Cyclone Yaas LIVE Updates: ধামরায় ল্যান্ডফল ইয়াসের, দেখুন গ্রাউন্ড জিরো থেকে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডব

ইয়াসের তাণ্ডব। ছবি: ট্যুইটার।

মৌসম ভবন সূত্রে খবর, অতি শক্তিশালী এই ঘূর্ণিঝড় (Yaas) তীব্র গতিবেগে এগিয়ে আর তা ওড়িশার ভদ্রক জেলার ধামরা (Dhamra) এবং বালেশ্বরের (Baleshwar) মধ্যবর্তী উপকূলভাগে আছড়ে পড়তে চলেছে (Cyclone Yaas Updates)।

  • Share this:

#ধামরা: দুপুরের মধ্যেই ওড়িশায় ঘূর্ণিঝড় ইয়াস (Yaas)-এর ল্যান্ডফল করার পূর্বাভাস ছিল। মৌসম ভবন সূত্রে খবর, অতি শক্তিশালী এই ঘূর্ণিঝড় তীব্র গতিবেগে এগিয়ে আর তা ওড়িশার ভদ্রক জেলার ধামরা এবং বালেশ্বরের মধ্যবর্তী উপকূলভাগে আছড়ে পড়তে চলেছে। সেই মতো সকাল সাড়ে ন'টা থেকেই ওড়িশার ধামরায় (Dhamra) ও বালেশ্বরে (Baleshwar)-এ আছড়ে পড়ল ইয়াস। মৌসম ভবন সূত্রে খবর,  প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা ধরে তাণ্ডব চালিয়েছে ঘূর্ণিঝড় ইয়াস। এই মুহূর্তে ল্যান্ডফল শেষ হয়েছে ইয়াসের।

মৌসম ভবন সূত্রে খবর, ঘণ্টায় ২০ কিলোমিটার বেগ নিয়ে ওড়িশার উত্তর উপকূল অতিক্রম করেছিল ইয়াস। বালাসোরের থেকে দক্ষিণে সেই জায়গায় তখন সময় হয়েছিল সকাল সাড়ে দশটা। এরপরই শক্তি বাড়িয়ে তোলে ইয়াস। প্রায় ঘণ্টায় ১৩০-১৪০ কিলোমিটার বেগে সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ ওড়িশার উত্তর উপকূল ছুঁয়ে ফেলে এবং ঢুকে পড়ে বালাসোরের দক্ষিণপশ্চিমের প্রায় ১৫ কিলোমিটার গভীরে।

ইয়াসের ল্যান্ডফলের কতটা প্রভাব পড়ল ধামরায়? গ্রাউন্ড জিরো থেকে নিউজ ১৮ বাংলার প্রতিনিধি আবীর ঘোষাল তুলে ধরেছেন সেখানকার তাণ্ডবের ছবি। সঙ্গে ক্যামেরায় ছিলেন সুব্রত জানা। ভয়াবহ ভিডিওতে দেখা গিয়েছে লোহার বিম বেঁকে গিয়েছে হাওয়ার দাপটে। মাটি থেকে উপড়ে বেরিয়ে এসেছে লোহার বিমগুলি। মৃত্যু হয়েছে বেশি কয়েকটি গবাদি পশুর। গাছ ভেঙে পড়েছে বেশ কিছু জায়গায়। সমু্দ্রের জল ঢুকে গিয়েছে বসতি এলাকায়। গ্রাউন্ড জিরোয় দাঁড়িয়ে থাকার সময় রীতিমতো বেগ পেতে হয়েছে নিউজ ১৮-এ প্রতিনিধিকে। হাওয়ার বেগ ছিল মারাত্মক। গায়ে ছুঁচ ফোটানোর মতো বিধ্বংসী ছিল বৃষ্টির বেগও।

ঘূর্ণিঝড় ধামরা ও বালেশ্বরকে পেরিয়ে যাওয়ার পর সেখানকার একাধিক জায়গা প্লাবিত হয়ে গিয়েছে। জাতীয় সড়কের উপর ঢুকে পড়েছে সমুদ্রের জল। চাষের জমিও জলে ডুবে গিয়েছে। ঝোড়ো হাওয়া রয়ে গিয়েছে ঝড় সরে যাওয়ার বেশ খানিকটা সময় পরেও। বাড়ি ভেঙে পড়েছে বিভিন্ন জায়গায়। সেখানকার মানুষ দুর্গোযকে এখন নিয়মিত মনে করেন, তাই সেভাবে তাঁরা আতঙ্কিত নন বলেই জানিয়েছেন। তবে ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে আশঙ্কায় রয়েছেন বাসিন্দারা।

Published by:Raima Chakraborty
First published: