corona virus btn
corona virus btn
Loading

প্রতিমা,নৈবেদ্য, আবাহন থেকে বিসর্জন, অন্য বনেদি বাড়ির পুজো থেকে সম্পূর্ণ আলাদা দর্জিপাড়ার মিত্রবাড়ির পুজো

প্রতিমা,নৈবেদ্য, আবাহন থেকে বিসর্জন, অন্য বনেদি বাড়ির পুজো থেকে সম্পূর্ণ আলাদা দর্জিপাড়ার মিত্রবাড়ির পুজো
নিজস্ব চিত্র

রীতি-রেওয়াজ। প্রতিমা থেকে নৈবেদ্য, ভোগ নিবেদন। আবাহন থেকে বিসর্জন।

  • Share this:

#কলকাতা: রীতি-রেওয়াজ। প্রতিমা থেকে নৈবেদ্য, ভোগ নিবেদন। আবাহন থেকে বিসর্জন। আর পাঁচটা বনেদি বাড়ির পুজো থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। এত বৈচিত্র্য নিয়েই দুশো এগারো বছরে পা দিল উত্তর কলকাতার দর্জিপাড়ার মিত্রবাড়ির পুজো। এ পুজোর গুরুদায়িত্ব সামলান মহিলারা। তবে বিসর্জনে ব্রাত্য তাঁরা ।

উনিশ শতকের যে ক’জন বিখ্যাত বাঙালি আছেন তাদের মধ্যে অন্যতম নীলমণি মিত্র। প্রথম বাঙালি হিসেবে রুড়কি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে পাশ করেন। পরে স্থপতি হিসেবে কাজ করেন। প্রভূত খ্যাতি পান। পাঁচ প্রজন্ম আগে নীলমণিবাবুর নাতি রাধাকৃষ্ণ মিত্রের হাতে শুরু হয় মিত্রবাড়ির দুর্গাপুজো। এই পুজো শুরুর পিছনেও রয়েছে একটি ইতিহাস।

এই বাড়ির প্রতিমার একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে। তেচালায় মাতৃমূর্তি, লক্ষ্মী, সরস্বতী এবং গণেশের দেবীমুখ হলেও কার্তিক ও অসুরের বাংলা মুখ। দেবীমুখ বলতে বোঝায় টানা চোখের প্রতিমা। আর বাংলা মুখের বিশেষত্ব প্রতিমার চোখ সাধারণ মানুষের মতো।

প্রতিমার যেমন বৈচিত্র্য তেমনই এ বাড়ির পুজোর উপাচার, ভোগ, নৈবেদ্যতেও বৈচিত্র্য রয়েছে । মিত্রবাড়ির পুজোয় কোনও রান্না করা ভোগ হয় না। বিশেষভাবে মাখনের নৈবেদ্য মাকে নিবেদন করা হয় । এমনকি দেওয়া হয় কুল-আমের আচারও।

এ বাড়ির পুজোর গুরুদায়িত্বে মহিলারাই। নৈবেদ্যের প্রস্তুতি শুরু হয় সেই সরস্বতী পুজো থেকে। আর পুজোর কটা দিন, দম ফেলার ফুরসৎ পান না তাঁরা। বাড়ির পুজোর আয়োজনের মধ্যেই গল্প-আড্ডা, খাওয়া-দাওয়া নিয়ে ব্যস্ত থাকেন তারা । হু-হু করে কেটে যায় সময়। বোধন থেকে প্রাক্ বিসর্জন পর্যন্ত ।

সন্ধিপুজোয় একশ আটটি পদ্ম যেমন দেওয়া হয়, তেমনই মিত্রবাড়িতে দেওয়া হয় একশ আটটি অপরাজিতা ।

বিসর্জনেও আজো পুরুষদের সকলকেই পড়তে হয় ধুতি আর পাজ্ঞাবি। গলায় উড়নি আর হাতে অবশ্যই ছড়ি । প্রতিমা বিসর্জন দিয়ে ফেরার পর বাড়িতে ঢোকার আগে অবশ্যই গয়লা বউকে নমস্কার করতে হবে।

তবে এই রীতি কেন তা নিয়ে জানা নেই এই প্রজন্মের। তবে আজও সেটাই পালন করে চলেছেন মিত্রবাড়ির উত্তরপুরুষরা।

First published: September 26, 2017, 4:26 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर