• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • দূষণে জেরবার দিল্লিবাসী, নানা রোগ ছড়াচ্ছে রাজধানীতে

দূষণে জেরবার দিল্লিবাসী, নানা রোগ ছড়াচ্ছে রাজধানীতে

 দূষণে জেরবার দিল্লি। ধোঁয়া ও ধুলোয় ঢেকেছে আকাশ। শেষ সতেরো বছর এমন দূষণ দেখা যায়নি। প্রায় শ্বাসবন্ধ অবস্থা দিল্লিবাসীর।

দূষণে জেরবার দিল্লি। ধোঁয়া ও ধুলোয় ঢেকেছে আকাশ। শেষ সতেরো বছর এমন দূষণ দেখা যায়নি। প্রায় শ্বাসবন্ধ অবস্থা দিল্লিবাসীর।

দূষণে জেরবার দিল্লি। ধোঁয়া ও ধুলোয় ঢেকেছে আকাশ। শেষ সতেরো বছর এমন দূষণ দেখা যায়নি। প্রায় শ্বাসবন্ধ অবস্থা দিল্লিবাসীর।

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: দূষণে জেরবার দিল্লি। ধোঁয়া ও ধুলোয় ঢেকেছে আকাশ। শেষ সতেরো বছর এমন দূষণ দেখা যায়নি। প্রায় শ্বাসবন্ধ অবস্থা দিল্লিবাসীর। অবস্থা বেগতিক দেখে একদিনের জন্য ১৮০০ প্রাইমারি স্কুল বন্ধ করা হয়। ফিরোজ শাহ কোটলায় বাংলা-গুজরাতের প্রথমদিনের রণজি ম্যাচও বাতিল করা হয়। পরিবেশবিদদের দাবি, পঞ্জাব ও হরিয়ানার কৃষকরা অবৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে ফসল পোড়ানোর ফলেই বাড়ছে দূষণের মাত্রা। এদিকে দূষণ থাবা বসিয়েছে খেলার মাঠে। ত্রিপুরা-হায়দরাবাদে মাঠে মাস্ক পরে খেলার মাঠে নামেন খেলোয়াড়রা। পরে দূষণের জেরে দ্বিতীয় দিনেও ম্যাচটি বাতিল করে দেওয়া হয়।

    ধোঁয়াশার দূষণে নানা রোগ ছড়াচ্ছে দিল্লির বুকে। এইমসের চিকিৎসকদের মতে, গত ১৭ বছরে দিল্লিতে বেড়েছে শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি, অ্যালার্জি, কনজাংটিভাইটিস বা নানান চর্মরোগ।

    আক্রান্ত দিল্লির হৃদপিণ্ড। দেশের রাজধানী এখন জীবন্ত গ্যাস চেম্বার। দূষণের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নানান রোগ ছড়িয়ে পড়ছে দিল্লিতে। আক্রান্ত শিশু বা বড় সকলেই।

    আরও পড়ুন

    দিল্লির দূষণ কমাতে বৃষ্টি নামাচ্ছে কেজরিওয়াল সরকার

    দূষণে ক্রমশ বাড়ছে তীব্র শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি ও নানা ধরনের অ্যালার্জির রোগী। বাড়ছে ফুসফুস ও শ্বাসজনিত রোগ। দিনদিন বাড়ছে অ্যালার্জিক রাইনিটিস, অ্যালার্জিক কনজাংটিভাইটিস, অ্যানাফিলেক্সিস-এ আক্রান্তের সংখ্যা। বাড়ছে অ্যাটোপিক একজিমা বা অন্যান্য চর্মরোগও। দীর্ঘ দূষণে ক্রমশ কমছে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। দূষণের জেরে গত ১৭ বছরে এমন ধরনের রোগীর সংখ্যা একধাক্কায় প্রায় ৬০% বেড়ে গিয়েছে।

    ভোর ও গোধূলির পর দিল্লিতে দূষণ ছড়িয়ে পড়ছে অতিমাত্রায়। ছড়িয়ে পড়ছে নানা রোগ। কোন ওষুধে হারানো স্বাস্থ্য ফিরে পাওয়া যাবে? উত্তর খুঁজছে দিল্লি।

    First published: