Home /News /national /

Winner Of Lottery:সকালে লটারির টিকিট কাটলেন দরিদ্র অ্যাম্বুল্যান্স চালক, দুপুরেই লটারি জিতে কোটিপতি

Winner Of Lottery:সকালে লটারির টিকিট কাটলেন দরিদ্র অ্যাম্বুল্যান্স চালক, দুপুরেই লটারি জিতে কোটিপতি

সকাল লটারির টিকিট কেটেছিলেন শেখ হীরা। দুপুরবেলা লটারি মেলাতেই চোখ কপালে! তিনি জিতেছেন!

  • Share this:

#বর্ধমান: ভাগ্যের চাকা কার যে কখন ঘুরে যায়, কে বলতে পারে! যেমন বর্ধমানের বাসিন্দা শেখ হীরা। হঠাৎ করে কপাল ফিরে যাওয়ায় তিনি দিশেহারা, সোজা ছুটলেন থানায়। পুলিশ আধিকারিকদের কাছে জানতে চাইলেন, এখন তাঁর কী করা উচিত?

এবার তবে খোলসা করে বলা যাক! সকাল লটারির টিকিট কেটেছিলেন শেখ হীরা (Winner Of Lottery)। দুপুরবেলা লটারি মেলাতেই চোখ কপালে! তিনি জিতেছেন! হয়ে গিয়েছেন কোটিপতি (Winner Of Lottery)। এরপরই আর মাথা কাজ করে না তাঁর! একদিকে যেমন আনন্দ, অন্যদিকে আতঙ্ক... এতগুলো টাকার মালিক তিনি! কী করবেন এবার? কিছু ভেবে উঠতে না পেরে সোজা চলে যান শক্তিগড় থানায়। ভায় পাচ্ছিলেন, পাছে লটারির টিকিট ছিনতাই হয়ে যায়! শেষমেশ পুলিশ-রা তাঁকে আস্বস্ত করেন! পুলিশি নিরাপত্তায় বাড়ি ফেরেন শেখ হীরা। বর্তমানে তাঁর বাড়িতে সর্বক্ষণের জন্য পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

আরও পড়ুন:স্বাস্থ্য সাথী কার্ডে খরচসাপেক্ষ ও জটিল অপারেশন, প্রাণ বাঁচল সদ্যোজাত শিশুর

জানা যায়, শেখ হীরার মা অসুস্থ। তাঁর চিকিৎসায় মোটা টাকা খরচ। আয় বলতে পরের অ্যাম্বুলেন্স চালিয়ে যেটুকু মেলে। তবে কপালের ওপর আস্থা রেখেছিলেন তিনি। যদি কোনও দিন ভাগ্য সহায় হয়, যদি কখনও লটারি জেতেন, মেলে মোটা টাকা...এই আশাতেই মাঝেমধ্যেই লটারির টিকিট কাটতেন। বৃহস্পতিবার সকালেও ২৭০ টাকার লটারির টিকিট কাটেন। বেলা দেড়টা নাগাদ সেই টিকিট মেলাতে গিয়েই চক্ষু চড়কগাছ! তাঁর হাতে থাকা টিকিটেই মিলেছে প্রথম পুরস্কার এক কোটি টাকা। বার বার মিলিয়ে নিশ্চিত হওয়ার পর আর সময় নষ্ট করেননি শেখ হীরা। সোজা পৌঁছে যান থানায়। তাঁর ভাষায়, '' '' আমি পেশায় একজন অ্যাম্বুল্যান্স চালক। টাকার আশায় লটারির টিকিট কাটতাম ঠিকই, কিন্তু আজ কোটি টাকা আমার কপালে আসবে স্বপ্নেও ভাবিনি। কী করব ভেবে উঠতে না পেরে পরামর্শ নিতেই থানায় যাই।''

আরও পড়ুন:লাদাখ থেকে কফিনবন্দি হয়ে ফিরল ঘরের ছেলে, কাঁদল গোটা হরশংকর গ্রাম

এত টাকা নিয়ে কী করবেন? রাতারাতি কোটিপতি হওয়া শেখ হীরা জানান, '' আমি নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের। টাকার অভাব ছিল। সেটা মিটল। আপাতত এই টাকায় ভাল করে অসুস্থ মায়ের চিকিৎসা করাব। ভালোভাবে থাকার মতো একটা বাড়িও করব। এর বেশি কিছু এখনই ভেবে উঠতে পারছি না।''

লটারির টিকিট বিক্রেতা শেখ হানিফ জানান, '' বহু বছর ধরে টিকিটের ব্যবসা করছি। অনেকেই টিকিট কাটেন। পুরস্কারও মেলে মাঝেমধ্যে। কিন্তু এত বড় পুরস্কার আমার দোকান থেকে আগে কখনও ওঠেনি। আজ আমি এমন পুরস্কার দিতে পেরে খুবই খুশি।''

Published by:Rukmini Mazumder
First published:

Tags: Lottery

পরবর্তী খবর