• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • ‘কোটিপতি’ কুকুরের গ্রাম, এখানকার কুকুরদের বার্ষিক আয় এক কোটি টাকা!

‘কোটিপতি’ কুকুরের গ্রাম, এখানকার কুকুরদের বার্ষিক আয় এক কোটি টাকা!

Representative Image

Representative Image

‘কোটিপতি’ কুকুরের গ্রাম, এখানকার কুকুরদের বার্ষিক আয় এক কোটি টাকা!

  • Share this:

    #মেহসেনা: কোটিপতি কুকুর ! যা শুনছেন, তা ঠিক। এক, দু’জন নয় প্রায় সত্তর জনের গড় আয় প্রায় এক কোটি টাকা। কী ভাবে ? গুজরাতের মেহসেনা থেকে রৌনক পাঞ্চালের রিপোর্ট।

    দেশ তখন পরাধীন। কোম্পানির রাজ চলছে। উত্তর গুজরাতের মেহসানায় পটেলদের জমিতে ফলন ভালই হচ্ছে। মুশকিল হচ্ছে, এত জমির মধ্যে এমনও অনেক জমি ছিল যা চাষ করতে করতে ফলন ক্ষমতা হারিয়েছিল। তাই কর দিতে হলেও সেই জমি থেকে তেমন আয় হচ্ছিল না। সেই সময়ের জমিদাররা ঠিক করেছিলেন, ওই জমির দান করা হবে। কিন্তু কাদের নামে হবে এই দানপত্র ? মুশকিল আসান করল জমি পাহারায় থাকা কুকুররা। সম্মিলিত ভাবে তাদের নামেই জমির দানপত্র হল। সেই শুরু। তারপর থেকে পাঁচভূত গ্রামে সারমেয়দের কদর আরও বেড়েছে।

    সালটা ২০১৮। দেশ স্বাধীন হয়েছে। এই জেলায় জন্মগ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র দামোদারদাস মোদি। জমানা বদলেছে। কিন্তু রয়ে গিয়েছে পাঁচভূতের ঐতিহ্য। সকাল সন্ধ্যা চলছে কুকুরদের সেবা। সে পাড়ার গলি হোক বা বড় রাস্তার ধারে জমি। নিয়মকরে সারমেয় সেবা করছে মাধনিপাত্তি কুত্তারিয়া ট্রাস্ট। আট থেকে আশি মিলে যত্নে রেখেছেন সত্তর থেকে আশিটি কুকুরকে। কেন ? কারণ, আজ তাদের বার্ষিক আয় এক কোটি টাকা।

    কী ভাবে ? গ্রামের চার কিলোমিটার দূরে তৈরি হচ্ছে বাইপাস। যেখানে এক বিঘে জমির দাম সাড়ে তিন কোটি টাকা। এমন একুশ বিঘে জমির মালিক গ্রামের সত্তরটি কুকুর। তাদের জন্য সব টাকা জমা হয় এই বেসরকারি ট্রাস্টে। সেই টাকাতে চলে ভরনপোষণ।

    কথায় আছে ব্যবসা বোঝেন গুজরাতিরা। আক্ষরিক অর্থেই তার প্রমাণ মিলল। না হলে একশো বছর আগে কুকুরদের নামে দানপত্র করে আজ কোটি টাকার সম্পত্তির মলিক মেহসানার পাঁচভূত গ্রামের সারমেয় ট্রাস্ট।

    First published: