চরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার পাক হাইকমিশনের অফিসারের ‘মুক্তি’

গুপ্তচরবৃতির অভিযোগ থাকলেও কূটনৈতিক নিয়ম-নীতির ফাঁসে পড়ে ধৃত পাক হাইকমিশনারকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হল দিল্লি পুলিশ ৷

গুপ্তচরবৃতির অভিযোগ থাকলেও কূটনৈতিক নিয়ম-নীতির ফাঁসে পড়ে ধৃত পাক হাইকমিশনারকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হল দিল্লি পুলিশ ৷

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: গুপ্তচরবৃতির অভিযোগ থাকলেও কূটনৈতিক নিয়ম-নীতির ফাঁসে পড়ে ধৃত পাক হাইকমিশনারকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হল দিল্লি পুলিশ ৷ বৃহস্পতিবার সকালে পাক হাইকমিশনের উচ্চপদস্থ এক কর্মীকে গ্রেফতার করে দিল্লি পুলিশ ৷ সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর, চরবৃত্তির অভিযোগে ধৃত পাক দূতাবাসে কর্মরত মেহমুদ আখতারকে ‘ডিপ্লোম্যাটিক ইমিউনিটি’-র কারণে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় পুলিশ ৷

    মেহমুদ আখতারের কাছ থেকে উদ্ধার হয় সেনার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি ৷ একইসঙ্গে মেহমুদ আখতারের দুই সহযোগীকেও গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশ ৷ এই ঘটনায় পাক হাইকমিশনার আবদুল বশিরকে তলব করল বিদেশ মন্ত্রক ৷

    পাক জঙ্গি হামলা, ভারতের সার্জিক্যাল স্ট্রাইক, পাক সেনার বার বার সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘন ও আন্তর্জাতিক মঞ্চে একে অপরকে দোষারোপ ৷ সব মিলিয়ে ভারত-পাক সম্পর্কের উত্তেজক পরিস্থিতিতে নতুন করে ঘি ঢালল এই ঘটনা ৷

    সিএনএন নিউজ১৮ সূত্রে খবর, বহুদিন ধরেই মহম্মদ আখতারকে নজরে রেখেছিল দিল্লি পুলিশ ৷ তাঁর কাছে থেকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক ও ভারতীয় সেনার অবস্থান-কৌশল সংক্রান্ত বেশ কিছু অতি গোপনীয় নথি উদ্ধার করা হয়েছে ৷ এই নথিগুলি তাঁর কাছে কী করে এল এবং তিনি এগুলি নিয়ে কী করতে চাইছিলেন তা জানতে আখতারকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য তদন্তকারী অফিসাররা নিজের হেফাজতে নেন ৷

    সূত্রের খবর, প্রায় একমাস ধরে লক্ষ্য রাখার পর এদিন কেন্দ্রের অনুমতি পাওয়ার পরই এদিন মেহমুদ আখতারকে গ্রেফতার করে পুলিশ ৷ কিন্তু কূটনৈতিক রক্ষাকবচ ব্যবহার করে মু্ক্তি পান মেহমুদ আখতার ৷ মেহমুদকে সাহায্য করার অভিযোগে তাঁর দুই সহযোগীকেও গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে তদন্তকারীরা ৷ পুলিশের অনুমান, স্থানীয় কোনও সূত্রের মাধ্যমে বহুদিন ধরে সেনার গোপনীয় খবর ও নথি যোগাড় করছিল আখতার ৷

    গত বছরের নভেম্বরে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে যুক্ত পাক গুপ্তচর চক্রের তথ্য ফাঁস করে ভারতীয় গোয়েন্দারা ৷ সেনার গোপন তথ্য পাকিস্তানে পাচারের অভিযোগে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয় ৷

    First published: