corona virus btn
corona virus btn
Loading

'হাতিকে বিস্ফোরক খাওয়ানো ভারতীয় সংস্কৃতি নয়', অপরাধীদের খোঁজে কেন্দ্রীয় তদন্ত

'হাতিকে বিস্ফোরক খাওয়ানো ভারতীয় সংস্কৃতি নয়', অপরাধীদের খোঁজে কেন্দ্রীয় তদন্ত
মৃত্যুর আগে কেরলের হাতিটি।

বনকর্মীদের অনুমান, প্রায় ২৫ দিন যন্ত্রণা সহ্য করেছে। তবে লোকালয়ের কোনও ক্ষতি করেনি সে। বনেই ফিরে গিয়েছিল।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: দিনের পর দিন কষ্ট পেয়েছে হাতিটি। বিস্ফোরণে মুখের গহ্বরে ফাটল ধরেছে। ক্ষুধার্ত অবস্থায় ছটফট করলেও খেতে পারেনি। ক্রমেই নিজেকে মৃত্যুর কোলে সঁপে দিয়েছে। কেরলের মল্লপুরমে বাজি ভরা আনারস খেয়ে প্রাণ হারানো হাতিটির জন্য ক্ষোভে ফুঁসছে গোটা দেশ। বিষয়টিতে এবার নড়েচড়ে বসল কেন্দ্রও।

বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর জানিয়ে দিলেন, ঘটনাটির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করবে কেন্দ্র। ট্যুইটারে তিনি লিখেছেন, "কেন্দ্রীয় সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে ঘটনাটির দিকে নজর রাখছে। আমরা দুস্কৃতীকে ধরতে যা করতে হয় তাইই করব।" ঘটনার তীব্র নিন্দা করে তিনি বলেন, হাতিকে বাজি খাইয়ে দেওয়া ভারতীয় সংস্কৃতির অংশ নয়।

অনেকেই বলছেন বনশুয়োরের উপদ্রব থেকে বাঁচতে এই প্রথা নেন মল্লপুরমের চাষীরা। প্রতিযুক্তি যাই হোক না কেন, এই বর্বর প্রথাটির নিন্দায় মুখর সকলে। কেরল সরকারও ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছে। উদ্যোগপতি রতন টাটাও বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন।

ঘটনার সূত্রপাত দিন কয়েক আগে। এক বনদফতরের কর্মী এই হাতিটির ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরেন। তিনিই জানান,খাদ্যের খোঁজে হাতিটি লোকালয়ে ঢুকে পড়েছিল। তখন বাজি মাখানো আনারস খেয়ে ফেলে সে। মুখের ভিতরই ঘটে একের পর এক বিস্ফোরণ, তার চোয়াল ক্ষতবিক্ষত হয়ে যায়। বনকর্মীদের অনুমান, প্রায় ২৫ দিন যন্ত্রণা সহ্য করেছে হাতিটি। তবে লোকালয়ের কোনও ক্ষতি করেনি সে। বনেই ফিরে গিয়েছিল। যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে সে জলাশয়ে নেমে যায়। সেখানেই ২৭ মে তার মৃত্যু হয়।

Published by: Arka Deb
First published: June 4, 2020, 1:37 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर