• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • পুজোর আগেই সুখবর পেতে পারে বাঙালি, চালু হতে পারে দার্জিলিং মেল... 

পুজোর আগেই সুখবর পেতে পারে বাঙালি, চালু হতে পারে দার্জিলিং মেল... 

চালু হতে পারে দার্জিলিং মেল?

চালু হতে পারে দার্জিলিং মেল?

পূর্ব রেলের প্রিন্সিপাল চিফ কমারশিয়াল ম্যানেজার এই বিষয়ে চিঠি দিয়েছেন, প্রিন্সিপাল চিফ অপারেশনস ম্যানেজারকে।

  • Share this:

#কলকাতা: এবার বাছাই করা মেল, এক্সপ্রেস চালাতে চেয়ে রেলওয়ে বোর্ডের কাছে আবেদন জানাল পূর্ব রেল।

পূর্ব রেলের প্রিন্সিপাল চিফ কমারশিয়াল ম্যানেজার এই বিষয়ে চিঠি দিয়েছেন, প্রিন্সিপাল চিফ অপারেশনস ম্যানেজারকে।সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে পূর্ব রেলের তিন ডিভিশন হাওড়া, শিয়ালদহ ও মালদহ থেকে মেল এক্সপ্রেস ট্রেন পরিষেবা চালু করার। লকডাউন অধ্যায়ে রেল পরিষেবা বন্ধ দেশ জুড়ে। শুধুমাত্র বিশেষ কিছু দূরপাল্লার ট্রেন চলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। যদিও যাত্রীদের চাহিদা তাতে পূরণ হচ্ছে না। এই অবস্থায় বিশেষ কতগুলি রুটে ট্রেন চালাতে না পারালে মুশকিলে পড়ছেন যাত্রীরা। এছাড়া দীর্ঘদিন ধরে রেল না চলায় আর্থিক ভাবেও সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছে। তাই লাভজনক ১৩টি রুটে ট্রেন চালাতে এবার মন্ত্রকের কাছেই আগ্রহ প্রকাশ করল পূর্ব রেল।

তারা যে সমস্ত ট্রেন চালাতে চেয়েছে তার মধ্যে অতি গুরুত্বপূর্ণ হল শিয়ালদহ রাজধানী এক্সপ্রেস, দার্জিলিং মেল ও সরাইঘাট এক্সপ্রেস। যে ১৩টি ট্রেনের কথা বলা হচ্ছে, তাতে যাত্রী চাহিদা, ২০১৯-২০ সালের হিসেবে প্রতি ট্রিপে আয়ের অঙ্ক কী ছিল তার উল্লেখ করে দেওয়া হয়েছে।

এক নজরে দেখে নেওয়া যাক কোন কোন ট্রেন চালাতে আবেদন জানানো হল-

  • ১২৩৪৫/৪৬ হাওড়া-গুয়াহাটি সরাইঘাট এক্সপ্রেস - প্রতিদিন গড়ে ১২৫.৬১% যাত্রী থাকে। প্রতি ট্রিপে ৯.৭৫ লাখ আয় করে। কলকাতা থেকে গুয়াহাটির একমাত্র সরাসরি যোগাযোগ এই ট্রেনের মাধ্যমেই।
  • ১২৩৪৩/৪৪ শিয়ালদহ-এনজেপি দার্জিলিং মেল - কলকাতা থেকে উত্তরবঙ্গের যাওয়ার জন্যে এটা সবচেয়ে চাহিদার ও পছন্দের ট্রেন। যাত্রী চাহিদা থাকে গড়ে ১০৫.৮২%। গড়ে প্রতি ট্রিপে আয় হয় ৮.৮৭ লাখ টাকা। যদি প্রতিদিন না ট্রেন চালানো যায়, তাহলে সপ্তাহে তিনদিন চলুক। শিয়ালদহ থেকে সোম, বুধ, শুক্র। এনজেপি থেকে মঙ্গল, বৃহস্পতি ও শনিবার।
  • ১২৩১৩/১৪ শিয়ালদহ-নিউ দিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেস - হাওড়া রাজধানীর মতো, এটার চাহিদা ব্যাপক। এই ট্রেন থেকে গড়ে আয় হত ২৮.৩৩ লাখ টাকা।
  • এছাড়া দিল্লি বা উত্তর ভারতের জন্যে চালানো যেতে পারে। ১২৩১/৩২ - হাওড়া-জম্মু তাওয়াই হিমগিরি এক্সপ্রেস৷ প্রতি ট্রিপে গড়ে আয় ১৮.৭১ লাখ টাকা।
  • ১২৩৭৯/৮০ শিয়ালদহ-অমৃতসর এক্সপ্রেস - এখন কলকাতা স্টেশন থেকে সপ্তাহে দু'দিন দূর্গানিয়া এক্সপ্রেস চলছে। ১লা জুন থেকে এই রুটে ট্রেন চালিয়ে  যেখানে প্রতি ট্রিপে গড়ে আয় হচ্ছে ১৬.৩৫ লাখ টাকা। ফলে ট্রেন চালালে লাভ হবে, যাত্রীও মিলবে।
  • ১৩৪১৩/১৪ মালদা টাউন-দিল্লি ত্রি-সাপ্তাহিক ফারাক্কা এক্সপ্রেস - মালদা থেকে এই রুটের ট্রেনের চাহিদা অনেক। গড়ে প্রতি ট্রিপে আয় হয় ৯ লাখের কাছাকাছি।

এছাড়া চালাতে চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। ১৫০৪৭/৪৮ কলকাতা থেকে গোরক্ষপুর পূর্বাঞ্চল এক্সপ্রেস। সপ্তাহে চারদিন। ১৩১৮৫/৮৬ শিয়ালদহ-জয়নগর গঙ্গাসাগর এক্সপ্রেস। ১৩০২১/২২ হাওড়া-রক্সৌল মিথিলা এক্সপ্রেস। ১৩০৭১/৭২ হাওড়া-জামালপুর এক্সপ্রেস।১৩১৫৯/৬০ কলকাতা-যোগবাণী ত্রি-সাপ্তাহিক এক্সপ্রেস। ১৩৫৭৬/৭৫ যশিডি-তাম্বারাম সাপ্তাহিক এক্সপ্রেস।১২৩৬১/৬২ আসানসোল-ছত্রপতি শিবাজী টার্মিনাস সাপ্তাহিক এক্সপ্রেস।

পূর্ব রেলের তরফ থেকে রেলওয়ে বোর্ডের কাছে আবেদনে জানানো হয়েছে এই ১৩টি ট্রেনের পরিষেবা চালু করা হোক। কারণ সমীক্ষা করে দেখা গেছে এই ১৩ রুটে যাত্রীদের চাহিদা আছে। আর যদি ট্রেনগুলি চলে তাহলে মাসে ২৩ কোটি আয় করা যাবে। রাজ্য ধাপে ধাপে রেল চালানো নিয়ে আগেই আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এখন দেখার রেল-রাজ্য সমন্বয়ে এই ট্রেন পরিষেবা কবে শুরু করা যায়।

Published by:Arka Deb
First published: