corona virus btn
corona virus btn
Loading

শিশু শ্রমিকের চোখে ধরা পড়া পুজোই এবার তেলেঙ্গাবাগানের পুজো থিম

শিশু শ্রমিকের চোখে ধরা পড়া পুজোই এবার তেলেঙ্গাবাগানের পুজো থিম
নিজস্ব চিত্র

নহবতের সুর। ঝাড়লণ্ঠনের আলো। কালিকাপুরাণ পুঁথি মেনে পুজো। বর্ধমানের আমাদপুর গ্রামের জমিদার বাড়ির পুজোয় সাড়ে তিনশো বছরে ঐতিহ্য।

  • Share this:

#কলকাতা: ছোট্ট এক শ্রমিক মহল্লা যেন। হাজারো লাখো খুদে শ্রমিক। ইঁট কাঠ পাথরের দেওয়ালে আছড়ে পড়ে খান খান হয়ে যাচ্ছে শিশু কিশোরের স্বপ্নগুলো। ফিকে হয়ে আসা স্বপ্নে রঙ ছড়ানোর চেষ্টা করছেন শিল্পী পার্থ দে। উত্তর কলকাতার তেলেঙ্গাবাগানে।

পিঠে ব্যাগ স্কুল। একটা স্বপ্ন। অথবা স্কুল ইউনিফর্মে বন্ধুদের সঙ্গে হইহই। আরেকটা। বাস্তবের রুক্ষ মাটিতে সেইসব স্বপ্নগুলো লুঠ হয়ে যায়। ফিকে হয় জীবনের রঙ। টের পায় অগুন্তি শৈশব। কিন্তু কিছু করার নেই। কারণ ক্ষিধে সবচেয়ে বড় শিক্ষক।

দিনটাই তো শুরু হয় ছেনি, হাতুড়ি হাতে। পিঠে বস্তা। মাথায় বোঝা। পেটে ক্ষিধে। যদিও মন পড়ে থাকে খোলা আকাশে। আইন হলেও ছবিটা বদলায়নি আজও। সেই শিশুশ্রমিকদের জন্য এবার স্বপ্নের উড়ানের ব্যবস্থা করছে তেলেঙ্গাবাগান সর্বজনীন। শিশু শ্রমিকের চোখে ধরা পড়া পুজোই এবার তেলেঙ্গাবাঘানের পুজো থিম।

আজও শহরের অলিগলি, রাস্তায় শয়ে শয়ে শিশুশ্রমিক। দুপায়ে স্বপ্ন মাড়িয়ে কাজ করে চলেছে। দুহাতে তাদের বইয়ের বদলে ছেনি হাচুড়ি। পিঠে বইয়ের ব্যাগের বদলে ভারী কাগজের বস্তা। রুজি-রোজগারের টানে ঠেলতে হয় রিকসা। তারপর কয়লা ভাঙা। চা বিক্রি। খবরের কাগজ বিলি। কিন্তু মন পড়ে থাকে ঘুড়ির লড়াইয়ে।

চিমনির আকারে মণ্ডপ। ইটভাটার মধ্যে দিয়ে ভিতরে প্রবেশ। দু পাশে চায়ের দোকান। খাবারের দোকান। কাগজ বিক্রি হচ্ছে। শিশু-কিশোর শ্রমিকদের অজস্র ফিগারেটিভ ইনস্টলেশন। কেটলির মধ্যে সপরিবারের দুর্গার অবস্থান। তবে দশভূজা নন। শিশুশ্রম নামক অসুরকে দুহাতে বধ করছেন দুর্গা। প্রতিমাশিল্পী নব কুমার পাল।

ছেনি হাতুড়ির বদলে হাতে উঠে আসছে বই। সেই বই হাতে ওরা স্বপ্ন উড়ানের অপেক্ষায়। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ভেঙে যাক ওদের ইট কাঠের দেওয়াল। স্বপ্নের যাত্রায় সামিল হোক তারা। দর্শকদের এই বার্তাই দিতে চাইছেন উদ্যোক্তারা।

First published: September 26, 2017, 3:41 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर