প্রধান বিচারপতির অফিসও এ বার তথ্য জানার অধিকার আইনে

প্রধান বিচারপতির অফিসও এ বার তথ্য জানার অধিকার আইনে
সুপ্রিম কোর্ট

বুধবার ঐতিহাসিক রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট৷ একই সঙ্গে আদালত জানায়, স্বচ্ছতা কখনওই বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতাকে নষ্ট করে না৷

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: প্রধানবিচারপতির অফিস পাবলিক অথরিটি৷ তাই তা তথ্য জানার অধিকার আইনের আওতায় পড়ে৷ বুধবার ঐতিহাসিক রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট৷ একই সঙ্গে আদালত জানায়, স্বচ্ছতা কখনওই বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতাকে নষ্ট করে না৷

Loading...

রায়দানের সময় বিচারপতি সঞ্জীব খান্না বলেন, 'জনস্বার্থে স্বচ্ছতা বজায় থাকুক৷ স্বচ্ছতা কখনওই বিচার ব্যবস্থার স্বাধীনতাকে ক্ষুণ্ণ করে না৷' এ দিন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ-এর নেতৃত্বে ৫ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ এই নির্দেশ দেয়৷ এ দিন বিচারপতিরা বলেন, স্বচ্ছতার নামে বিচারব্যবস্থা কখনও ধ্বংস হতে পারে না৷ 'কেউই চান না, অন্ধকারে থাকতে৷ বা কাউকে অন্ধকারে রাখতে৷ প্রশ্ন হল, সীমারেখা৷ স্বচ্ছতার নামে আপনি প্রতিষ্ঠানকে নষ্ট করতে পারেন না৷'

২০১০ সালের ১০ জানুয়ারি ঐতিহাসিক রায় দিয়েছিল দিল্লি হাইকোর্ট৷ সেই রায়ে বলা হয়েছিল, প্রধানবিচারপতির অফিসও তথ্য জানার অধিকার আইনের আওতায় পড়ে৷ তথ্য জানার অধিকার আইনে প্রধান বিচারপতির অফিস পড়লে, তা বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ করবে, এই দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করা হয়৷ হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতে আবেদন করেন সুপ্রিম কোর্টের সেক্রেটারি জেনারেল এবং সেন্ট্রাল পাবলিক ইনফরমেশন অফিসার৷

First published: 03:47:51 PM Nov 13, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर
Listen to the latest songs, only on JioSaavn.com