হোম /খবর /দেশ /
সেদিন জল নিতে এল না বিন্দু, ততক্ষণে স্বামী তাঁকে বাড়ির উঠোনে পুঁতে দিয়েছে...

Crime News: সেদিন জল নিতে এল না বিন্দু, ততক্ষণে স্বামী তাঁকে বাড়ির উঠোনে পুঁতে দিয়েছে...

রোজ সকালে গ্রামের হ্যান্ডপাম্প থেকে জল নিতে আসতেন বিন্দু। মঙ্গলবার এলেন না। তাঁর খোঁজ করতে বাড়ি গিয়ে হতভম্ব প্রতিবেশীরা।

  • Share this:

ছত্তিসগঢ়: সকালে গ্রামের হ্যান্ডপাম্প থেকে জল নিতে আসতেন বিন্দু। মঙ্গলবার এলেন না। তাঁর খোঁজ করতে বাড়ি গিয়ে হতভম্ব প্রতিবেশীরা। ততক্ষণে বিন্দুর স্বামী নিজের বাড়ির উঠোনে দশ ফুট গর্ত খুঁড়ে কবর দিয়ে ফেলেছেন তাঁকে।

ছত্তিসগঢ়ের শক্তি জেলার বড়দ্বার থানা এলাকার রায়পুরা গ্রামের ঘটনা। প্রতিবেশীদের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। উদ্ধার হয়েছে বিন্দুর দেহ। প্রাথমিক ভাবে পুলিশের অনুমান দাম্পত্য কলহের জেরেই স্ত্রীকে খুন করেছেন রাজেশকুমার সাহু নামে ওই ব্যক্তি।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, রাজেশ আদতে দারাভানঠা আদিলের বাসিন্দা। রায়পুরায় তাঁর মামার বাড়ি। রায়পুরা পঞ্চায়েতের নিউ হাইস্কুলের কাছে রাজেশের মায়ের নামে তৈরি করা আবাস যোজনার বাড়িতে তিনি সস্ত্রীক থাকতেন। বছর ছয়েক আগে আদতে বিহারের বাসিন্দা বিন্দু সিংয়ের সঙ্গে পরিচয় হয় রাজেশের। তারপরই ভালবেসে আইনি বিবাহ সারেন তাঁরা। প্রতিবেশীদের দাবি, গ্রামের বেশিরভাগ বাসিন্দাই উপার্জন করতে ভিন রাজ্যে যান। সেই সূত্রের বিন্দুর সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল রাজেশের। রাজেশ-বিন্দুর তিনটি সন্তানও রয়েছে।

দিন তিনেক আগেই তাঁরা রায়পুরায় ফেরে। অন্য দিনের মতো সকালে বাড়ির পাশের হ্যান্ডপাম্প থেকে জল তুলতে আসেননি দেখে এক প্রতিবেশিনী খোঁজ করেন বিন্দুর। তাঁদের বাড়িতে ঢুকেই তিনি তাজ্জব হয়ে যান। দেখেন রাজেশ বাড়ির উঠোনে দশ ফুট গভীর গর্ত খুঁড়ে তাতে মাটি চাপা দিচ্ছেন। কিন্তু বিন্দু কোথাও নেই। সন্দেহ হওয়ায় তিনিই খবর দেন অন্য প্রতিবেশীদের। সকলে এসে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। সেসময় রাজেশ স্বীকার করে, স্ত্রীকে খুন করে মাটি চাপা দিয়ে দেওয়ার কথা। সঙ্গে সঙ্গেই খবর দেওয়া হয় থানায়।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরা। যদিও ততক্ষণে ফেরার হয়ে গিয়েছে রাজেশ। ওই গর্ত থেকেই উদ্ধার করা হয় বিন্দুর মৃতদেহ। পোস্টমর্টেমের পরে তা রাজেশের বাবা কেশবপ্রসাদ সাহুর হাতে তুলে দেওয়া হয়। রাজেশের খোঁজে পুলিশ তল্লাশি শুরু করেছে।

বড়দ্বার থানার ইনচার্জ রাজেশ পটেল জানিয়েছেন, তদন্তে জানা গিয়েছে, রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়েছিল। এরপর রাজেশ তার স্ত্রী বিন্দু সাহুকে হত্যা করে বাড়ির উঠনে লাশ কবর দিয়ে দেয়। ঘটনার কথা জানাজানি হতেই সে চম্পট দেয়।

Published by:Rukmini Mazumder
First published:

Tags: Crime News