Bizarre! ৭ বছরের বিবাহিত স্ত্রী ফিরল প্রেমিকের কাছে, দু-হাত মিলিয়ে দিলেন স্বয়ং স্বামী, ঠিক যেন সিনেমা...

Bizarre! ৭ বছরের বিবাহিত স্ত্রী ফিরল প্রেমিকের কাছে, দু-হাত মিলিয়ে দিলেন স্বয়ং স্বামী, ঠিক যেন সিনেমা...

প্রতীকী ছবি।

ভালোবাসার কাছে কবে কোন যুক্তি কাজ করেছে! ৭ বছরের বিবাহিত স্ত্রী ফিরল প্রেমিকের কাছে, দু-হাত মিলিয়ে দিলেন স্বয়ং স্বামী!

  • Share this:

#আহমেদাবাদ: ১৯৯৯ সালে সঞ্জয় লীলা বনশালির (Sanjay Leela Bhansali) ব্লকবাস্টার হম দিল দে চুক সনম (Hum Dil De Chuke Sanam) মনে আছে? সেই সময় বেশিরভাগ মানুষ ভেবেছিল যে অজয় ​​দেবগন (Ajay Devgn) যে ভূমিকায় অভিনয় করেছেন, এমন ভূমিকা বাস্তবের জীবনে দেখা যায় না, কারণ কোনও স্বামী স্ত্রীকে তাঁর প্রেমিকের সঙ্গে চলে যেতে দিতে পারেন না। তবে, সেই ধারণা ভেঙে ছবিটি প্রকাশের ২২ বছর পরে বিহারের ভাগলপুর জেলার সুলতানগঞ্জ শহরে সিনেমাটির বাস্তব জীবন সংস্করণ দেখা গেল সম্প্রতি।

যেখানে একজন ব্যক্তি তাঁর সাত বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টেনে স্ত্রীকে প্রেমিকের সঙ্গে বিয়ে দিলেন। যে গল্পে হম দিল দে চুকে সনম সিনেমারই ঝলক দেখা দিল কিছুটা হলেও। বিহারের খাগরিয়া জেলার বাসিন্দা স্বপ্না কুমারী (Sapna kumari) ২০১৪ সালে সুলতানগঞ্জের উত্তম মণ্ডলের (Uttam Mandal) সঙ্গে সাত পাকে বাঁধা পড়েন। তাঁদের দুই সন্তানও রয়েছে। সুখে-শান্তিতেই চলছি ঘরসংসার। কিন্তু মনকে তো আর বেঁধে রাখা যায় না। ভালোবাসার কাছে কবে কোন যুক্তি কাজ করেছে!

একদিন স্বপ্নার সঙ্গে উত্তমের এক আত্মীয় ওই গ্রামেরই অল্প বয়সী রাজু কুমারের দেখা হয়। এর পর দু'জনে দু'জনের প্রেমে পড়েন। অন্য দিকে বিষয়টি কিছু দিনের মধ্যেই উত্তম জানতে পারেন। যদিও এত দিনের বিবাহিত স্ত্রীর সম্পর্কে একথা শোনার পর উত্তম হতবাক হন এবং দুমড়ে-মুষড়ে যান। প্রথম দিকে এই নিয়ে দু'জনের মধ্যে অশান্তিও শুরু হয়। উত্তমের বাড়ির লোকেরাও স্বপ্নাকে বোঝানোর চেষ্টা করেন। অবশ্য তাতে কোন কাজ হয় না। অবশেষে সেই ভাঙনের যন্ত্রণা সামলে ওঠে উত্তম মণ্ডল ঠিক করেন স্ত্রীকে তাঁর প্রেমিকের সঙ্গে বিয়ে দেবেন। মিথ্যে সম্পর্ক টিঁকিয়ে রেখে কোনও লাভ নেই বলে ভাবতে শুরু করেন তিনি।

যদিও আত্মীয়স্বজনরা তাঁদের বিয়ে বাঁচানোর জন্য তাঁকে অনেক বুঝিয়েছেন। কিন্তু উত্তম তাঁর সিন্ধান্তে আগাগোড়াই অনড়ভাবে থেকেছেন। উত্তম নিকটবর্তী দুর্গা মন্দিরে একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স্বপ্না এবং রাজুর বিয়ে দেন পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে। তিনি তাঁদের দুই হাত তুলে আশীর্বাদও দেন তাঁদের সুখী জীবনের জন্য। তবে বিয়ের মূহুর্তে নিজেকে সামলাতে না পেরে অঝোরে কেঁদে ফেলেন উত্তম। তবুও সিন্ধান্তে অবিচল থাকেন। কারণ ভালোবাসায় শুধু ত্যাগ আছে, আছে দহনের যন্ত্রণা। এখানেই তো ভালোবাসার স্বার্থকতা!

Published by:Shubhagata Dey
First published: