বদলে ফেলুন খাবার তৈরির প্রক্রিয়া, জমি বাঁচান, রোজ বদলাচ্ছে বিশ্ব পরিবেশ, সতর্ক হন

বদলে ফেলুন খাবার তৈরির প্রক্রিয়া, জমি বাঁচান, রোজ বদলাচ্ছে বিশ্ব পরিবেশ, সতর্ক হন
photo source collected

বন্যা এবং তাপ প্রভাহ বাড়বে আগামী দিনে যদি না আমারা সতর্ক হই।

  • Share this:

#নয়া দিল্লি: দিন দিন দূষিত হচ্ছে আমাদের পরিবেশ। পৃথিবীর প্রায় এক চতুর্থাংশ জমি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে মানুষের জন্য। অজান্তে হোক জেনে বুঝে হোক মানুষ নিজের বিপদ নিজেই ডেকে আনছেন। বার বার সতর্ক করা সত্ত্বেও কোনও লাভ হচ্ছে না। জাতিসংঘের বিঞ্জানীরা বৃহস্পতিবার একটি বড় প্রতিবেদনে মানুষকে হুঁশিয়ারি বার্তা জানিয়েছে। তাঁরা বলেছেন, অবিলম্বে মানুষকে সচেতন হতে হবে এবং গ্লোবাল ওর্য়ামিং আটকাতে সকলকে প্রাকৃতিক অবক্ষয় বন্ধ করতে হবে। নয়তো গোটা পৃথিবীতে নেমে আসবে চরম বিপর্যয়।

জলবায়ু নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য আমাদের জীবাশ্ম জ্বালানির মাত্রা কমাতে হবে নয়তো ২০১৩ এর মধ্যেই নেমে আসবে বিপর্যয়। গাছ লাগাতে হবে আরও বেশি করে। বন্ধ করতে হবে গাছ কাটা। এই কথা জানিয়েছে আইপিসিসি (IPCC) রিপোর্টে। আরও একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে, আমরা মানবরা সবচেয়ে বেশি বরফমুক্ত জমিকে প্রভাবিত করি। ৭০ শতাংশ জমিকে আমরা নষ্ট করছি। আইপিসিসির সহ-সভাপতি ভ্যালারি ম্যাসন-ডেলমোট বলেছেন, আমরা কীভাবে খাদ্য উৎপাদন করি এবং আমরা কী খাই তা প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্রের হ্রাস এবং জীববৈচিত্র্যের ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে।

বন্যা এবং তাপ প্রভাহ বাড়বে আগামী দিনে যদি না আমারা সতর্ক হই। প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্রকে ধ্বংস এবং খাদ্য ঘাটতির পথে আমরা নিজেরাই নিজেদের এগিয়ে দিচ্ছি। বনাঞ্চল এবং চাষবাস বাড়লে বায়ুমণ্ডল থেকে কার্বন-ডাই-অক্সাইড মাত্রা কমে। এবং বিপুল পরিমাণে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গত করে। যা আমাদের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয়। তাই যত বেশি করে আমরা গাছ লাগাবো বা কৃষিকাজ বৃদ্ধি করবো তত আমাদের ভবিষ্যতের পথ উজ্জল হবে।

জমি যখন অবনমিত হয়, তখন এটি কার্বন গ্রহণের জন্য মাটির ক্ষমতা হ্রাস করে এবং এটি জলবায়ু পরিবর্তনকে আরও বাড়িয়ে তোলে। পরিবর্তে, জলবায়ু পরিবর্তন বিভিন্নভাবে ভূমি অবক্ষয়কে আরও বাড়িয়ে তোলে। মেসন-ডেলমোট বলেছেন, বর্তমানে ৫০০ মিলিয়ন মানুষ এমন অঞ্চলগুলিতে বাস করে যা মরুভূমির হয়ে উঠতে পারে। বিজ্ঞানীরা বলেছেন যে জলবায়ু সংকট রোধ করার জন্য আমাদের জমিটি পরিচালনা করার পদ্ধতি, খাদ্য উৎপাদন সঠিকভাবে করতে হবে। বদলাতে হবে কৃষিকাজের পদ্ধতিও। রাসায়নিক সার বর্জন করতে হবে। গবাদি পশুর চাষ বাড়তে হবে। তবে এখনও সময় আছে যদি আমরা আর একটু সচেতন হই। এবং উৎপাদনশীলতা বাড়াতে হবে। প্ল্যাস্টিক বর্জন করতে হবে। সমুদ্রের জল নোংড়া করা বন্ধ করতে হবে। তাহলে এই গ্লোবাল ওর্য়ামিং কিছুটা হলেও আটকানো সম্ভব হবে।

First published: August 8, 2019, 10:40 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर