দেশ

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

রাহুলের পর এবার ডেরেককে গলাধাক্কা, হাতরসে প্রবল পুলিশি প্রতিরোধের মুখে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল

রাহুলের পর এবার ডেরেককে গলাধাক্কা, হাতরসে প্রবল পুলিশি প্রতিরোধের মুখে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল

টিএমসির তরফে দেওয়া বিবৃতিতেও পুলিশি দুর্ব্যবহারের অভিযোগ তোলা হয়েছে ৷

  • Share this:

#লখনউ: হাতরসে পুলিশি প্রতিরোধের মুখে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল ৷ নির্যাতিতার বাড়ি থেকে ১.৫ কিমি দূরে আটকে দেওয়া হল প্রতিনিধি দলকে ৷ সংবাদ সংস্থা এএআইয়ের প্রকাশ করা একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, পুলিশের সঙ্গে প্রবল ধস্তাধস্তি চলছে তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের এবং সেই ধাক্কাধাক্কিতেই মাটিতে পড়ে যান সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন ৷ টিএমসির তরফে দেওয়া বিবৃতিতেও পুলিশি দুর্ব্যবহারের অভিযোগ তোলা হয়েছে ৷

তৃণমূলের একটি প্রতিনিধি দল শুক্রবার সকালে নির্যাতিতার বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন ৷ এই দলে ডেরেক ও’ব্রায়েন ছাড়াও আছেন, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, মমতাবালা ঠাকুর এবং প্রতিমা মণ্ডল ৷ নির্যাতিতার গ্রামে ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে জারি ১৪৪ ধারা ৷ তা ভেঙে ঢোকার চেষ্টা করলে প্রতিনিধি দলকে বাধা দেয় স্থানীয় পুলিশ ৷ জানা গিয়েছে, বারবার আর্জি সত্ত্বেও প্রবেশের অনুমতি মেলেনি ৷ জোর করে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের সদস্যদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়ে যায় পুলিশের ৷

তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের তরফে বলা হয়, ‘আমরা শান্তিপূর্ণ ভাবে হাতরসে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে ও তাঁদের সমবেদনা জানাতে যাচ্ছিলাম। সব নিয়ম মেনে আলাদা আলাদা ভাবে আমরা যাত্রা করছিলাম। আমাদের হাতে কোনও অস্ত্রও ছিল না। তাহলে আমাদের কেন আটকানো হল? এটা কী ধরনের জঙ্গল রাজ যেখানে একটি নির্যাতিত পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার আগে সাংসদদের আটকে দেওয়া হচ্ছে। পুলিশকে জানিয়েছিলাম আমরা হেঁটেই যাব। তাও যেতে দেওয়া হয়নি, আটকে দেওয়া হয়।’

হাতরসে নির্যাতিতার গ্রামে এখন কারোর প্রবেশাধিকার নেই ৷ এমনকি সংবাদমাধ্যমকেও ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে ৷ বৃহস্পতিবার হাতরসে পৌঁছনোর আগে রুখে দেওয়া হয় রাহুল-প্রিয়াঙ্কাকেও ৷ উত্তরপ্রদেশ পুলিশ রাহুল গান্ধির কনভয় আটকালে গাড়ি থেকে নেমে কথা বলতে যান প্রাক্তন কংগ্রেস অধ্যক্ষ ৷ অভিযোগ, সেসময় রাহুল গান্ধিকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন পুলিশ কর্মীরা ৷

যোগী সরকারকে একহাত নিয়ে প্রিয়াঙ্কা গান্ধি একটি ভার্চুয়াল বিবৃতিতে বলেন, "আপনি প্রধানমন্ত্রীর ফোনের অপেক্ষায় ছিলেন? এক ধর্ষিতার পরিবারের সঙ্গে এ কেমন ব্যবহার? একজন মা তাঁর মৃত সন্তানের দেহ বাড়ি নিয়ে যেতে পারল না। আপনার সরকার কী ভাবে এত অমানবিক হয়?" ট্যুইটারে সরব হন রাহুল গান্ধিও। তাঁর মতে, উত্তরপ্রদেশে জঙ্গলরাজ চলছে। তিনি লেখেন, "বিজেপি সরকার দলিতদের দমিয়ে রাখছে। আমাদের লড়াই এই বিদ্বেষের বিরুদ্ধে।

একদিনে সমলোচনার ঝড়, অন্য দিকে প্রধানমন্ত্রীর ফোন। ব্যাকফুটে পড়ে আদিত্যনাথ সরকার সিট গঠন করেছে। সাত দিনের মধ্যে রিপোর্টও দেবে সিট। ফার্স্ট ট্র্যাক কোর্টে সেই মামলার শুনানি হবে। ক্ষতিপূরণের আশ্বাসও দিয়েছেন যোগী। কিন্তু প্রশ্ন থাকছেই। কেন এতদিন লেগে গেল সিট গঠন করতে? পুলিশের ভূমিকা নিয়ে কেন নীরব আদিত্যনাথ? আগুনে ঘি ঢেলেছে নির্যাতিতার মায়ের বয়ান। তিনি বলছেন, চোখের দেখা দেখতে না দিয়ে জোর করে পুলিশ দেহ দাহ করে দিয়েছে।

Published by: Elina Datta
First published: October 2, 2020, 4:28 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर