Cheetah: ৭১ বছর পর দেশের জঙ্গলে ফের দেখা যাবে চিতা!

বহুদিন ধরেই ভারতের জঙ্গলে চিতা আনার প্রস্তুতি চলছে।

বহুদিন ধরেই ভারতের জঙ্গলে চিতা আনার প্রস্তুতি চলছে।

  • Share this:
    #ভোপাল: বিশ্বের সব থেকে দ্রুতগামী পশু চিতা আবার দেখা যাবে ভারতের জঙ্গলে। তাও ৭১ বছর পর। বহুদিন ধরেই ভারতের জঙ্গলে চিতা আনার প্রস্তুতি চলছে। যতদূর জানা যাচ্ছে, চলতি বছরের নভেম্বর মাস নাগাদ ভারতের জঙ্গলে চিতার দৌড় দেখা যেতে পারে। মধ্যপ্রদেশের বনমন্ত্রী বিজয় শাহ জানিয়েছেন, আফ্রিকা থেকে একটি চিতা আনার সবরকম প্রস্তুতি সারা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট ও কেন্দ্রের তরফেও অনুমতি মিলেছে। এখন শুধুই সময়ের অপেক্ষা। মধ্যপ্রদেশের কুনো জাতীয় উদ্যানে ছাড়়া হবে সেই চিতাটিকে। কিছুদিন জঙ্গলে সেই চিতাটির উপর নজর রাখবে বন দফতর। আফ্রিকান চিতা যদি ভারতের জঙ্গলে মানিয়ে নিতে পারে তা হলে সেটির জুড়িদার আনার প্রস্তুতি নেওয়া হবে। তবে পরিবেশ ও পরিস্থিতি আলাদা হওয়ায় ভারতের জঙ্গলে চিতা কতটা মানিয়ে নিতে পারবে তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। তবে বন দফতর চিতাটিকে এখানকার পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার জন্য সবরকম ব্যবস্থা করবে। দেশ স্বাধীন হওয়ার আগে চিতা দেখা যেত ভারতের জঙ্গলে। কিন্তু জঙ্গলের পরিসর কমে আসায় ও চোরাশিকারীদের উত্পাতে ভারতের চিতার সংখ্যা ক্রমে কমতে থাকে। ১৯৪৭ সালে ছত্তিশগঢ়ে দেশের শেষ চিতাটিও মারা যায়। তার পর থেকে এত বছর দেশের কোনও জঙ্গলে চিতা দেখা যায়নি। ১৯৫২ সালে সরকারের তরফে ঘোষণা করা হয়, ভারতে চিতা বিলুপ্ত হয়েছে। তার পর থেকে ভারতে চিতার অস্তিত্ব রয়ে গিয়েছে স্রেফ বইয়ের পাতায়। ওয়াইল্ড লাইফ ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া গত কয়েক বছর ধরেই ভারতের জঙ্গলে চিতা আমদানির চেষ্টা চালাচ্ছে। আর সেই জন্য একের পর এক প্রোজেক্ট তৈরি করেছে তারা। মধ্যপ্রদেশ ও কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমতির পর সেই প্রোজেক্ট সুপ্রিম কোর্টে তোলা হয়। শীর্ষ আদালতও এবার মঞ্জুরি দিয়েছে। ফলে আর কোনও বাধা রইল না। আপাতত আফ্রিকা থেকে একটি চিতা ভারতের জঙ্গলে আনার ব্যাপারে আর কোনও বাধা নেই। সংস্কৃত শব্দ চিত্রকায় থেকে চিতা শব্দের উত্পত্তি। চিত্রকায় শব্দের অর্থ বহু রঙ। পরে চিত্রকায় শব্দের অপভ্রংশ হয়ে চিতা হয়। স্থলে সব থেকে দ্রুতগতির পশু চিতা। ঘণ্টায় ১২০ কিমি বেগে ছুটতে পারে চিতা। মাত্র তিন সেকেন্ডে ১০৩ কিমি প্রতি ঘণ্টা গতি তুলতে পারে চিতা। যা কি না অধিকাংশ সুপারকারের থেকেও বেশি।
    Published by:Suman Majumder
    First published: