• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • রাহুলের 'লাঠিপেটা' মন্তব্যের নিন্দায় হর্ষ বর্ধন, সংসদে হাতাহাতির উপক্রম

রাহুলের 'লাঠিপেটা' মন্তব্যের নিন্দায় হর্ষ বর্ধন, সংসদে হাতাহাতির উপক্রম

লোকসভায় অশান্তি

লোকসভায় অশান্তি

কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধি মেডিক্যাল কলেজ নিয়ে প্রশ্নোত্তর পর্বে হর্ষ বর্ধনকে একটি প্রশ্ন করেন। কিন্তু কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানান, প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আগে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সম্পর্কে সাম্প্রতিক মন্তব্যের ব্যাপারে কিছু বলতে চান।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রীকে 'লাঠিপেটা' নিয়ে রাহুল গান্ধির মন্তব্যে শুক্রবার উত্তাল হল সাংসদ৷ পরিস্থিতি এমন হল যে, কংগ্রেসের সঙ্গে বিজেপি সাংসদদের হাতাহাতির পর্যায়ে যেতে থাকে৷ প্রবলঅশান্তির মধ্যে অধিবেষশন মুলতুবি ঘোষণা করেন স্পিকার ওম বিড়লা৷

    যাবতীয় বিতর্কের সূত্রপাত কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধনের একটি মন্তব্যে৷ হর্ষ বর্ধন এ দিন লোকসভায় রাহুল গান্ধির 'লাঠিপেটা' কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধি মেডিক্যাল কলেজ নিয়ে প্রশ্নোত্তর পর্বে হর্ষ বর্ধনকে একটি প্রশ্ন করেন। কিন্তু কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানান, প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আগে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সম্পর্কে সাম্প্রতিক মন্তব্যের ব্যাপারে কিছু বলতে চান। এরপরেই রাহুলের মন্তব্যের তীব্র নিন্দা করে তিনি বলেন, 'প্রধানমন্ত্রীকে লাঠিপেটা করার মন্তব্যের দ্বিধাহীন ভাষায় নিন্দা করছি৷ এই মন্তব্য অস্বাভাবিক৷'

    স্পিকার কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে নির্দিষ্ট প্রশ্নের নির্দিষ্ট উত্তরই দিতে বলেন৷ এরপরেই কংগ্রেস সাংসদরা ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন৷ তামিলনাড়ুর কংগ্রেস সাংসদ মানিকা ঠাকুর প্রায় ট্রেজারি বেঞ্চের কাছে চলে যান৷ দ্বিতীয় সারিতে থাকা হর্ষ বর্ধনের দিকে ছুটে যাওয়ার চেষ্টা করেন। হাত ধরে তাঁকে টেনে আটকানোর চেষ্টা করেন উত্তরপ্রদেশের বিজেপি সাংসদ ব্রিজভূষণ শরণ সিং। তারপর স্মৃতি ইরানি সহ কয়েকজন মন্ত্রীও উত্তেজনা থামাতে উদ্যোগী হন। স্পিকার কিছুক্ষণের জন্য অধিবেশন মুলতুবি ঘোষণা করেন।

    পরে কংগ্রেস নেতারা স্পিকারের সঙ্গে দেখা করেন৷ হর্ষ বর্ধনও দেখা করেন স্পিকারের সঙ্গে৷

    'দেশে চাকরি নেই৷ ৬ মাস পর প্রধানমন্ত্রী অফিস থেকে বেরতে পারবেন না৷ যুবকরা ওঁকে লাঠিপেটা করবে৷ বুঝিয়ে দেবে, দেশের অগ্রগতির জন্য যুবকদের কর্মসংস্থান জরুরি৷' দিল্লি নির্বাচনে প্রচারে জনসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে এ ভাবেই কটাক্ষ করেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধি৷

    নির্বাচনী সভায় রাহুল বলেন, 'বেকারত্ব রেট ভারতে ৪৫ বছরে সবচেয়ে বেশি৷ যুবকদের কর্মসংস্থান নিয়ে বাজেটে না নরেন্দ্র মোদি না নির্মলা সীতারামন, কেউই কোনও কথা বলেননি৷ এই দেশের প্রতিটি যুবক চাকরি চাইছে৷ এটাই বাস্তব৷'

    বৃহস্পতিবার লোকসভায় জবাবি ভাষণে রাহুলকে সেই 'লাঠিপেটা' মন্তব্যের জবাব দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷ বললেন, 'শারীরিক কসরতের সময় পেয়েছি৷ ৬ মাস পর লাঠি সহ্য করতে পারব৷ আমি আগামী ৬ মাস সূর্য নমস্কার করব৷ নিজেকে আরও শক্তিশালী করব লাঠি সহ্য করার জন্য৷'

    Published by:Arindam Gupta
    First published: