• হোম
  • »
  • খবর
  • »
  • দেশ
  • »
  • CENTRAL GOVT WONT TAKE FOOD FROM PLATE ACADEMICIANS FROM DU JNU OTHER UNIVARSITIES BACK FARM LAWS DD

‘সরকার কৃষকদের থালা থেকে খাবার ছিনিয়ে নেবে না’ -কৃষি বিলের সমর্থনে ৮০০-র বেশি শিক্ষাবিদ

‘সরকার কৃষকদের থালা থেকে খাবার ছিনিয়ে নেবে না’ -কৃষি বিলের সমর্থনে ৮০০-র বেশি শিক্ষাবিদ

Photo-PTI

বিক্ষোভকারী কৃষকরা নিজেদের স্বার্থ -সুরক্ষা ক্ষুন্ন হওয়ার আশঙ্কা করছেন৷

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: সারা দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের  ৮০০ -র বেশি শিক্ষাবিদ তিনটি নতুন কৃষি আইনের সমর্থণে দাঁড়ালেন৷ কেন্দ্রীয় সরকার ও বিক্ষোভরত কৃষকদের মধ্যে যা নিয়ে লড়াই চলছে৷

    শুক্রবার একটি লিখিত বিবৃতিতে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়, জওহরলাল বিশ্ববিদ্যালয়, এলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় এবং বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবিদরা কৃষক বিলের সমর্থণে  নিজেদের মত দিয়েছেন৷ নিজেদের বিবৃতিতে তাঁরা লিখেছেন, ‘প্রস্তাবিত কৃষি আইন পরিবর্তনের বিষয়টি ভীষণভাবে সমর্থণ করি৷ ’

    সেপ্টেম্বর মাসে  কেন্দ্রীয় সরকার তিনটি কৃষি আইন পাস করেছে৷ এগুলি হল Farmers’ Produce Trade and Commerce (Promotion and Facilitation) Act, Farmers (Empowerment and Protection) Agreement on Price Assurance and Farm Services Act, and the Essential Commodities (Amendment) Act.

    বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘ নতুন তিনটি কৃষি আইনে কৃষিপণ্যের ব্যবসা সমস্ত রকমের বাধাবন্ধ থেকে মুক্ত করা হয়েছে যাতে তারা প্রতিযোগিতামূলক ভাবে নিজেদের পণ্য মার্কেটে  বিক্রি করতে পারে৷ কেন্দ্রীয় সরকার বারবার কৃষকদের আশ্বস্ত করেছে যে এই তিনটি বিল দিয়ে কৃষকরা শুধুমাত্র মিনিমাম সাপোর্ট প্রাইস অর্থাৎ (MSP)পণ্য বিক্রি করতে বাধ্য থাকবেন না৷ বাজারের অযৌক্তিক আটকে রাখার নীতি থেকে মুক্ত হবে কৃষি পণ্য বিপণন৷ শুধুমাত্র মাণ্ডিতেই আটকে থাকবে না বিপণন৷ বরং ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের নিজেদের পণ্য খোলা মার্কেটে প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে নিজেদের পণ্য বিক্রি করতে পারবে৷ এই নতুন নিয়মে কৃষকদের পূর্ণ স্বাধীনতা থাকবে তাঁরা যা তৈরি করছে তা বিক্রি করার৷ ’

    ৮৬৬ জন শিক্ষাবিদের স্বাক্ষর সম্বলিত এই বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘ আমরা সরকারের আশ্বাসে বিশ্বাস করি -যেখানে তাঁরা বারবার বলছেন তাঁরা কৃষকদের জীবন -জীবিকা সুরক্ষিত রাখবেন৷ তাঁদের প্লেট থেকে কোনও খাবার ছিনিয়ে নেওয়া হবে না৷ সরকার এখনও নিজেদের নূন্যতম সরকার ও সর্বাধিক প্রশাসনের সহয়তা প্রদানের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ৷ ’

    এই তালিকায় রয়েছেন প্রফেসর বিনোদ কুমার জৈন, ভাইস চ্যান্সেলর তেজপুর বিশ্ববিদ্যালয়, প্রফেসর এইচ সি এস রাঠোর , ভিসি , সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অফ সাউথ বিহার, অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ডক্টর একে ভাগি এবং প্রফেসর নিরঞ্জন কুমার, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়, প্রফেসর তেজ প্রতাপ সিং বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়, প্রফেসর হিরামন তিওয়ারি , জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়৷

    এই শিক্ষাবিদরা জানিয়েছেন তাঁদের সরকার ও কৃষক দু পক্ষের ওপরেই পূর্ণ সহমর্মিতা আছে৷ তাঁরা বিবৃতিতে আরও জানিয়েছেন, ‘আমরা সরকার ও কৃষক উভয়ের প্রতিই সহমর্মী৷ তাঁদের গভীর প্রচেষ্টার প্রতি শ্রদ্ধাশীল৷ সর্বোপরি কৃষকদের থেকে দেশকে আলাদা করা কখনও আমাদের কাঙ্খিত নয়৷ ’

    প্রায় গত এক মাস ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান করছেন বিক্ষোভরত কৃষকরা৷ বিক্ষোভকারী কৃষকরা নিজেদের স্বার্থ -সুরক্ষা ক্ষুন্ন হওয়ার আশঙ্কা করছেন৷ বিভিন্ন কৃষক সংগছন বারবার আবেদেন করছেন তিনটি কৃষি আইন ফিরিয়ে নেওয়া এবং এমএসপি বা নূন্যতম সহায়ক মূল্যের গ্যারান্টি৷ ’

    Published by:Debalina Datta
    First published: