Viral Video: ফুচকার মুকুট পরে বিয়ের আসরে কনে! ভিডিও দেখে অবাক লোকজন

নিজের বিয়ের দিন মনে রাখার মতো করে রাখলেন পাত্রী অক্ষয়া।

নিজের বিয়ের দিন মনে রাখার মতো করে রাখলেন পাত্রী অক্ষয়া।

  • Share this:

    #কর্ণাটক: বিয়ের দিন। যে কোনো মানুষের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। এমন দিনকে পারফেক্ট করে তোলার জন্য সবাই চেষ্টা করেন নিজেদের মতো করে। বিয়ের দিন যেন মনে রাখার মতো হয়! এমনটা প্রায় সবাই চায়। আর তাই বিয়ের দিনে অনেকেই অনেক রকম মনে রাখার মতো ব্যাপার করে থাকেন। ইনস্টাগ্রামে সম্প্রতি একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেখানে অক্ষয়া নামের একটি মেয়ে তাঁর বিয়ের দিনকে মনে রাখার মতো করার জন্য এমন কাণ্ড ঘটালেন যে সবাই অবাক। অভিষেক নামের এক যুবকের সঙ্গে সাতপাকে বাঁধা পড়লেন অক্ষয়া। আর নিজের বিয়ের দিনটি সত্যিই তিনি মনে রাখার মতো করেই রাখলেন।

    বিয়ের দিন শাড়ি পরা অক্ষয়কে অসাধারণ দেখতে লাগছিল। তবে বিয়ের দিন তিনি যে মুকুটটি পড়েছিলেন সেটি হয়েছিল দেখার মতো। আসলে পাত্রীর সেই মুকুট তৈরি হয়েছিল ফুচকা দিয়ে। হ্যাঁ, একেবারে ঠিকই শুনছেন। ফুচকা দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল সেই মুকুট। সেই অদ্ভুত দেখতে মুকুটটি অক্ষয়ার মাথায় পরিয়ে দিয়েছিলেন তাঁর বাড়ির লোক। এমনকী ফুচকা দিয়ে তৈরি একটি মালাও তাঁর গলায় পরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ইনস্টাগ্রামে একটি পেজ থেকে অক্ষয়ার সেই ছবি শেয়ার করা হয়েছে। সেই পেজটি মেকআপ সংক্রান্ত।

    আমাদের মধ্যে অনেকেই স্ট্রিটফুড ভালোবাসেন। বিশেষ করে ফুচকা বা পানিপুরি। কোথাও আবার বলা হয় গোলগপ্পে। তবে আমাদের মধ্যে কেউ হয়তো কখনো প্রিয় ফুচকা দিয়ে মুকুট বানিয়ে সেটি বিয়ের দিনে পরার কথা ভাবিনি। তবে সেই মেকআপ আর্টিস্ট এমন একটি অদ্ভুত কান্ড ঘটানোর সাহস দেখিয়েছেন। এই ভিডিওটি ইনস্টাগ্রাম ছাড়াও ফেসবুক ও টুইটারেও ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। কেউ কেউ তো আবার জিজ্ঞেস করেছেন, এটা কি বিয়ের রীতির মধ্যে পড়েছিল! অনেকেই আবার ফুচকা দিয়ে তৈরি এই মুকুটের ইতিহাস জানতে চেয়েছেন। কেউ কেউ জানতে চেয়েছেন, ফুচকা দিয়ে মুকুট তৈরির বিশেষ কোনো কারণ রয়েছে কি না! তবে ওই পেজ -এর তরফ সে রকম কোনো বিশেষ কারণের কথা বলা হয়নি। শুধুমাত্র বলা হয়েছিল, ভোর তিনটের সময় এই মুকুট ও মালাটি ফুচকা দিয়ে তৈরি করা হয়। আর ভিডিওটি শ্যুট করা হয় দুপুর তিনটের সময়। পাত্রীর মুখে তেমন কোন মেকাপ করা হয়নি। এমনিতেই পাত্রীকে সেই ফুচকার মুকুটে অসাধারণ দেখতে লাগছিল।

    Published by:Suman Majumder
    First published: