Israel Embassy Blast: শুধুমাত্র সেনার কাছে থাকা 'অস্ত্র' কীভাবে পেল হামলাকারীরা? বিস্ফোরক নিয়ে চিন্তায় তদন্তকারীরা

Israel Embassy Blast: শুধুমাত্র সেনার কাছে থাকা 'অস্ত্র' কীভাবে পেল হামলাকারীরা? বিস্ফোরক নিয়ে চিন্তায় তদন্তকারীরা
Israel Embassy Blast

Israel Embassy blast: ফরেনসিক তদন্তে বর্তমানে জানা গিয়েছে যে, PETN বিস্ফোরণে ব্যবহার করা হয়েছিল। বিশ্বজুড়ে কেবলমাত্র সামরিক বাহিনীই এটি ব্যবহারের অনুমতি পায়। এটি বাজারে পাওয়া যায় না।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: শুক্রবার রাজধানীতে ইজরায়েলের দূতাবাসের কাছে বিস্ফোরণ নিয়ে তদন্তে পুলিশ এখনও পর্যন্ত বেশ কিছু সন্দেহজনক তথ্য পেয়েছে। এই বিস্ফোরণে সামরিক গ্রেড বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছিল। অর্থাৎ বিশ্বজুড়ে কেবল সেনাবাহিনীকেই পদার্থটি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়। তদন্তকারী সংস্থাগুলি এমন সূত্র খুঁজে পেয়েছে যেগুলি বোঝায় যে, এই বিস্ফোরণ আন্তর্জাতিক স্তরের করার ষড়যন্ত্র ছিল। আপাতত এটিকে ভয় দেখানোর চেষ্টা বলে মনে করা হচ্ছে। এদিকে, ভারতে ইজরায়েলি রাষ্ট্রদূত রন মালকা বলেছেন যে, দুই দেশের তদন্তকারী সংস্থা বর্তমানে একসঙ্গে পুরো বিষয়টি তদন্ত করছে।

    ফরেনসিক তদন্তে বর্তমানে জানা গিয়েছে যে, PETN বিস্ফোরণে ব্যবহার করা হয়েছিল। বিশ্বজুড়ে কেবলমাত্র সামরিক বাহিনীই এটি ব্যবহারের অনুমতি পায়। এটি বাজারে পাওয়া যায় না। বলা হয়ে থাকে যে বিশ্বের বিপজ্জনক সন্ত্রাসী সংগঠন আল-কায়েদা বোমা তৈরির জন্য এই PETN ব্যবহার করে। তদন্তে একটি 'হাই-ওয়াট' ব্যাটারিও পাওয়া গিয়েছে। ৯ ভোল্টের এই ব্যাটারিটি সাধারণত রেডিও ট্রানজিস্টারের জন্য ব্যবহৃত হয়, যাতে বিস্ফোরণের স্থান থেকে বার্তা পাঠানো যায়। সূত্রের খবর যে, ইসলামিক স্টেট বা আল কায়েদারও হাত থাকতে পারে এই ঘটনায়।

    বলা হয় যে, এর আগে জঙ্গি সংস্থা ইন্ডিয়ান মুজাহিদিন এবং লস্কর-ই-তৈয়বা এই জাতীয় জিনিষ ব্যবহার করত। তবে ইন্ডিয়ান মুজাহিদিন বেশিরভাগ বোমায় বিস্ফোরক হিসাবে সহজ লভ্য অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ব্যবহার করে। যেখানে বিস্ফোরণ হয়েছিল, সেখানে একটি গর্ত রয়েছে। এই জায়গা থেকে বল বিয়ারিং এবং তারগুলি উদ্ধার করা হয়েছে। ফরেনসিক দলও অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ব্যবহারের চিহ্ন খুঁজে পেয়েছে। গোলাপী রঙের স্কার্ফও পাওয়া গিয়েছে, যা অর্ধেক পুড়ে গিয়েছে। এর থেকে কিছু খোঁজ পাওয়া যায় কিনা, খতিয়ে দেখছে পুলিশ।


    Published by:Pooja Basu
    First published: