• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • সংবিধান দিবস ২০২০: ২৬ নভেম্বর এই দিনটির তাৎপর্য কী?

সংবিধান দিবস ২০২০: ২৬ নভেম্বর এই দিনটির তাৎপর্য কী?

কাকতালীয় হলেও এ এক অবাক করার মতো ব্যাপার তো বটেই! ভারত, এই দেশের নাগরিকের অধিকার এবং এই দেশের সংবিধানের সঙ্গে বড় আশ্চর্য ভাবে জড়িয়ে গিয়েছে মাসের ২৬ নম্বর দিনটি!

কাকতালীয় হলেও এ এক অবাক করার মতো ব্যাপার তো বটেই! ভারত, এই দেশের নাগরিকের অধিকার এবং এই দেশের সংবিধানের সঙ্গে বড় আশ্চর্য ভাবে জড়িয়ে গিয়েছে মাসের ২৬ নম্বর দিনটি!

কাকতালীয় হলেও এ এক অবাক করার মতো ব্যাপার তো বটেই! ভারত, এই দেশের নাগরিকের অধিকার এবং এই দেশের সংবিধানের সঙ্গে বড় আশ্চর্য ভাবে জড়িয়ে গিয়েছে মাসের ২৬ নম্বর দিনটি!

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: কাকতালীয় হলেও এ এক অবাক করার মতো ব্যাপার তো বটেই! ভারত, এই দেশের নাগরিকের অধিকার এবং এই দেশের সংবিধানের সঙ্গে বড় আশ্চর্য ভাবে জড়িয়ে গিয়েছে মাসের ২৬ নম্বর দিনটি! একটি আমাদের অতি সুপরিচিত জানুয়ারি মাসের ২৬ তারিখ, যা প্রজাতন্ত্র দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয়ে থাকে প্রতি বছর। কিন্তু এ ছাড়াও ভারত, ভারতীয় নাগরিক এবং তার সংবিধানকে ঘিরে বছরের আরও একটি মাসের ২৬ নম্বর দিনটি উদযাপনের কেন্দ্রে থাকে। সেটি হল এই নভেম্বর মাসের ২৬ তারিখ। এই দিনটিকে বলা হয়ে থাকে সংবিধান দিবস। কেন, তা বোঝার লক্ষ্যে সরাসরি ভারতের সংবিধানের প্রস্তাবনা থেকে উদ্ধৃতি ব্যবহার করা অন্যায় হবে না! এই জায়গায় এসে সংবিধানের প্রস্তাবনা অংশটি নিয়েও একটু আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে। প্রস্তাবনা অর্থে সাধারণত আমরা কোনও কিছুর ভূমিকা বুঝে থাকি। সংবিধানের ক্ষেত্রেও এই অর্থের ব্যতিক্রম হবে না। বলা হয়ে থাকে যে, ভারতীয় সংবিধানের এই প্রস্তাবনা অংশটি পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর অবদান। ১৯৪৬ সালের ১৩ ডিসেম্বর গণপরিষদে তিনি এই দেশের সংবিধানের লক্ষ্য কী, সে বিষয়ে একটি প্রস্তাব উত্থাপন করেছিলেন। তারই সম্মার্জিত রূপ হল এই সংবিধানের প্রস্তাবনা। কী বলা হয়েছে এই অংশে? “আমরা, ভারতের জনগণ, ভারতকে একটি সার্বভৌম সমাজতান্ত্রিক ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক সাধারণতন্ত্র রূপে গড়িয়া তুলিতে এবং উহার সকল নাগরিক যাহাতে: সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক ন্যায়বিচার; চিন্তার, অভিব্যক্তির, বিশ্বাসের, ধর্মের ও উপাসনার স্বাধীনতা; প্রতিষ্ঠা ও সুযোগের সমতা নিশ্চিতভাবে লাভ করেন; এবং তাঁহাদের সকলের মধ্যে ব্যক্তি-মর্যাদা ও জাতীয় ঐক্য ও সংহতির আশ্বাসক ভ্রাতৃভাব বর্ধিত হয়; তজ্জন্য সত্যনিষ্ঠার সহিত সংকল্প করিয়া আমাদের সংবিধান সভায় অদ্য, ২৬ নভেম্বর, ১৯৪৯ তারিখে, এতদ্দ্বারা এই সংবিধান গ্রহণ, বিধিবদ্ধ এবং আমাদিগকে অর্পণ করিতেছি।” শিল্পাচার্য নন্দলাল বসুর অনবদ্য অলঙ্করণে সমৃদ্ধ হয়ে এই প্রস্তাবনা মুদ্রিত হয়েছিল সংবিধান বইয়ের পাতায়। অর্থাৎ এই যে ১৯৪৯ সালের ২৬ নভেম্বর গণপরিষদ এই দেশের সংবিধান রচনা শুরু করল, সেই ঘটনাকেই সম্মান জানায় সংবিধান দিবস। প্রসঙ্গত উল্লেখ না করলেই নয়, দেশের ইতিহাসে বরাবর কিন্তু এই তারিখ সংবিধান দিবস হিসেবে উদযাপিত হত না। এর শুরু হয় ২০১৫ সাল থেকে। ওই বছরে ভারত সরকার সিদ্ধান্ত নেয় যে দেশের আইন এবং জনগণের অধিকার রক্ষার মর্মে এমন একটি দিন উদযাপনের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। সেই থেকেই প্রতি বছর ২৬ নভেম্বর সংবিধান দিবস উদযাপিত হয়ে চলেছে।

Published by:Akash Misra
First published: