• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • বিয়ের দিনই দুর্ঘটনা, হাসপাতালের স্ট্রেচারে শোয়া পঙ্গু কনেকে বিয়ে করলেন পাত্র

বিয়ের দিনই দুর্ঘটনা, হাসপাতালের স্ট্রেচারে শোয়া পঙ্গু কনেকে বিয়ে করলেন পাত্র

প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার কয়েক ঘণ্টা বাদে হাসপাতালের স্ট্রেচারে শোয়া পঙ্গু বাগদত্তাকে দ্বিধাহীনভাবে গ্রহণ করলেন পাত্র।

প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার কয়েক ঘণ্টা বাদে হাসপাতালের স্ট্রেচারে শোয়া পঙ্গু বাগদত্তাকে দ্বিধাহীনভাবে গ্রহণ করলেন পাত্র।

প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার কয়েক ঘণ্টা বাদে হাসপাতালের স্ট্রেচারে শোয়া পঙ্গু বাগদত্তাকে দ্বিধাহীনভাবে গ্রহণ করলেন পাত্র।

  • Share this:

    #উত্তরপ্রদেশ: ঠিক যেন শাহিদ কাপুর ও অমৃতা রাও অভিনীত ‘বিবাহ’... বিয়ের আগে আগুনে পুড়ে যান অমৃতা, সেই অবস্থায়ই তাঁকে বিয়ে কতেছিলেন শাহিদ। অথবা, ‘মন’... পথ দুর্ঘটনায় পা বাদ চলে গিয়েছিল মনীষা কৈরালার, পঙ্গু মনীষাকে কোলে নিয়ে সাতপাক ঘুরেছিলেন আমির। এবার বাস্তবেও ঠিক এমনটাই ঘটল! আরতি ও অবধেশের প্রেমকাহিনি শুনলে নিশ্চিন্ত হবেন, রক্তক্ষরণ, হানাহানির এই পৃথিবীতে আজও ভালবাসা বেঁচে আছে! প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার কয়েক ঘণ্টা বাদে হাসপাতালের স্ট্রেচারে শোয়া পঙ্গু বাগদত্তাকে দ্বিধাহীনভাবে গ্রহণ করলেন পাত্র। উত্তরপ্রদেশের প্রতাপগড়ের ঘটনা আরও একবার প্রমাণ করল, ভালবাসা অমর।

    জানা যায়, গত ৮ তারিখ প্রতাপগড়ের আরতি মৌর্যের সঙ্গে বিয়ে হওয়ার কথা ছিল পাশের গ্রামের অবধেশের। কিন্তু সেদিন দুপুরেই ঘটে যায় মর্মান্তিক, ভয়াবহ দুর্ঘটনা! এক শিশুকে বাঁচাতে গিয়ে ছাদ থেকে পড়ে যান আরতি। ভেঙে যায় শিরদাঁড়া, পায়ের হাড়। তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা জানান, আরতির পা নাড়ার ক্ষমতা নেই।

    এহেন পরিস্থিতিতে পাত্রীর পরিবার অধবেশকে বলেন, আরতির বোনকে বিয়ে করতে। কিন্তু অধবেশ যে আরতিকে ভালবাসেন। তাই সবাইকে চমকে দিয়ে, বিয়ের লগ্ন মেনেই বিয়ে করেন আরতিকে। চিকিৎসকদের বিশেষ অনুমতি নিয়ে অ্যাম্বুল্যান্সে বাড়ি ‌নিয়ে আসা হয় আরতিকে। স্ট্রেচারে শুয়ে থাকা অবস্থাতেই বিয়ের অনুষ্ঠান হয়। সেই সময় টান‌া স্যালাইন ও অক্সিজেন চলছিল। এমন আশ্চর্য বিয়ের সাক্ষী থেকে খুশি চিকিৎসকরাও। আরতির চিকিৎসক ডঃ সচিন সিং জানান, '' আরতির শিরদাঁড়ায় একাধিক ছোট আঘাত রয়েছে,  এখনও পর্যন্ত পা নাড়াতে পারছেন না।''

    সদ্য বিয়ে হওয়া খুশিতে ডগমগ অবধেশের কথায়, '' যা হয়েছে তা ভাগ্যে লেখা ছিল। আমি আরতিকে কথা দিয়েছি, যাই হয়ে যাক, ওর পাশে থাকব।'' আরতির ভাষায়, '' প্রথমে খুব ভয় পেয়েছিলাম। কিন্তু অধবেশ বলে, আমি কোনওদিন সুস্থ না হলেও ও আমার পাশে থাকবে। আজ আর আমার কোনও ভয় নেই।''

    Published by:Rukmini Mazumder
    First published: