৩৭০-এর বিরোধিতায় কার্যত নেতাহীন কংগ্রেস

৩৭০-এর বিরোধিতায় কার্যত নেতাহীন কংগ্রেস
photo: Article 370

কংগ্রেসকে পদত্যাগের চিঠিতে ভুবনেশ্বর কালিতা লিখেছেন, ‘দেশের আবেগের বিরুদ্ধে হুইপ জারি করা সম্ভব নয়।’

  • Share this:
#নয়াদিল্লি: একদিকে বেঁফাস অধীর। অন্যদিকে ড্যামেজ কন্ট্রোলে রাহুলের টুইট। তাতেও তিনশো সত্তরের বিরোধিতায় স্পষ্ট নেতাহীন কংগ্রেস। ইতিমধ্যে মোদি সরকারকে সমর্থনের তালিকা বেশ লম্বা হয়েছে। হতাশ গুলামনবি আজাদের মন্তব্য, যাঁরা ইতিহাস জানেন না, তাঁদের আর কী বলা যাবে। রাজনৈতিক মহল বলছে, এটাই কার্যত মনের কথা। কারণ, কাশ্মীরকে বিশেষ  সম্মান দিতে, সংবিধানের তিনশো সত্তর ধারা প্রয়োগ নিয়ে শুরুর দিন থেকেই মতপার্থক্য ছিল কংগ্রেসে। পরবর্তী সময়ে গান্ধি পরিবারে দাপটে মুখ বন্ধ হলেও, আগুন একেবারেই নিভে যায়নি। সেই ছাই চাপা আগুন যেন ফের স্ফুলিঙ্গ হল। শুরুটা হয়েছিল সোমবারেই। কংগ্রেসকে পদত্যাগের চিঠিতে ভুবনেশ্বর কালিতা লিখেছেন, ‘দেশের আবেগের বিরুদ্ধে হুইপ জারি করা সম্ভব নয়।’ এরপরেই রাতে বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা জর্নাদন দ্বিবেদীর মোদি-শাহকে সমর্থনের ঘটনা। রাজনৈতিক মহলের দাবি, আগামী শনিবার রাহুল পরবর্তী প্রেসিডেন্ট বাছতে চলেছে কংগ্রেস। তার আগে যা পরিস্থিতি, তাতে একশো তেত্রিশ বছরের কংগ্রেসকে এর আগে এত দিশাহীন মনে হয়নি। ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে মঙ্গলবার টুইট করে সরকারের সমালোচনা করেছেন প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধি। অভিযোগ করছেন, জাতীয় নিরাপত্তা প্রভাবিত হবে। তাতেও, ভাঙন ঠেকানো যায়নি।  তাঁরই  ব্রিগেডের মুরলী দেওরা, দীপান্দর সিং হুডা, জয়বীর শেরগিলরা পাশে দাঁড়িয়েছেন এনডিএ সরকারের মাস্টারস্ট্রোকের। কংগ্রেস নেতাদের এই সমর্থনের ঢলে হতাশ শীর্ষ নেতৃত্ব।
ভাঙা দল নিয়ে এদিন লোকসভায় বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে চেষ্টা করেছে কংগ্রেস। লোকসভায় তিনশো সত্তর খারিজের সমালোচনা সরব হয়েছেন মণীশ তিওয়ারির মতো দলে কোণঠাসারা। কিন্তু কোথায় সনিয়া গান্ধি ? প্রশ্ন করছে রাজনৈতিক মহল। কেন চুপ প্রিয়ঙ্কা ? এই প্রশ্নও উঠছে। ওয়াকিবহাল মহলের দাবি, আসলে কাশ্মীর থেকে বিশেষ মর্যাদা কেড়ে নিয়ে বিদ্রোহী কংগ্রেস নেতাদের মনের কথাই বলে দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহ। আর তাতেই সেই চির ফাটলে পরিণত হয়েছে।      
First published: August 7, 2019, 1:18 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर