corona virus btn
corona virus btn
Loading

Coronavirus Lockdown: আসছে না ডেলিভারি বয়, বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে নিজেকেই আনতে হচ্ছে সিলিন্ডার 

Coronavirus Lockdown: আসছে না ডেলিভারি বয়, বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে নিজেকেই আনতে হচ্ছে সিলিন্ডার 

গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটররা বলছেন, যোগানের কোনও কমতি নেই । সবার কাছেই পর্যাপ্ত পরিমাণ সিলিন্ডার রয়েছে। কিন্তু সিলিন্ডার বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিতে পারেছে না ডিস্ট্রিবিউটররা।

  • Share this:
#কলকাতা: চলছে লকডাউন, বন্ধ যানবাহন। ফলে আসরে পারছে না ডেলিভারি বয়। তাই বাধ্য হয়ে নিজেদের ব্যবস্থা করে বাড়ি নিয়ে যেতে হচ্ছে এল পি জি সিলিন্ডার। করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় গত সপ্তাহের রবিবার ছিল জনতা কার্ফু। সোমবার বিকেলে থেকে শুরু হয় লকডাউন। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী, লকডাউন চলবে এপ্রিল মাসের 14 তারিখ পর্যন্ত। তত দিন পর্যন্ত স্তব্ধ থাকবে জন জীবন। যদিও এই সময় চালু থাকছে কিছু জরুরি পরিষেবা। তার মধ্যে অন্যতম জ্বালানির গ্যাস অর্থাৎ এল পি জি গ্যাস পরিষেবা। গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটররা বলছেন, যোগানের কোনও কমতি নেই । সবার কাছেই পর্যাপ্ত পরিমাণ সিলিন্ডার রয়েছে। কিন্তু সিলিন্ডার বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিতে পারেছে না ডিস্ট্রিবিউটররা। তার এক মাত্র কারণ, যে ডেলিভারি বয়রা গ্রাহকদের বাড়ি গিয়ে এল পি জি সিলিন্ডার পৌঁছে  দিয়ে থাকেন তারা কাজে আসতে পারছেন না। শহরের একাধিক ডিস্ট্রিবিউটরের দাবি, ডেলিভারি বয়দের মধ্যে সিংহ ভাগ থাকেন শহরের বাইরে। তারা লোকাল ট্রেনের নিত্যযাত্রী। এখন ট্রেন পরিষেবা বন্ধ। ফলে তারা আসতে পারছে না। আর যারা কলকাতার মধ্যে থাকেন তারা করোনা ভাইরাসের ভয়ে আসছে না। মধ্যে কলকাতার এক ডিস্ট্রিবিউটরের ডেলিভারি বয় রমেশ হালদারের বক্তব্য, 'কোন বাড়িতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী আছে তা বুঝব কি ভাবে?'এর ফলে বিপদে পড়েছেন গ্রাহকরা।
অনেকেই লকডাউন শুরুর আগেই গ্যাস বুক করেছিলেন। কিন্তু  এখন বাড়িতে ডেলিভারি পাওয়ার কোনও আশা নেই।  ফলে কেউ সাইকেলে, কেউ বাইকে, কেউ আবার অতিরিক্ত টাকা দিয়ে রিকশা ভাড়া করে সিলিন্ডার নিয়ে যাচ্ছেন। শিয়ালদহ অঞ্চলের বাসিন্দা সমীর দাস সোমবার সকাল বেলা স্কুটার নিয়ে গ্যাস নিতে এসেছিলেন আমহার্স্ট স্ট্রিটের ডিস্ট্রিবিউটর অফিসে। তিনি বলেন, 'বাধ্য হয়ে স্কুটার নিয়ে এসেছি। এখন সমস্যা হল সিলিন্ডার বেঁধে নিয়ে যাওয়ার মতো দড়ি নেই। ফলে ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে।' ওই ডিস্ট্রিবিউটরেরই গ্রাহক প্রবীর কুণ্ডু বলেন, 'আমার বাড়ি এখন থেকে মেরে কেটে সাতশো মিটার। রিকশায় পঞ্চাশ টাকা চাইছে। কি করব, উপায় নেই। যা চাইছে তাই দিলাম।' Soujan Mondal
First published: March 30, 2020, 6:36 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर