১১ এপ্রিল থেকে সমস্ত সরকারি, বেসরকারি অফিসগুলিতে করোনার টিকা দেওয়া হবে; জেনে নিন কারা এই সুবিধা পাবেন!

১১ এপ্রিল থেকে সমস্ত সরকারি, বেসরকারি অফিসগুলিতে করোনার টিকা দেওয়া হবে; জেনে নিন কারা এই সুবিধা পাবেন!

১১ এপ্রিল থেকে সমস্ত সরকারি, বেসরকারি অফিসগুলিতে করোনার টিকা দেওয়া হবে; জেনে নিন কারা এই সুবিধা পাবেন!

দেশে যে ভাবে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে তাতে করোনা টিকা দেওয়ার সুযোগ আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: একটা মহামারী থমকে দিয়েছে গোটা দেশকে। ভেঙে দিয়েছে দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক মানদণ্ড। আর যখন সেই মহামারীর কবল সবে যখন পৃথিবী সামলে উঠছে, ঠিক সেই সময়ে দরজায় আবার হাজির করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। দেশে যে ভাবে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে তাতে করোনা টিকা দেওয়ার সুযোগ আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

বুধবার, কেন্দ্রীয় সরকার বলেছে যে ১১ এপ্রিল থেকে সমস্ত সরকারি এবং বেসরকারি অফিসগুলিতে টিকাদান শুরু করা হবে। তবে এই সুবিধাটির আওতায় কেবল ৪৫ বছরের বেশি বয়সের ব্যক্তিদের টিকা দেওয়া হবে। কেন্দ্রীয় সরকার আরও বলেছে যে, ৪৫ থেকে ৫৯ বছর বয়সের মধ্যে একটি বড় অংশ রয়েছে যাঁরা বেসরকারি ও সরকারি দফতরে কাজ করছেন। ফলে অফিসগুলিতেও তাঁদের টিকা দেওয়ার সুবিধা দেওয়া উচিত। এর ফলে একদিকে যেমন টিকা নেওয়ার সুযোগ আরও বহুল পরিমাণে মানুষ পাবেন, তেমনই আবার টিকা নিতে কোভিড সেন্টারেও যেতে হবে না। অফিসে বসেই এই সুবিধা নিতে পারবেন।

যদিও সরকার এর জন্য কিছু নির্দেশিকাও জারি করেছে। যে সব অফিসে শতাধিক কর্মী থাকবেন, সেখানে কোভিড সেন্টার তৈরি করে টিকা দেওয়া হবে। এই কর্মস্থলগুলি জেলাশাসকের নেতৃত্বে জেলা টাস্কফোর্স দ্বারা চিহ্নিত করা হবে। এছাড়া কর্পোরেশন কমিশনারের নেতৃত্বে আরবান টাস্ক ফোর্সও এ জাতীয় স্থান চিহ্নিত করবে। নোডাল কর্মকর্তা টিকা দেওয়ার সমস্ত ব্যবস্থা দেখবেন, যেমন যাঁরা এই সুবিধা পাবেন তাঁদের নাম নিবন্ধন থেকে শুরু করে টিকা দেওয়ার পুরো ব্যবস্থা। সরকারের পক্ষ থেকে এটি স্পষ্ট করা হয়েছে যে কর্মক্ষেত্রে কোনও বহিরাগতকে টিকা দেওয়া হবে না।

স্বাস্থ্য সচিব রাজেশ ভূষণ (Rajesh Bhushan) রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে লিখিত একটি চিঠিতে তাদেরকে এই প্রসঙ্গে সমস্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে বলেছেন । চিঠিতে বলা হয়েছে, কোভিড টিকা নেওয়ার জন্য যে কোনও অফিসে বাছাই করা হবে একজন প্রবীণ কর্মকর্তা যিনি নোডাল অফিসার হিসাবে কাজ করবেন। তিনি জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের সাথে সমন্বয় সাধন করবেন এবং তাঁর অফিসের সমস্ত কর্মীদের টিকাকরণ নিশ্চিন্ত করবেন। চিঠিতে স্পষ্ট ভাবে বলা হয়েছে যে Co-Win অ্যাপে সকল সুবিধাভোগীর নিবন্ধন অত্যন্ত জরুরি।

অন্য দিকে, বুধবার স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাঃ হর্ষ বর্ধন (Harsh Vardhan) করোনার টিকা দেওয়ার জন্য মহারাষ্ট্রের দাবিকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। প্রকৃতপক্ষে, মহারাষ্ট্র বলেছিল যে ১৮ বছরের বেশি বয়সী সমস্ত মানুষকে টিকা দেওয়া হোক। এর পরে, স্বাস্থ্যমন্ত্রী পরিসংখ্যান দিয়েছেন যে মহারাষ্ট্রে, অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে নির্বাচিতদেরই সম্পূর্ণ টিকা দেওয়া হয়নি এখনও। তিনি যুক্তি দিয়েছিলেন যে টিকা দেওয়ার ভিত্তি হল মৃত্যুর হার কমানো। টিকার চাহিদা এবং সরবরাহকে মাথায় রেখে, অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্বাস্থ্যমন্ত্রী করোনার বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপের জন্য মহারাষ্ট্র ও ছত্তিmগড় সরকারের সমালোচনাও করেন।

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published: