• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • চিনের দমকল দফতর পাহারা দিচ্ছে খুদে বিড়াল, কাণ্ড দেখে প্রশংসায় পঞ্চমুখ বিশ্ব

চিনের দমকল দফতর পাহারা দিচ্ছে খুদে বিড়াল, কাণ্ড দেখে প্রশংসায় পঞ্চমুখ বিশ্ব

Representative Iamge

Representative Iamge

লান মাও দক্ষিণ-পশ্চিম চিনের (China) গিঝৌউ প্রদেশের গিয়াং শহরের এক দমকল দফতর পাহারা দেয়

  • Share this:

#চিন: তার নামটি যে রকম অভিনব, শরীরটি কিন্তু আদপেই সে রকম নয়! একরত্তি এই বিড়ালের (Cat) নাম রাখা হয়েছে লান মাও (Lan Mao), যার অর্থ হল নীল রঙের বিড়াল। কিন্তু এর সারা শরীর সাদা, আর পাঁচটা বিড়ালের মতোই! অসাধারণত্ব যা কিছু, তা রয়েছে স্রেফ এর স্বভাবে। যত খারাপ আবহাওয়াই হোক না কেন, চিনের দমকল দফতরের প্রতিরক্ষায় সদা তৎপর লান মাও। চৈনিক এক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, লান মাও দক্ষিণ-পশ্চিম চিনের (China) গিঝৌউ প্রদেশের গিয়াং শহরের এক দমকল দফতর পাহারা দেয়। দমকলকর্মীদের সবার সঙ্গেই তার বেশ ভাল সখ্য তৈরি হয়ে গিয়েছে। ফলে, দমকল দফতর পাহারা দেওয়ার কাজে যে দিন যিনিই বহাল থাকুন না কেন, তার সঙ্গে সঙ্গে পায়চারি করে বেড়ায় লান মাও।

খবর বলছে, এই রাস্তার বিড়ালটিকে আচমকাই একদিন আবিষ্কার করেন ওই দমকল দফতরের কর্মীরা। প্রথম যখন তাকে কুড়িয়ে পাওয়া গিয়েছিল, তখন সে ছিল নেহাতই অপুষ্টিতে ভোগা এক জীর্ণ এবং ভিতু বিড়ালছানা! তবে দমকলকর্মীদের সাহচর্যে এবং পরিচর্যায় ধীরে ধীরে তার অপুষ্ট ভাব কেটে গিয়েছে। তার চেহারায় লেগেছে গত্তি, ত্বকে এসেছে জেল্লা। প্রতি দিনের নিয়মমাফিক যত্নে এখন লান মাও-র চেহারা নজরকাড়া! চিনের ওই সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, লান মাওয়ের প্রভুভক্তির পরাকাষ্ঠা যেন একটু বেশিই! কেন না, ওই দমকল দফতরের বিশেষ কারও প্রতি সে যে অধিকমাত্রায় অনুরক্ত, এমনটা কিন্তু নয়। সব দমকলকর্মীই যেমন পালা করে তাকে খেতে দেন এবং দেখভাল করে থাকেন, তেমনই সেও সব কর্মীর সঙ্গেই কী দিন হোক কী রাত দফতর পাহারা দেওয়ার কাজ করে চলে! তবে যে দিন আবহাওয়া খারাপ থাকে, তুমুল ঝড়-বৃষ্টি হয়, সে দিন তার প্রধান ফটকের সামনে পায়চারি করাটা একটু হলেও অসুবিধার হয়ে পড়ে বই কী! খবর মোতাবেকে, এ সব ক্ষেত্রে লান মাও যিনি ফটক পাহারা দিচ্ছেন, তাঁর পায়ের কাছে গিয়ে গুটিসুটি মেরে বসে থাকে- কিন্তু কাজে ফাঁকি দিয়ে অন্যত্র চলে যায় না। তার শোওয়ার জন্য একটা আলাদা বিছানা থাকলেও কাজের সময়ে সে সেদিকে ভুলেও যায় না! এই খবর প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই সারা বিশ্ব অকুণ্ঠে প্রশংসা করছে লান মাওয়ের।

Published by:Rukmini Mazumder
First published: