দেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করোনার টিকাকরণের জন্য তৈরি দিল্লি: কেজরিওয়াল

অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করোনার টিকাকরণের জন্য তৈরি দিল্লি: কেজরিওয়াল
অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করোনার টিকাকরণের জন্য তৈরি দিল্লি: কেজরিওয়াল

করোনা টিকাকরণের জন্য তৈরি আছে দিল্লির সরকার৷ বৃহস্পতিবার ভার্চুয়াল সাংবাদিক বৈঠক করে জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল৷

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: করোনা টিকাকরণের জন্য তৈরি আছে দিল্লির সরকার৷ বৃহস্পতিবার ভার্চুয়াল সাংবাদিক বৈঠক করে জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল৷ তিনি জানিয়েছেন, কেন্দ্র থেকে টিকা পাওয়া মাত্রই টিকাকরণ কর্মসূচি শুরু করে দেবেন তাঁরা৷ অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে তিনটি ক্যাটাগরি করে শুরু হয়েছে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া৷

কেজরিওয়াল বলছেন, ”টিকাকরণের ক্ষেত্রে ৫১ লক্ষ মানুষ অগ্রাধিকার পাবেন৷ এর মধ্যে ৩ লক্ষ স্বাস্থ্যকর্মী, ৬ লক্ষ 'ফ্রন্টলাইন' কর্মী রয়েছেন৷ এরপর বাকি ৪২ লক্ষ মানুষের মধ্যে ৫০ বছরের ঊর্ধ্বে যাঁরা রয়েছেন তাঁরা পাবেন এবং ৫০-এর নিচে যাঁদের কো-মর্বিডিটি রয়েছে, তাঁদের কথাও ভাবা হয়েছে৷"

দিল্লিতে টিকাকরণের প্রথম পর্যায়ে সকলকে দু'বার করে ডোজ দেওয়ার জন্য  মোট ১ কোটি ২ লক্ষ বার ডোজ দেওয়ার প্রয়োজন হবে৷ শুধু করোনার টিকা দেওয়াই নয়, দিল্লি ৭৪ লক্ষ ডোজ সংরক্ষণ করার ক্ষমতাও রাখে৷ প্রথম সপ্তাহের মধ্যে যা বেড়ে ১ কোটি ১৫ লক্ষ ডোজ হবে৷

টিকার জন্য যাঁরা অগ্রাধিকার পাবেন তাঁদের এসএমএস ও অনান্য পদ্ধতিতে টিকা দেওয়ার দিনক্ষণ জানিয়ে দেওয়া হবে৷ টিকা প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় কর্মী, কর্মকর্তা এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের চিহ্নিত করে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। কেজরিওয়াল আরও জানিয়েছেন যে, শেষ কয়েকদিনে দিল্লিতে করোনা পরিস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নতি করেছে৷ কিন্তু সকলের চোখ এখন কেন্দ্র থেকে টিকা পাওয়ার দিকেই৷

চিন, ব্রিটেন, আমেরিকা ও রাশিয়ায় ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে টিকাকরণ। কিন্তু ভারতে একাধিক টিকার ট্রায়াল রান শুরু হলেও, এখনও পর্যন্ত টিকাকরণ নিয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি ভারত সরকার। জানা যাচ্ছে আগামী সপ্তাহে অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকাকে টিকার জন্য অনুমোদন দেওয়া হতে পারে। এর পাশাপাশি আপৎকালীন স্থিতিতে ব্যবহারের জন্য ভারত বায়োটেক এবং ফাইজারকে অনুমোদন দিতে পারে কেন্দ্র। টিকা সুরক্ষিত প্রমাণ হলেই ভারতে টীকাকরণ শুরু হবে৷

Published by: Subhapam Saha
First published: December 24, 2020, 3:58 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर