• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • আডবাণী, যোশীদের ভোটে লড়ার সিদ্ধান্ত তাঁদের উপরেই ছাড়ল বিজেপি, যদিও ৭৫-এর উপর মিলবে না পদ

আডবাণী, যোশীদের ভোটে লড়ার সিদ্ধান্ত তাঁদের উপরেই ছাড়ল বিজেপি, যদিও ৭৫-এর উপর মিলবে না পদ

লালকৃষ্ণ আডবাণী ও মুরলীমনোহর যোশী

লালকৃষ্ণ আডবাণী ও মুরলীমনোহর যোশী

তাঁদের বক্তব্য, এই নেতারা যদি ভোটে জিতে আসেন, তা হলে ৭৫ বছরের বেশি বয়সি এই প্রবীণদের কোনও মন্ত্রী পদ দেওয়া যাবে না৷ বিজেপি নেতারা অনেকে বলছেন, বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের ভোটে না লড়ার বিষয়টিও ওঁর ব্যক্তিগত ব্যাপার, এ বিষয়ে দলের কোনও বক্তব্য নেই৷

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: প্রবীণ বিজেপি নেতা ও সাংসদ লালকৃষ্ণ আডবাণী কি এ বারের লোকসভা ভোটে লড়বেন? এর উত্তর আডবাণীর ইচ্ছের উপরই ছেড়ে দিল বিজেপি৷ দলের কয়েক শীর্ষ স্থানীয় নেতার বক্তব্য, আডবাণী, মুরলী মনোহর যোশী, সুমিত্রা মহাজন, শান্তা কুমার, হুকুম নারায়ণ সিং যাদব, বিএস ইয়েদুরাপ্পার মতো বিজেপি নেতা, নেত্রীদের ভোটে লড়ার ব্যাপারে কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই৷

    তাঁদের বক্তব্য, এই নেতারা যদি ভোটে জিতে আসেন, তা হলে ৭৫ বছরের বেশি বয়সি এই প্রবীণদের কোনও মন্ত্রী পদ দেওয়া যাবে না৷ বিজেপি নেতারা অনেকে বলছেন, বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের ভোটে না লড়ার বিষয়টিও ওঁর ব্যক্তিগত ব্যাপার, এ বিষয়ে দলের কোনও বক্তব্য নেই৷ সুষমা স্বরাজ ও উমা ভারতী শারীরিক অসুস্থতার কারণে ভোটে লড়ছেন না৷

    এখনও পর্যন্ত খবর, ৯১ বছরের আডবাণী ও ৮৪ বছরের মুরলী মনোহর যোশী ভোটে লড়বেন কিনা, জানা যায়নি৷ যদিও যোশী ঘনিষ্ঠ মহলে জানিয়েছেন, দল যা সিদ্ধান্ত নেবে, তা-ই তিনি মেনে নেবেন৷

    প্রসঙ্গত, এল কে আডবাণী, মুরলীমনোহর যোশী, শান্তা কুমার ও বিসি খান্ড‌ুরি ২০১৪ সালে ভোটে জিতলেও, তাঁদের ক্যাবিনেটে জায়গা দেওয়া হয়নি৷ সূত্রের খবর, ২০১৪ সালে লোকসভা অধ্যক্ষ হতে চেয়েছিলেন আডবাণী৷ কিন্ত‌ু দল সেই দায়িত্ব সুমিত্রা মহাজনকে দেয়৷ ২০১৪ সালে তৈরি মোদি মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছিলেন নাজমা হেপতুল্ল‌া ও কলরাজ মিশ্র৷ ৭৫ বছর বয়স পেরিয়ে যাওয়ায় তাঁদের পরে মন্ত্রিসভা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়৷

    মোদি সরকারের স্থান না-পাওয়া লালকৃষ্ণ আডবাণী, মুরলীমনোহর যোশীর মতো বিজেপি-র প্রবীণ নেতারা মাঝে মাঝেই তাঁদের রাগ প্রকাশ করেছেন৷ বিহার বিধানসভা ভোটে বিজেপি-র হারের পর আডবাণী, যোশী ও যশবন্ত সিনহা বিজেপি-র নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্নও তোলেন৷

    প্রতিবেদক: অনুপ গুপ্তা

    First published: