ব্যবসায়ীর ছেলের জন্য থাইল্যান্ড থেকে এল কলগার্ল! বড় ফ্যাসাদে ফেলল Corona

ব্যবসায়ীর ছেলে ওই কলগার্লকে সাত লাখ টাকায় এখানে এনেছিলেন।

ব্যবসায়ীর ছেলে ওই কলগার্লকে সাত লাখ টাকায় এখানে এনেছিলেন।

  • Share this:

    #লখনৌ:

    থাইল্যান্ড থেকে কলগার্ল নিয়ে এসেছিলেন তিনি। কিন্তু বুঝতে পারেননি, এভাবে বড়সড় ফ্যাসাদে পড়ে যাবেন! করোনা পরিস্থিতির মাঝেই থাইল্যান্ড থেকে সেই কলগার্লকে দেশে এনেছিলেন তিনি। এর পর ভারতে এসেই সেই কলগার্লের শরীরে করোনার লক্ষণ দেখা দেয়। শেষ পর্যন্ত কলগার্ল অসুস্থ হয়ে পড়লে ঠাঁই হয় হাসপাতালে। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হল যে সেই কলগার্লকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। লখনৌ-এর এক স্থানীয় হাসপাতালে দিনকয়েক করোনার সঙ্গে লড়াই করার পর মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে সেই কলগার্ল। এরপরই তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, লখনৌয়ের এক ব্যবসায়ীর ছেলে ওই কলগার্লকে সাত লাখ টাকায় এখানে এনেছিলেন।

    সেই কলগার্ল আগে থেকেই করোনা আক্রান্ত ছিল। ভারতে আসার পর দু'দিনের মধ্যেই ওই কলগার্ল অসুস্থ হয়ে পড়ে। তার পর থেকেই তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। শেষমেশ হাসপাতালে মারা যায় ওই কলগার্ল।

    পুলিশের তরফে প্রথমে থাইল্যান্ড এম্বাসির সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু শেষমেশ ওই কলগার্লের কোনও আত্মীয় স্বজনের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। পুলিশ চেয়েছিল, থাইল্যান্ডে পরিবারের লোকজনের হাতে ওই কলগার্লের দেহ তুলে দিতে। কিন্তু তা আর হয়নি। শেষ পর্যন্ত যে এজেন্টের মাধ্যমে ভারতে এসেছিল তার উপস্থিতিতেই মৃতদেহ সৎকার করা হয়। ওই কলগার্ল- এর মৃত্যুর পরই পুলিশ লখনৌ ও সংলগ্ন এলাকায় ইন্টারন্যাশনাল সেক্স রাকেট- এর ব্যাপারে খোঁজখবর শুরু করেছে।

    গত কয়েকদিনে ওই কলগার্লের সংস্পর্শে আর কারা এসেছিল সেই ব্যাপারেও খোঁজখবর নিতে শুরু করেছে পুলিশ। এদিকে তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, রাজস্থানের কোনো এক ট্রাভেল এজেন্টের মাধ্যমে ওই কলগার্ল- এর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল সেই ব্যবসায়ীর ছেলে। এরপরই সেই কলগার্লকে লখনৌতে পাঠানো হয়। পুলিশ এখন সেই এজেন্টের খোঁজ করছে। সেই কলগার্ল ভারতে আসার পর অসুস্থ হয়ে পড়ায় ওই ব্যবসায়ীর ছেলে নিজেই থাইল্যান্ড এম্বাসিতে ফোন করে খবর দিয়েছিল। এরপরই থাইল্যান্ড এম্বাসি ভারতীয় বিদেশমন্ত্রক-এর সাহায্যে ওই কল গার্লকে হাসপাতালে ভর্তি করার ব্যবস্থা করে।

    Published by:Suman Majumder
    First published: