একটি শক্তিশালী জাতির ভিত্তি নিহিত আছে আপনার ভোটদানের উপর

Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:May 17, 2019 09:31 PM IST
একটি শক্তিশালী জাতির ভিত্তি নিহিত আছে আপনার ভোটদানের উপর
file photo
Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:May 17, 2019 09:31 PM IST

ভারতবর্ষে এখন সাধারণ নির্বাচন 2019 চলছে। এই নির্বাচনের ষষ্ঠ পর্যায় গত 12ই মে 2019 তারিখে সমাপ্ত হয়েছে।

আমরা যারা ভারতীয় নাগরিক এবং ভোটার তারা এই নির্বাচনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকি। প্রতিটি নাগরিকের একেকটি ভোট এই জাতির ভবিষ্যত রচনা করে। ভারতবর্যের ভবিষ্যত শাসক দল ও সরকারের কাঁধে থাকে না বরং এটা থাকে ভোটারদের কাঁধে। গণতন্ত্র হলো জনগণের জন্য ও জনগণের দ্বারা পরিচালিত সরকার। আর এটাই নির্বাচনের সময়ে সর্বোত্তমভাবে প্রচারিত হয়।

প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক ভারতীয় নাগরিকের এটি অধিকার ও দায়িত্ব হলো ভোটদান করা এবং এমন একটি সরকারকে ক্ষমতায় নিয়ে আসা যারা দেশের উন্নতি ও নাগরিকবৃন্দের উন্নততর জীবনের জন্য কাজ করবে।

News 18 India-এর পক্ষ থেকে আমিশ দেবগন প্রতিটি একক ভোটের মূল্য বিষয়ে আলোচনা করেন। সোনাল মানসিং, সুনীল অরোরা, দিলীপ চেরিয়ান, অদ্বৈত কালরা এবং শিবানী ভাজির পাসরিচার মতো সমাজের গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে নিয়ে গঠিত প্যানেলের মাধ্যমে তিনি জনগনের প্রতি আবেদন জানান যে জাতিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে প্রতিটি মানুষের তাদের নিজ নিজ ভোটের গুরুত্ব উপলব্ধি করতে হবে।

আপনার একটিমাত্র ভোটের গুরুত্ব – একটি বিশ্লেষন

Loading...

প্রতিটি ভারতীয় নাগরিকের একেকটি ভোট জাতির ভবিষ্যতকে সুরক্ষিত করে। প্রতিটি ভোটারের এটি আবশ্যিক প্রয়োজন ও বাধ্যতামূলক যেন সকলে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে।

• প্রতিটি ভোট শিশুদের শিক্ষাদানের বিষয়টিকে সহযোগিতা করে। যেসকল শিশু এখনও মূলধারার শিক্ষার আঙ্গিনায় আসতে পারেনি তাদের ক্ষেত্রে আরো 4 শতাংশ বেশী শিশু যাতে প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করতে পারে তা সুরক্ষিত করা।

• 5 কোটিরও বেশী মানুষ যারা এখনও দরিদ্র সীমার নীচে বসবাস করছে তাদের জীবন এথেকে উপকৃত হবে।

• আপনার দেওয়া একটি ভোট রোগী ও অসুস্থ মানুষদের আরো উন্নততর চিকিৎসা পরিচর্যা প্রাপ্তির ক্ষেত্রের পথ রচনা করবে।

• জল, বিদুৎ এবং রাস্তাঘাট, বাড়িঘর ইত্যাদির মতো অন্যান্য পরিকাঠামোগুলিকে আরো উন্নততর করে তুলবে।

• আপনার একটি মাত্র ভোটই গেমচেঞ্জার হয়ে উঠতে পারে এবং নির্বাচনকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে পারে।

ভারতবর্ষের মতো গণতান্ত্রিত দেশে প্রত্যেকটি ভোটার হলেন একেকজন শক্তিশালী সংযোজক।

নতুন ও প্রথমবার ভোট দিতে চলেছেন এমন বোটারদের প্রতি পরামর্শ

নতুন এবং প্রথমবার ভোট দিতে চলা ভোটারগণ তাদের ভোটদানের মাধ্যমে একটি বিশাল ক্ষমতা উপভোগ করতে চলেছেন। তাদের ভোটই হলো তাদের কণ্ঠস্বর এবং তাদেরকে এটা নিশ্চিত করতে হবে যে এটা যেন সকলে শুনতে পায়।

অনেক আগে থেকেই তাদের উদ্দেশ্যে জানানো হয়েছে যে তারা যেন অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে দেখে নেয় যে তাদের নাম সংশ্লিষ্ট ভোটার তালিকায় নথিভুক্ত আছে কিনা এবং এরফলে শেষমূহুর্তের যেকোন গোলমাল তারা এড়িয়ে যেতে পারে।

যেসকল ভোটারগণ তাদের চাকরী অথবা পড়াশুনার সূত্রে তাদের বাড়ির ঠিকানা থেকে অন্যত্র বসবাস করছেন তাদেরকে জেনে নিতে হবে যে কোন পদ্ধতিতে তারা তাদের ঠিকানা শিফট করে নিতে পারবে এবং তাদের বর্তমান বাসস্থানের স্থানে কিভাবে সেই ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে।

এইসকল ভোটারদেরকে এই নির্বাচনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করার জন্য উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে যাতে তারা একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে।

আপনার যদি কোনো রাজনৈতিক নেতা অথবা রাজনৈতিক দল পছন্দ না হয় সেক্ষেত্রে আপনি কি করবেন।

বেশিরভাগ সময়ে একজন ভোটার নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দল ও তার প্রার্থী দ্বারা মোহগ্রস্ত হয়ে পড়েন। সেক্ষেত্রে, সোনাল মানসিং জানান যে সর্বোত্তম উপদেশ হলো সেই প্রার্থীকেই ভোট দান করা যে দল বা প্রার্থী আপনাকে অনুপ্রাণিত করবে এবং আপনি আশা রাখেন যে দল বা প্রার্থী উন্নততর সরকার গঠন করতে পারে। অন্যথায়, আপনি সেই ব্যক্তিকে দেখতে পারেন যিনি সমগ্র জাতির দ্বারা অনুপ্রাণিত এবং সাচ্চা দেশপ্রেমিক। সেই প্রার্থীকেই ভোট দিন।

এই ভোটদান প্রক্রিয়াকে শ্রদ্ধা জানান এবং আপনার ভোটদান প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে আপনার মধ্যে থাকা উৎসাহ সানন্দে প্রকাশ করুন।

ভোটারদের প্রতি বার্তা

আপনার উদাসীনতার মূল্যে গঠিত হবে একটি গতানুগতিক সরকার। অদ্বৈত কালরা জনগনের উদ্দেশ্যে আবেদন জানান যে একটি স্থায়ী, শক্তিশালী ও কার্যকরী সরকার গঠনের জন্য এমনভাবে আপনি আপনার ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন যাতে সেই সরকার তার 5 বছরের মেয়াদকাল সম্পূর্ণ করতে পারে। তিনি জনগনকে সতর্ক করে দেন এই বলে যে মনে রাখবেন যে ভোটদান একটি অত্যন্ত মূল্যবান কাজ এবং এরমাধ্যমে আপনি দেশীয় কোষাগারকে সুরক্ষিত রাখতে পারবেন।

এখনও পর্যন্ত সমাপ্ত হওয়া ছয়টি পর্বের মধ্যে প্রথম ধাপে সর্বোচ্চ ভোটদান হয়েছে বলে নথিবদ্ধ হয়েছে। এই পর্বে ভোটদানের হার 69.50 শতাংশ। দ্বিতীয় পর্যায়ে 69.44 শতাংশ, 68.40 শতাংশ ভোটদান হয়েছে তৃতীয় পর্যায়ে এবং চতুর্থ পর্যায়ে 65.51 শতাংশ ভোটদান হয়েছে। পঞ্চম ও ষষ্ঠ দফায় এই ভোটদানের হার যথাক্রমে 65 শতাংশ ও 63.48 শতাংশ।

বাটন দাবাও, দেশ বানাও হলো Network18-র পক্ষ থেকে নেওয়া একটি উদ্যোগ, যা আরপি-সঞ্জীব গোয়েঙ্কা গ্রুপের পক্ষ থেকে উপস্থাপন করা হয়েছে যাতে দেশের এই সাধারণ নির্বাচনে প্রত্যেক ভারতীয়কে তার নিজের ভোটদান করার জন্য আবেদন জানানো হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়াতে #ButtonDabaoDeshBanao হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করা বিভিন্ন মতামতগুলি পড়তে পারেন।

First published: 07:34:29 PM May 17, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर