দ্রুত নামছে মাটির নীচের জলস্তর, বাদ নেই বাংলাও

দ্রুত নামছে মাটির নীচের জলস্তর, বাদ নেই বাংলাও

মহারাষ্ট্রে বিস্তীর্ণ অঞ্চলে এখন অতিথিও অনাহুত। কারণ পা ধোয়ার জলটুকুও নেই।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি : প্রায় বৃষ্টি শূন্য আষাঢ়ের পর ৮ই শ্রাবণ বৃষ্টি নামল দক্ষিণবঙ্গে। ঠিক তখন বর্ষায় ভাসছে উত্তরবঙ্গ। আবহাওয়ার খামখেয়ালির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দেশ জুড়ে জলসংকট। দ্রুত নামছে মাটির নীচের জলস্তর। বাদ নেই বাংলাও। বিশেষজ্ঞদের মতে সংকটের শুরুয়াদ নদীবাঁধ। নদীস্রোতের স্বাধীন গতিকে আটকে দেওয়া।

মহারাষ্ট্রের আকোলা জেলার বাসিন্দা ধর্মেন্দ্র রাজপুত। মহারাষ্ট্রে বিস্তীর্ণ অঞ্চলে এখন অতিথিও অনাহুত। কারণ পা ধোয়ার জলটুকুও নেই। অথচ দেশের সবচেয়ে বেশি বাঁধ, মহারাষ্ট্রে। মোট বাঁধের চল্লিশ শতাংশ।কারণটাও জানেন ধর্মেন্দ্র। ব্যঙ্কে টাকাই নেই। ক্রেডিট মিলবে কোথা থেকে। এখানে ব্যাঙ্ক মানে মাটির নীচের জলস্তর।

মহারাষ্ট্র থেকে ঝাড়খন্ড। দামোদর বাঁচাতে লড়ছিলেন রামচন্দ্র রাওয়ানি। যাকে আজ গোটা দেশ চেনে, দামোদর পুত্র নামে। ২০১৮র ৫ই নভেম্বর, ঝাড়খন্ডের রাজারাপ্পা থেকে ১৭৮ কিলোমিটার পদযাত্রা করেছিলেন দামোদরে জল সমাধির জন্য। অভিযোগ একটা ড্যাম খুন করেছে তিনটে ছোট নদী। কেড়ে নিয়েছে মানুষের জীবনযাত্রা।পানীয় জল মেলেনি। সেচের জল মেলেনি। কাজের ব্যবস্থা হয়নি। গত ৭২বছরে আরো খারাপ হয়েছে জীবন। এবং প্রকৃতি।

জলস্তর নীচে না যায় দেখতে হবে

নদী পুকুর খনন করে জল ধরে রাখতে হবে

Loading...

নদীকে নিজস্ব স্রোতে বইতে দিতে হবে

বালি খাদান বন্ধ করতে হবে

জলের ব্যবসায়িক দোহন বন্ধ করতে হবে

অথচ দেশের সেন্ট্রাল গ্রাউন্ড ওয়াটার অথরিটির নিয়ম আছে জলস্তর বিপজ্জনক ভাবে নেমে গেলে ওই অঞ্চলে জল তোলায় নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করতে হয়। নীতি আছে বালি খাদান নিয়ে। আইন আছে দূষণ পর্ষদের। আবর্জনা ফেলা যাবে না নদীতে। কিন্তু কোন নিয়ম আইন মেনে চলা হয় না। চোখ বুজে দেশের সরকার।

আর নদীকে বইতে দিতে হবে তার নিজস্ব খাতে। বন্ধ করতে হবে গাছ কাটা। তাহলেই মুক্তি মিলতে পারে এই তীব্র জলসঙ্কট থেকে। কারণ দু'দশক আগেই ইউনেস্কো জানিয়েছিল ওয়াটার ফেমিন বা জলের দুর্ভিক্ষ আসতে চলেছে ভারতে। কারণ শুধুমাত্র গঙ্গা নদীর ওপরই বানানো হয়েছে ছোট বড় মাঝারি ৯৪২টা বাঁধ।

First published: 04:31:14 PM Jul 30, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर