Home /News /national /
Calcutta High Court: 'বিধায়কের সুপারিশে চাকরি পেয়েছিলেন?', বরখাস্ত হওয়া শিক্ষককে তীব্র ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

Calcutta High Court: 'বিধায়কের সুপারিশে চাকরি পেয়েছিলেন?', বরখাস্ত হওয়া শিক্ষককে তীব্র ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

কলকাতা হাইকোর্ট৷

কলকাতা হাইকোর্ট৷

১৯৯৮ সালের মে মাসে নদিয়ার গয়েশপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে বাংলার পার্ট টাইম শিক্ষক হিসেবে চাকরিতে যোগ দেন৷

  • Share this:

#কলকাতা: দীর্ঘ ৯ বছর স্কুলের পার্ট টাইম শিক্ষক হিসেবে চাকরি করেছেন৷ কিন্তু এই নিয়োগের স্বপক্ষে নেই কোনও সরকারি নথি৷ এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠল নদিয়ার বাসিন্দা নাসিরুদ্দিন শেখ নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে৷ অভিযুক্তকে তীব্র ভর্ৎসনা করেছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা৷

গত কয়েক মাস ধরেই এসএসসি-র নিয়োগ দুর্নীতির একের পর এক অভিযোগ কলকাতা হাইকোর্টের গোচরে এসেছে৷ এবার বাম আমলেও শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের এই অভিযোগ সামনে এলো৷ ২০০৭ সালেই অবশ্য অভিযুক্ত শিক্ষককে বরখাস্ত করা হয়৷

আরও পড়ুন: কাশ্মীরেও 'কাটমানি',বেড়াতে গিয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতা বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

এ দিন হাইকোর্টে শুনানি চলাকালীন ক্ষুব্ধ বিচারপতি মামলাকারী শিক্ষকের উদ্দেশে প্রশ্ন করেন, 'কার সুপারিশে চাকরি পেয়েছিলেন ? স্থানীয় বিধায়ক ? দুর্ভাগ্যজনক ! আপনাদের মত লোকের জন্য ৯ বছর স্থায়ী পদে শিক্ষক নিয়োগ করা যায়নি । আপনি পদ আটকে রেখেছিলেন। এটা কি মগের মুলুক?'

আরও পড়ুন: আনিস খান মৃত্য রহস্যে সিবিআই? উত্তর মিলবে শীঘ্রই 

১৯৯৮ সালের মে মাসে নদিয়ার গয়েশপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে বাংলার পার্ট টাইম শিক্ষক হিসেবে চাকরিতে যোগ দেন৷ ২০০৭ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত চাকরি করেন তিনি৷ ওই শিক্ষকের অভিযোগ, ২০০৭ সালে কোনও বক্তব্য রাখার সুযোগ না দিয়েই মৌখিক ভাবে তাঁকে বরখাস্ত করা হয়৷ এর পর ২০১২ সালে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন নাসিরুদ্দিন৷

সেই মামলার শুনানিতেই এ দিন রাজ্যের তরফে আদালতকে জানানো হয়, এই শিক্ষক স্থায়ী নন। তাঁকে নিয়োগ করার কোন নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি। পরিচালন কমিটি তাকে নিযুক্ত করেছে।

এর পরেই শিক্ষকের মামলা খারিজ করে আদালত। রাজ্যের আইনজীবী সুপ্রিয় চট্টোপাধ্যায় জানান, 'এই পার্ট-টাইম শিক্ষককে চুক্তির ভিত্তিতে নিযুক্তও বলা যায়না। কারণ, কোনও চুক্তি নিয়োগের কাগজও নেই তাঁর কাছে।'

Published by:Debamoy Ghosh
First published:

Tags: Calcutta High Court, Nadia, School Teacher

পরবর্তী খবর