• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • ১৩ রুপান্তরকামীকে কনস্টেবল পদে নিয়োগ করল ছত্রিশগড় পুলিশ, এই প্রথম!

১৩ রুপান্তরকামীকে কনস্টেবল পদে নিয়োগ করল ছত্রিশগড় পুলিশ, এই প্রথম!

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে তৃতীয় লিঙ্গকে মান্যতা দেয় সুপ্রিম কোর্ট। প্রথম তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ হিসেবে  রাজস্থানে কনস্টেবলের চাকরিতে যোগ দেন জালোর জেলার রানিওয়াড়ার বাসিন্দা গঙ্গা কুমারী।

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে তৃতীয় লিঙ্গকে মান্যতা দেয় সুপ্রিম কোর্ট। প্রথম তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ হিসেবে রাজস্থানে কনস্টেবলের চাকরিতে যোগ দেন জালোর জেলার রানিওয়াড়ার বাসিন্দা গঙ্গা কুমারী।

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে তৃতীয় লিঙ্গকে মান্যতা দেয় সুপ্রিম কোর্ট। প্রথম তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ হিসেবে রাজস্থানে কনস্টেবলের চাকরিতে যোগ দেন জালোর জেলার রানিওয়াড়ার বাসিন্দা গঙ্গা কুমারী।

  • Share this:
    #ছত্তিসগড় :  নজীরবিহীন সিদ্ধান্ত ছত্তিসগড় সরকারের। বদলে যাওয়া এই সময়কে মান্যতা দিতেই যেন ১৩ জন ট্রান্সজেন্ডার বা রুপান্তরকামী (Transgender) বা কিন্নরকে কনস্টেবলের পদে নিয়োগ করলো ছত্রিসগড় সরকার। ছত্রিসগড় পুলিশ বাহিনীতে এই প্রথম রুপান্তরকামীদের জায়গা হল। তারা আপাতত শাড়ি চুড়ি ছেড়ে খাকি পোশাকে জনগণের সেবা করবে এবং আইন রক্ষা করবে। ২০০১১ সালের সেন্সাস অনুযায়ী ভারতে প্রায় ৪ লক্ষ ৯০ হাজার রুপান্তরকামী রয়েছে। অবশ্য অনেকেই মনে করেন প্রকৃত সংখ্যাটা এর চেয়ে অনেক বেশি। সামজিক অবমাননার ভয়ে অনেক রুপান্তরকামীই তাঁদের প্রকৃত পরিচয় প্রকাশ করতে সাহস পায় না। ২০১৮ সালের এনএইচআরসি রিপোর্ট অনুযায়ী রুপান্তরকামীদের ৯৬ শতাংশই কোন কাজ পান না। ছত্রিসগড় পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ১৩জন রুপান্তরকামীকে ইতিমধ্যে কনস্টেবল পদে নিয়োগ করা হয়েছে। এবং আরও দু’জন ওয়েটিং লিস্টে আছে। ছত্রিসগড়ের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী ওমপ্রকাশ বাঘেলা এক ট্যুইটে ইতিমধ্যে নিয়োগ হওয়া ১৩ জন এবং ওয়েটিং লিস্টে থাকা ২জন রুপান্তরকামীকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। আশা করা যায়, বদলাতে থাকা এই সময়ে কনস্টেবল পদে রুপান্তরকামীদের এই নিয়োগ ধীরে ধীরে তাঁদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক চিত্র পাল্টাতে সাহায্য করবে। প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে তৃতীয় লিঙ্গকে মান্যতা দেয় সুপ্রিম কোর্ট।  প্রথম তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ হিসেবে রাজস্থানে কনস্টেবলের চাকরিতে যোগ দেন জালোর জেলার রানিওয়াড়ার বাসিন্দা গঙ্গা কুমারী। ২০১৫ সালে রাজ্য পুলিশের কনস্টেবলের ১১ হাজার ৪০০টি শূন্যপদের জন্য পরীক্ষা হয়। সে পরীক্ষায় বসেছিলেন গঙ্গা। তাতে কৃতকার্যও হয়েছিলেন। কিন্তু, লিখিত পরীক্ষার পর মেডিক্যাল টেস্টের রিপোর্টেই আটকে যায় তাঁর নিয়োগ। মেডিক্যাল টেস্টে জানা যায়, গঙ্গা পুরুষ বা মহিলা নন। বরং বৃহণ্ণলা। কিন্তু তা রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতরে লালফিতের ফাঁসেই আটকে ছিল। কারণ, ওই রিপোর্ট দেখে গঙ্গাকে নিয়োগপত্র দিতে অস্বীকার করে রাজ্য পুলিশ দফতর। এর পর বিষয়টি নিয়ে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইতে নামার সিদ্ধান্ত নেন গঙ্গা। রাজস্থান হাইকোর্টে মামলা রুজু করেন তিনি। সেই মামলাতে জয়ের মুখ দেখেন গঙ্গা। ছত্তিশগড় পুলিশের এবারের সিদ্ধান্ত সেদিক থেকে যুগান্তকারী। এতে তৃতীয় লিঙ্গের যুব সমাজ যে নতুন উদ্যোম পাবে সেকথা নিশ্চিত।
    Published by:Sanjukta Sarkar
    First published: