corona virus btn
corona virus btn
Loading

কেরলের ধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪২, এখনও অনেকে নিখোঁজ

কেরলের ধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪২, এখনও অনেকে নিখোঁজ
মধ্য কেরলে দেখা দিয়েছে বন্যা পরিস্থিতি৷

যে ঘরগুলি ধসে চাপা পড়েছে, তার মধ্যে কমবেশি ৭৮ জন শ্রমিক বসবাস করতেন৷

  • Share this:

#ইদুক্কি: কেরলের ইদুক্কি জেলায় ধসে চাপা পড়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪২৷ এ দিন ঘটনাস্থল থেকে আরও ১৬টি দেহ উদ্ধার হয়৷ ইদুক্কি জেলার পেট্টিমুডির পাহাড়ি এলাকার একটি চা বাগানের শ্রমিকদের প্রায় কুড়িটি ঘর শুক্রবার ভোররাতে ধসে চাপা পড়ে৷ তিন দিন পেরিয়ে যাওয়ার পরেও এখনও সেখান থেকে দেহ উদ্ধার হচ্ছে৷ সংবাদসংস্থা পিটিআই-এর খবর অনুযায়ী, কাদা মাটি আর পাথরের স্তূপের নীচে কোথায় দেহ চাপা পড়ে রয়েছে, তা খুঁজে বের করতে গোয়েন্দা কুকুরের সাহায্য নেওয়া হচ্ছে৷

জানা গিয়েছে, যে ঘরগুলি ধসে চাপা পড়েছে, তার মধ্যে কমবেশি ৭৮ জন শ্রমিক বসবাস করতেন৷ তাঁদের মধ্যে ১২ জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে৷ ৪২টি দেহ উদ্ধার হয়েছে৷ ফলে এখনও অনেকেই নিখোঁজ রয়েছেন৷ মৃতদের মধ্যে ২টি শিশু এবং ৫ জন মহিলাও রয়েছেন৷ মৃত এবং আহত শ্রমিকদের অধিকাংশই তামিলনাড়ুর বাসিন্দা৷

এনডিআরএফ-এর ৫৫ জন সদস্যের একটি দল উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে৷ পাহাড়, চা বাগানে ঘেরা ছবির মতো পেট্টিমুড়ির চেহারাটাই ধসে বদলে গিয়েছে৷ বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে খালি কাদা মাটির স্তূপ আর বড় বড় পাথরের চাঁই পড়ে রয়েছে৷ কোথাও কোথাও তার মধ্যে দিয়েই উঁকি মারছে শ্রমিকদের চাপা পড়া ঘরের টিনের চাল৷

একটানা বৃষ্টি, ধস এবং বাঁধের গেটগুলি খুলে দেওয়ায় মধ্য কেরলের বিভিন্ন নদীর জলস্তর বৃদ্ধি পেয়েছে৷ কোট্টায়াম এবং আলাপ্পুঝার নিচু এলাকাগুলিতে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে৷ কয়েকশো পরিবারকে সেখান থেকে সরিয়ে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে৷ কোট্টায়াম জেলায় রবিবার ভোরে গাড়ি সমেত এক ট্যাক্সি ড্রাইভার জলের তোড়ে ভেসে যান৷ তাঁর খোঁজেও তল্লাশি শুরু হয়েছে৷ সবমিলিয়ে প্রকৃতির রোষে ফের একবার বিপদে কেরলের বিস্তীর্ণ অংশ৷

Published by: Debamoy Ghosh
First published: August 9, 2020, 10:33 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर