমাজে ভুল বার্তা যাবে৷

Published by: Debamoy Ghosh
First published: September 28, 2020, 4:08 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर