‘ডিভাইডার দিদি, ভাষা নিয়ে রাজনীতি করবেন না’, JEE প্রশ্নের ভাষা ইস্যুতে নিয়ে মমতাকে কটাক্ষ বিজেপি নেতার

‘ডিভাইডার দিদি, ভাষা নিয়ে রাজনীতি করবেন না’, JEE প্রশ্নের ভাষা ইস্যুতে নিয়ে মমতাকে কটাক্ষ বিজেপি নেতার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
  • Share this:

#কলকাতা: JEE পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের ভাষা নিয়ে উত্তাল জাতীয় রাজনীতি ৷ বাংলায় জয়েন্ট নেওয়ার দাবিতে কয়েক মাস আগেই নিয়ামক সংস্থাকে চিঠি দেয় বাংলার শিক্ষা দফতর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশ্ন, তারপরও কীভাবে সব আঞ্চলিক শুধু গুজরাতিতে জয়েন্ট প্রশ্নপত্র সিদ্ধান্ত হল? বাংলা সহ সব আঞ্চলিক ভাষায় পরীক্ষার সুযোগ দেওয়ার দাবিতে ফের সরব মুখ্যমন্ত্রী।

এই দাবি নিয়েই ট্যুইটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে বিজেপি।  কৈলাস বিজয়বর্গী ট্যুইটারে লেখেন, ‘ডিভাইডার দিদি, ভাষার ধুয়ো দিয়ে ভোট রাজনীতি করে লাভ হবে না। আপনি কোনওদিনই বাংলায় জয়েন্ট নেওয়ার দাবি তোলেননি।’আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপির বিজয় রূপানিও ৷ ট্যুইটে লেখেন, ‘আপনার রাজ্যের মানুষদের উন্নয়ন দরকার, এইসব সস্তার চমকও নয়৷’ গুজরাতির পাশাপাশি সব আঞ্চলিক ভাষায় জয়েন্টের দাবিতে ফের সরব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তিনি বলেন, শুধু গুজরাতি কেন! বাংলা সহ সব ভাষা জয়েন্ট হোক ৷ অন্য আঞ্চলিক ভাষায় জয়েন্টে প্রশ্ন নয় কেন? কেন শুধু গুজরাতি ভাষা অন্তর্ভুক্ত হল? বাংলায় প্রশ্নের আবেদন করে কয়েকমাস আগে চিঠি দিয়েছে শিক্ষা দফতর ৷ বাংলা ভাষাতেও জয়েন্টে প্রশ্ন করা হোক ৷ সব ভাষা, সব রাজ্যকে আমি ভালবাসি ৷’ ১১ নভেম্বর রাজ্যজুড়ে বাংলা এবং অন্যান্যা ভাষাতেও জয়েন্ট এন্ট্রান্স মেইন চালু করার দাবিতে কর্মসূচি পালনের ডাক দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৷
ন্যাশনাল টেষ্টিং এজেন্সি বা এনএসএ’র হাতেই ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের জয়েন্টের দায়িত্ব। বুধবার এনএসএ’র তরফে জানানো হয়, হিন্দি ও ইংরেজির পাশাপাশি গুজরাতিতেও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের জয়েন্ট দেওয়া যাবে ৷ বাকি সব ভাষাকে ব্রাত্য করে শুধু গুজরাতিতেই জয়েন্ট কেন? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুরেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করে অন্য রাজ্যগুলো। বৃহস্পতিবার ন্যাশনাল টেষ্টিং এজেন্সি ব্যাখ্যা দিয়ে জানায়, ‘২০১৩ ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সর্বভারতীয় জয়েন্ট শুরু হয়। তখন একমাত্র গুজরাতই এতে যোগ দেয়। ওই বছরই গুজরাতিতে পরীক্ষার আবেদন করা হয়েছিল। ২০১৪ সালে মহারাষ্ট্রও এতে যোগ দেয়। মহারাষ্ট্রের তরফেও আঞ্চলিক ভাষায় প্রশ্নের আবেদন। ২০১৬ সালে দুটি রাজ্যই এই পরীক্ষা থেকে সরে দাঁড়ায়। মারাঠি ও উর্দুতে প্রশ্ন তৈরি বন্ধ হয়ে যায়। তবে গুজরাত এনিয়ে অনুরোধ করায় তা চালু ছিল। অন্য কোনও রাজ্য এই অনুরোধ করেনি ৷’ যদিও কয়েক মাস আগেই বাংলায় জয়েন্টের দাবিতে এনএসএ-কে চিঠি দেওয়া হয় বলে দাবি মুখ্যমন্ত্রীর। বৃহস্পতিবার বাংলা সহ অন্য আঞ্চলিক ভাষায় জয়েন্ট নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে এনএসএ-কে নতুন করে চিঠি দিয়েছে রাজ্য প্রশাসন।  তবে রাজ্যের আগেই যে গুজরাত ও মহারাষ্ট্রের তরফে স্থানীয় ভাষায় পরীক্ষার দাবি তোলা হয়, তা স্পষ্ট। তবে শুধু এই দাবিতেই কী গুজরাতিতে পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় কি? উঠছে প্রশ্ন।
First published: November 7, 2019, 8:06 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर