গ্রাস করে নেবে গোটা দেশ, চিন নিয়ে নেপালকে সতর্ক করলেন বিপিন রাওয়াত

গ্রাস করে নেবে গোটা দেশ, চিন নিয়ে নেপালকে সতর্ক করলেন বিপিন রাওয়াত

Bipin Rawat : photo courtesy social news xyz

তিনি নেপালকে মনে করিয়ে দেন শ্রীলঙ্কার থেকে যেন শিক্ষা নেয় তাঁরা।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি : শীত পড়ে গেছে, তাও সীমান্ত সমস্যা কমেনি। পূর্ব লাদাখে এখনও স্ট্যান্ড অফ বজায় আছে। ভারতকে চারিদিক থেকে ঘিরে রাখার ফর্মুলা চিনের নতুন নয়। নেপাল থেকে শুরু করে মায়ানমার, দক্ষিণে শ্রীলঙ্কা, নিজেদের ঘাঁটি বিভিন্ন দেশে তৈরি করেছে পিএলএ। সম্প্রতি ভারত বুঝতে পেরেছে একমাত্র কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলা সম্ভব। তাই প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত করার চেষ্টায় ভারতীয় নেতৃত্ব।

    বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নতি করার পাশাপাশি চেষ্টা চলছে নেপালের সঙ্গে খারাপ হওয়া সম্পর্ক আবার ভাল করার। অনেকেই মনে করেন চিন এবং ভারতের মাঝে থাকা হিমালয় ঘেরা এই দেশ দুই পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্রের কাছেই বড় ভরসার জায়গা। ঐতিহাসিকভাবে ভারতের সঙ্গে নেপালের সম্পর্ক সবসময় ভাল ছিল। ধর্ম, সংস্কৃতি ছাড়াও পারিবারিক সম্পর্ক বহুদিনের।

    কিন্তু প্রধানমন্ত্রী ওলি আসার পর থেকে নেপাল ঝুঁকে পড়ে চিনের দিকে। প্রচুর পরিমাণে লগ্নি শুরু করে চিন। তবে এই মুহূর্তে ভারত-নেপালের কিছুটা কাছাকাছি আসতে পেরেছে। সম্প্রতি ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্ক এবং সামরিক ক্ষেত্রে আবার নেপালের সঙ্গে আদান প্রদান শুরু হয়েছে। সিডিএস বিপিন রাওয়াত জানিয়েছেন ভারত সব সময় নেপালকে নিজেদের বিশ্বস্ত বন্ধু হিসেবেই দেখে এসেছে। ভারতের বন্ধুত্ব কিছু পাওয়ার জন্য নয়। নিঃস্বার্থ বন্ধুত্ব।

    তিনি নেপালকে মনে করিয়ে দেন শ্রীলঙ্কার থেকে যেন শিক্ষা নেয় তাঁরা। চিনের স্ট্র্যাটিজি হল প্রচুর পরিমাণ ঋণ দাও। ঋণের দায়ে জর্জরিত করে দাও সেই দেশকে। তারপর চাপ বাড়িয়ে দেশের ক্ষমতা নিজের হাতে নেওয়ার চেষ্টা করা। দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কার বিখ্যাত বন্দর হাম্বানটোটা আগেই নিজেদের দখলে নিয়েছে চিন। সে দেশের সরকার অনেক চেষ্টা করেও লাল সেনার দখলদারি কমাতে পারছে না। নেপাল যদি সতর্ক না হয়, চিনের টাকার লোভে ভারত বিরোধিতা করে, তাহলে কিছু সময় পর নিজেদের দেশটাই পুরো পিএলএর কব্জায় করে দিতে হবে। এমনকি নেপালের পতাকা সরিয়ে দিয়ে চিনের লাল পতাকা উড়তে পারে কাঠমান্ডুতে।

    Published by:Rohan Chowdhury
    First published: