• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • ঘণ্টার পর ঘণ্টা বৈঠকের পরও অধরা সমাধান, দু’পক্ষই অনড়, ৩ ডিসেম্বর ফের কৃষকদের সঙ্গে বৈঠক

ঘণ্টার পর ঘণ্টা বৈঠকের পরও অধরা সমাধান, দু’পক্ষই অনড়, ৩ ডিসেম্বর ফের কৃষকদের সঙ্গে বৈঠক

কেন্দ্রের কমিটি তৈরির প্রস্তাব খারিজ | কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে কৃষকরা অনড়

কেন্দ্রের কমিটি তৈরির প্রস্তাব খারিজ | কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে কৃষকরা অনড়

কেন্দ্রের কমিটি তৈরির প্রস্তাব খারিজ | কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে কৃষকরা অনড়

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: আলোচনায় বয়েও মিলল না সমাধান সূত্র ৷ দুপক্ষই নিজের অবস্থানে অনড় ৷ ৩ ডিসেম্বর ফের কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন বিক্ষুব্ধ কৃষকরা ৷ বিতর্কিত কৃষি আইন প্রত্যাহারে নারাজ কেন্দ্র ৷ অন্যদিকে কোনও পরিস্থিতিতেই এই কৃষি আইন মানতে নারাজ কেন্দ্র ৷ ফলে অব্যাহত কৃষকদের আন্দোলন ৷ মধ্যপন্থা ও রফাসূত্রের আশায় ফের বৈঠক বৃহস্পতিবার ৷

    বিক্ষুব্ধ কৃষকদের আশ্বস্ত করতে এদিন কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর ও রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল বলেন, ফসলের ন্যূনতম মূল্য কোনওভাবেই প্রত্যাহার করা হচ্ছে না ৷ সূত্রের খবর, বৈঠকে কৃষিমন্ত্রী চাষীদের প্রস্তাব দেব তাদের সমস্যা সমাধানে একটি কমিটি গড়বে কেন্দ্র ৷ এর জন্য কৃষকদের থেকে তাদের প্রতিনিধিদের নাম চাওয়া হয়, কিন্তু সটান কমিটি গড়ার প্রস্তাব নাকচ করে দেন কৃষকরা ৷ বৈঠকে অংশ নেওয়া কৃষক প্রতিনিধি চন্দ সিং সাফ বলেন, ‘হয় আমরা সরকারের থেকে গুলি খাব, নইলে এ সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান করব। আপাতত আমরা কেন্দ্রের সঙ্গে আরও আলোচনা চালিয়ে যেতে চাই। আমার চাই কৃষি আইন বাতিল করা হোক ৷’

    দেশবাসীদের মুখে খাবার তুলে দেন যারা, নয়া কৃষি আইনের প্রতিবাদে গত কয়েকদিন ধরে দিল্লির হাড়কাঁপানো ঠান্ডায় রাজপথে কৃষকেরা ৷ একটাই দাবি বাতিল করতে হবে কৃষি আইন ৷  পঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থান এবং উত্তরপ্রদেশ কৃষকদের একটাই দাবি, মোদি সরকারের নতুন তিন কৃষি নীতি বাতিল করতে হবে। এই দাবিতেই, হরিয়ানা-দিল্লি সীমানায় জাতীয় সড়ক অবরোধ করে চলছে বিক্ষোভ। এই জট কাটাতে ৩৫ প্রতিনিধির কৃষক দলের সঙ্গে বৈঠকে বসেন কেন্দ্রীয় কৃষি মন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর। সঙ্গে ছিলেন আরেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল।

    তিন কৃষি আইনের বিরোধিতায় শিরোমণি অকালি দল আগেই এনডিএ ছেড়েছে। মঙ্গলবার হরিয়ানার বিজেপি সরকারের থেকে সমর্থন তুলে নেন সে রাজ্যের নির্দল বিধায়ক এবং খাপ নেতা  সোমবীর সাঙ্গোয়ান ৷ হরিয়ানায় বিজেপির জোটসঙ্গী জননায়ক জনতা পার্টি। তাদের দাবি, ন্যূনতম সহায়ক মূল্য যে বাতিল করা হবে না তা লিখিতভাবে কৃষকদের জানাক কেন্দ্র ৷  এর আগে, সোমবার, এনডিএ-র আর এক শরিক দল, রাজস্থানের রাষ্ট্রীয় লোকতান্ত্রিক পার্টি জানায় কৃষকদের সঙ্গে কেন্দ্র আলোচনায় না-বসলে এনডিএতে থাকার বিষয়টি তারা পুনর্বিবেচনা করবে ৷

    এই প্রেক্ষাপটে, কৃষক বিক্ষোভের আগুনে জল ঢালতে তৎপর বিজেপি ও মোদি সরকার। এ দিন সকালে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির জে পি নাড্ডার বাড়িতে বৈঠকে বসেন অমিত শাহ, রাজনাথ সিং, পীযূষ গোয়েল, এবং নরেন্দ্র সিং তোমর। তারপর দুপুরে বৈঠক। কিন্তু, টানা তিন ঘণ্টার বৈঠকেও কাটল না জট। প্রধানমন্ত্রী অবশ্য বারবারই বুঝিয়ে দিচ্ছেন, কৃষি আইন প্রত্যাহারের কথা তাঁর সরকার ভাবছেই না। এই আইনের সমালোচনা করে যা বলা হচ্ছে, সবই বিরোধীদের রাজনীতি।

    পাল্টা নাম না করে নরেন্দ্র মোদিকে নিশানা করেছেল রাহুল গান্ধি। ট্যুইটারে লিখেছেন,  এবার জেগে উঠুন। অহঙ্কারের চেয়ার থেকে নেমে আসুন। কৃষকদের অধিকার দেওয়ার কথা ভাবুন ৷’

    এদিন শাহিনবাগের প্রতিবাদের মুখ, আশি বছরের বেশি বয়সের বিলকিস দাদিও এ দিন কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে যান। কিন্তু, দিল্লি-হরিয়ানার সিংঘু সীমানায় তাঁকে আটকে দেয় পুলিশ। সবমিলিয়ে আরও জটিল গোটা পরিস্থিতি ৷ আন্দোলনের সুর একচুলও নরম করতে নারাজ বিক্ষুব্ধ কৃষকেরা ৷

    Published by:Elina Datta
    First published: