• হোম
  • »
  • খবর
  • »
  • দেশ
  • »
  • COVID 19 CRISIS MUMBAI TEAM DEVELOPS ALGORITHM THAT TESTS MORE PATIENTS WITH FEWER TRIALS AND AWAITS FOR APPROVAL DD TC

ট্যাপেস্ট্রি পুলিং! একাধিক ব্যক্তির স্যাম্পেল একসঙ্গে মিশিয়ে কোভিড পরীক্ষার অভিনব পদ্ধতি আবিষ্কার দেশের অধ্যাপকদের!

Photo- Collected

মোকাবিলা কী ভাবে করা যায়, সেই নিয়ে নতুন করে চিন্তাভাবনা শুরু করে দেন তিনি। এ কাজে তাঁকে সঙ্গ দেন ছাত্র সব্যসাচী ঘোষ এবং গণিতবিদ অধ্যাপক-বন্ধু অজিত রাজওয়াড়ে।

  • Share this:

#মুম্বই: আজ থেকে প্রায় বছর পাঁচেক আগের ঘটনা।ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজি বম্বের এক অধ্যাপক, যাঁর নাম মনোজ গোপালকৃষ্ণন, তিনি মিডল ইস্ট রেসপাইরেটরি সিন্ড্রোম করোনাভাইরাস বা MERS-COV-এর সংক্রমণের কথাটা শোনেন। সেই সময়ে তাঁর মাথায় একটা চিন্তা খেলে গিয়েছিল। যেখানে দেশের একটা বড় অংশ জুড়ে সংক্রমিত হচ্ছে লোকে, সেখানে রোগপরীক্ষা নিয়ে একটা সমস্যা তৈরি হবেই। রীতিমতো প্রতিকূল পরিস্থিতি তৈরি হবে পৃথক ভাবে একেকজনের স্যাম্পল পরীক্ষা করার বিষয়ে। এক্ষেত্রে অনেক বেশি সময় যেমন লাগবে, তেমনই প্রয়োজনীয় সরঞ্জামেরও অভাব দেখা দিতে পারে!

এই চিন্তাটা মনোজকে আবার গ্রাস করেছিল সারা বিশ্বে করোনাভাইরাস সংক্রমিত হওয়ার সময় থেকে। ফলে উপরে যে প্রতিবন্ধকতাগুলোর কথা বলা হয়েছে, তার মোকাবিলা কী ভাবে করা যায়, সেই নিয়ে নতুন করে চিন্তাভাবনা শুরু করে দেন তিনি। এ কাজে তাঁকে সঙ্গ দেন ছাত্র সব্যসাচী ঘোষ এবং গণিতবিদ অধ্যাপক-বন্ধু অজিত রাজওয়াড়ে। তাঁদের এই প্রচেষ্টায় জন্ম নিয়েছে ট্যাপেস্ট্রি পুলিং নামের এক অভিনব অ্যালগরিদম। এই পদ্ধতিতে অনেক মানুষের শরীর থেকে সংগৃহীত স্যাম্পল একসঙ্গে মিশিয়ে কোভিড পরীক্ষা করা সম্ভব হবে। XPRIZE নামে সারা বিশ্ব জুড়ে যে কোভিড পরীক্ষা সংক্রান্ত প্রতিযোগিতা চলছে, তার ফাইনাল স্তরে আপাতত এসে ঠেকেছে এই ট্যাপেস্ট্রি পুলিং। অনুমোদন এবং ৫০ লক্ষ ডলার আর্থিক মূল্যের পুরস্কার জিতে নেওয়াটাই যা বাকি রয়েছে!

এ প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যমের কাছে মনোজ তাঁদের উদ্ভাবিত ট্যাপেস্ট্রি পুলিংয়ের বিষয়টি সহজ ভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর ভাষায়, অনেক ব্যক্তির স্যাম্পল পরীক্ষা করে কে পজিটিভ, সেটা বের করা অনেকটা খড়ের গাদায় সূচ খোঁজার মতো। তিনি এই ব্যাপারটাকেই উল্টে দিতে চান। অর্থাৎ ট্যাপেস্ট্রি পুলিং হল কোন খড়ের গাদার মধ্যে সূচ রয়েছে, সেটা চিহ্নিত করা! তিনি জানিয়েছেন যে এই বিষয়টি খুব একটা নতুনও কিছু নয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় যাকে বলা হয়ে ডর্ফম্যান টেকনিক, সেটা তাঁর ট্যাপেস্ট্রি পুলিংকেই স্বীকৃতি দেয়। এক্ষেত্রে অনেক ব্যক্তির শরীর থেকে সংগ্রহ করা স্যাম্পল একসঙ্গে মিশিয়ে টেস্ট করা হয়। এবার সেই মিশ্রিত স্যাম্পলের ফলাফল যদি পজিটিভ আসে, তখন আলাদা করে পরীক্ষার কাজ শুরু হয়। মনোজের দাবি- এই পদ্ধতি এক দিকে যেমন পরীক্ষার সময় বাঁচায়, তেমনই প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের সরবরাহের দিক থেকেও সাশ্রয়ী বলে সাব্যস্ত হয়।

জানা গিয়েছে যে ল্যাবরেটরিগুলোর পরিসংখ্যান ঠিক রাখার জন্য একটা অ্যানড্রয়েড অ্যাপও তৈরি করেছে ট্যাপেস্ট্রি পুলিং। মনোজ আশাবাদী- দ্য সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন এই পদ্ধতিকে স্বীকৃতি দেবে।

Keywords:
Published by:Debalina Datta
First published: