Home /News /national /
JP Nadda: তৃণমূলের আগমনী সুর-জোটসঙ্গী IPFT-র গোঁসা, চিন্তার ত্রিপুরায় যাচ্ছেন নাড্ডা

JP Nadda: তৃণমূলের আগমনী সুর-জোটসঙ্গী IPFT-র গোঁসা, চিন্তার ত্রিপুরায় যাচ্ছেন নাড্ডা

নাড্ডা এবার ত্রিপুরাগামী...

নাড্ডা এবার ত্রিপুরাগামী...

JP Nadda: ত্রিপুরায় বিজেপির জোটসঙ্গী আইপিএফটি-র (BJP-IPFT) চার সদস্যের প্রতিনিধি দলের দিল্লি যাত্রা বিশেষ মাত্রা পেয়েছে। দিন কয়েক আগেই ত্রিপুরা ঘুরে গিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বিএল সন্তোষ-সহ ত্রিপুরার দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা।

আরও পড়ুন...
  • Share this:

    #ত্রিপুরা: বাংলায় ক্ষমতা দখল সম্ভব হয়নি। ২০০ আসনের স্বপ্ন দেখে ৭৭-এ বাংলায় থেমে যেতে হয়েছে বিজেপিকে। এরপরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নজরে দিল্লি। আর সেই সূত্রেই ত্রিপুরায় জাঁকিয়ে বসতে চাইছে এ রাজ্যের শাসক দল। ইতিমধ্যেই মুকুল রায় ঘনিষ্ঠ সুদীপ রায়বর্মনকে নিয়ে শোরগোল পড়েছে। বিজেপির অন্যতম শীর্ষ নেতার সদলবলে তৃণমূলে যোগদানের জল্পনা নিয়ে আলোড়ন পড়েছে ত্রিপুরায়। শুধু তাই নয়, ত্রিপুরায় বিজেপির জোটসঙ্গী আইপিএফটি-র (BJP-IPFT) চার সদস্যের প্রতিনিধি দল বুধবার জে পি নাড্ডার সঙ্গে তাদের একান্ত বৈঠক হয়েছে বলে সূত্রের খবর। জল্পনা, জোট নিয়ে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আর ত্রিপুরা নিয়ে নিশ্চিন্ত থাকতে পারছেন না বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। তাই শীঘ্রই ত্রিপুরা যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা।

    ত্রিপুরায় বিজেপির জোটসঙ্গী আইপিএফটি-র (BJP-IPFT) চার সদস্যের প্রতিনিধি দলের দিল্লি যাত্রা বিশেষ মাত্রা পেয়েছে। দিন কয়েক আগেই ত্রিপুরা ঘুরে গিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বিএল সন্তোষ-সহ ত্রিপুরার দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা। বৈঠক করেছেন দলের অন্দরেই বিরোধী শিবিরের সঙ্গে। এরই মধ্যে শরিক নিয়ে সংকট। ফলে পরিস্থিতি অনুকূল নয় বুঝেই এবার নাড্ডার ত্রিপুরা যাত্রা বলেই অনুমান রাজনৈতিক মহলের একাংশের।

    প্রসঙ্গত, বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা ত্রিপুরায় এসে শরিক দল আইপিএফটি-র বিধায়কদের সঙ্গে পৃথক ভাবে বৈঠক করেছিলেন। তারপরও সমস্যা যে মেটেনি তা স্পষ্ট। পার্বত্য এলাকায় নির্বাচনে আইপিএফটি-র ব্যর্থতাকে সামনে রেখে রণকৌশল নিয়েই কথা হতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। মন্ত্রিসভায় আরও একটি মন্ত্রিত্ব চায় তাঁরা, সূত্রের খবর এমনটাই।

    এরই মধ্যে দিল্লি এসে নাড্ডার সঙ্গে বৈঠক করেছেন সুদীপ রায়বর্মন। সূত্রের খবর, জুলাই মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে এই সম্প্রসারণের কাজ হয়ে যাবে। সেখানে সুদীপকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে বলে খবর। তৃণমূলের ত্রিপুরায় নজরের কথা মাথায় রেখেই এবার সুদীপকে খুশি করতে চাইছে বিজেপি। ২০১৯-এর মাঝে স্বাস্থ্যমন্ত্রী পদ থেকে সুদীপ রায়বর্মনকে সরানো হয়। আর এবার ফের সুদীপ রায়বর্মনকেই মন্ত্রিত্ব দিয়ে বিক্ষুব্ধ শিবিরকে খুশি করতেই বিজেপির এই সম্প্রসারণ নীতি কিনা, তা নিয়েও জল্পনা ছড়িয়েছে।

    Published by:Suman Biswas
    First published:

    পরবর্তী খবর