• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • ২৮ বছর পর ন্যায়বিচার! সিস্টার অভয়ার খুনের মামলায় দোষী সাব্যস্ত হল অভিযুক্তরা

২৮ বছর পর ন্যায়বিচার! সিস্টার অভয়ার খুনের মামলায় দোষী সাব্যস্ত হল অভিযুক্তরা

ঘটনার মূল অভিযুক্ত ছিল তিনজন। সিস্টার সেফি, ফাদার পুথরিকাইল এবং ফাদার থমাস কোট্টুর। অভিযুক্তদের আপত্তিজনক অবস্থায় দেখে ফেলেছিলেন সিস্টার অভয়া। তাই শাস্তি মিলল মৃত্যু।

ঘটনার মূল অভিযুক্ত ছিল তিনজন। সিস্টার সেফি, ফাদার পুথরিকাইল এবং ফাদার থমাস কোট্টুর। অভিযুক্তদের আপত্তিজনক অবস্থায় দেখে ফেলেছিলেন সিস্টার অভয়া। তাই শাস্তি মিলল মৃত্যু।

ঘটনার মূল অভিযুক্ত ছিল তিনজন। সিস্টার সেফি, ফাদার পুথরিকাইল এবং ফাদার থমাস কোট্টুর। অভিযুক্তদের আপত্তিজনক অবস্থায় দেখে ফেলেছিলেন সিস্টার অভয়া। তাই শাস্তি মিলল মৃত্যু।

  • Share this:

    #তিরুবনন্তপুরম: বিচারের অপেক্ষা করতে করতে কেটে গিয়েছে প্রায় তিন দশক । নয়, নয় করে সেই সময়টা ২৮ বছর! হ্যাঁ, ঠিকই। সিস্টার অভয়া ন্যায়বিচার পেলেন ২৮ বছর পর। সময়টা ছিল ১৯৯২ সাল। সে বছর মার্চ মাসে, হঠাৎ একদিন খুঁজে পাওয়া যায় ২১ বছরের সিস্টার অভয়া’র মৃতদেহ। কোট্টায়ামের একটি কনভেন্টের কুয়োর জলে পাওয়া গিয়েছিল মৃত সিস্টারকে। ঘটনার ২৮ বছর পর, তিরুবনন্তপুরমের সিবিআই কোর্ট এই মৃত্যুর ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত করল দু’জনকে। একজন ফাদার থমাস কোট্টুর এবং অন্যজন সিস্টার সেফি। বুধবার দুই আসামীর শাস্তির শুনানি হবে।

    ঘটনার মূল অভিযুক্ত ছিল তিনজন। সিস্টার সেফি, ফাদার পুথরিকাইল এবং ফাদার থমাস কোট্টুর। অভিযুক্তদের আপত্তিজনক অবস্থায় দেখে ফেলেছিলেন সিস্টার অভয়া। তাই শাস্তি মিলল মৃত্যু। মৃত নান অভয়ার মাথায় ভোঁতা কোনও অস্ত্র দিয়ে আঘাতের চিহ্ন মিলেছিল। তবে শুধু খুন করেই ক্ষান্ত দেয়নি ঘাতকেরা। প্রমাণ লোপাটের চেষ্টায়, এবং এই ঘটনাকে আত্মহত্যা বলে চালানোর জন্যই, কুয়োর ভিতর ফেলে দেওয়া হয় মৃতদেহ।

    প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ এবং ক্রাইম ব্রাঞ্চ এই ঘটনাকে আত্মহত্যা বলে অনুমান করেছিল। কিন্তু প্রতিবাদ এবং মানবাধিকার কমিশনের আর্জির সামনে ঝুঁকতে হয় প্রশাসনকে। শেষ পর্যন্ত, ১৯৯৩ সালে তদন্তের ভার দেওয়া হয় সিবিআই-এর হাতে। সিবিআই-এর তরফে, অভিযুক্ত সিস্টার এবং ফাদারের নার্কো-অ্যানালিসিস টেস্ট করানো হয়। এই নার্কো টেস্টের রিপোর্টের ভিত্তিতেই সিবিআই একটি চার্জশিট পেশ করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে। তবে এই চার্জশিটও জমা হয়ে গিয়েছিল ২০০৯ সালেই।

    দু’বছর আগে, ২০১৮ সালের মার্চ মাসে মূল অভিযুক্তদের মধ্যে একজন, ফাদার পুথরিকাইল-কে খালাস করে দেয় সিবিআই কোর্ট। শুধু তাই নয়, পর পর তিন বার সিবিআই-এর রিপোর্ট খারিজ করে দেওয়া হয় কোর্ট থেকে। আদালতের তরফে সিবিআই কে বলা হয়, আরও তদন্ত করতে। কারণ মামলা ছিল বেশ জটিল। শেষ পর্যন্ত এত বছর পর যে অভিযুক্তদের শাস্তির ঘোষণা করা হল, এতে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন মানবাধিকার কর্মী জমন পুথেনপুরাকাল। এই মামলায় ন্যায়ের জন্য তিনিই লড়ছিলেন এই দীর্ঘ সময় ধরে।

    Published by:Antara Dey
    First published: