• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • থাকবে নরেন্দ্র মোদির মূর্তি, লকডাউন শেষ হলেই মন্দির তৈরি করবেন বিজেপি বিধায়ক

থাকবে নরেন্দ্র মোদির মূর্তি, লকডাউন শেষ হলেই মন্দির তৈরি করবেন বিজেপি বিধায়ক

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷

গণেশ যোশীর আরও দাবি, নিজের বাড়ির ঠাকুর ঘরে দেবতাদের ছবির সঙ্গেই নরেন্দ্র মোদির ছবিও রেখে দিয়েছেন তিনি৷

  • Share this:

    #মুসৌরি: নরেন্দ্র মোদির আরতি করে শিরোনামে এসেছিলেন৷ এবার উত্তরাখণ্ডের মুসৌরির বিজেপি বিধায়ক গণেশ যোশী জানালেন, খুব শিগগরিই প্রধানমন্ত্রীর নামে মন্দির তৈরি করতে চলেছেন তিনি৷ সেখানে নরেন্দ্র মোদির মূর্তিও বসাবেন বলে ঠিক করে ফেলেছেন বিজেপি বিধায়ক৷

    কয়েকদিন আগেই এক মোদি ভক্তের লেখা গান গেয়ে প্রধানমন্ত্রীর আরতি করেছিলেন এই গণেশ যোশী৷ বিজেপি বিধায়কের এই কীর্তির কড়া সমালোচনা করে বিরোধীরা৷ তাতেও অবশ্য এতটুকু দমে যাননি এই বিজেপি বিধায়ক৷ এবার একেবারে নরেন্দ্র মোদির নামে মন্দির গড়ার পরিকল্পনা করেছেন তিনি৷

    বিজেপি বিধায়ক বলেছেন, 'প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্য আমার মনে অপরিসীম শ্রদ্ধা রয়েছে৷ উনি শুধু আমাদের দেশেরই নন, একজন বিশ্বনেতাও বটে৷ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও তাঁকে নিয়ে মুগ্ধ৷ আমি তাঁর আরতি করে কোনও ভুল করিনি এবং লকডাউন শেষ হলেই তাঁর মূর্তি সহ একটি মন্দির তৈরি করব৷'

    গণেশ যোশীর আরও দাবি, নিজের বাড়ির ঠাকুর ঘরে দেবতাদের ছবির সঙ্গেই নরেন্দ্র মোদির ছবিও রেখে দিয়েছেন তিনি৷ বিজেপি বিধায়কের যুক্তি, 'প্রধানমন্ত্রী দিনে ১৮ ঘণ্টা কাজ করেন৷ এর থেকেই প্রমাণিত যে তাঁর মধ্যে কোনও দৈবশক্তি রয়েছে৷ মন্দির তৈরি করে আমি তাঁর প্রতি শুধু শ্রদ্ধা জানাতে চাই৷'

    তিনি আরও জানিয়েছেন, বাড়িতে দেবতাদের পুজো করার পর আলাদা করে প্রধানমন্ত্রীর ছবিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি৷ গণেশ যোশীর দাবি, নরেন্দ্র মোদি যখন ১৯৯৯ সালে বিজেপি-র একজন সাধারণ অফিস কর্মী ছিলেন, তখন থেকেই নাকি তাঁর ভক্ত ছিলেন তিনি৷ নিজের অফিসেও নরেন্দ্র মোদির ছবি রাখতেন৷

    রাজ্যের বিরোধী দল কংগ্রেস যতই তাঁকে নরেন্দ্র মোদির অন্ধ ভক্ত বলে কটাক্ষ করুক না কেন, তাতে আমল দিতেই নারাজ গণেশ যোশী৷ এমন কী তাঁর নিজের দল বিজেপিও প্রধানমন্ত্রীর আরতি বিতর্কের দায় নিতে রাজি হয়নি৷ যদিও সেই অনুষ্ঠানে রাজ্যের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন৷ তাতে বিরোধীদের আক্রমণের মাত্রা আরও তীব্র হয়েছে৷

    Published by:Debamoy Ghosh
    First published: