ভয়ঙ্কর কাণ্ড! সেতুর উপর থেকে করোনা আক্রান্ত রোগীর দেহ নদীতে ফেলছে অ্যাম্বুলেন্স চালক

এমন ঘটনা ভয়ঙ্কর সংক্রমণ ঘটাতে পারে।

এমন ঘটনা ভয়ঙ্কর সংক্রমণ ঘটাতে পারে।

  • Share this:

    #সারণ:

    করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের ধাক্কায় নাজেহাল অবস্থা গোটা দেশের। অক্সিজেনের যোগান পর্যাপ্ত নয়। ভ্যাকসিনের সরবরাহও নেই। এমন পরিস্থিতিতে সারা দেশে হাহাকার। আর এই চরম পরিস্থিতিতেও কিছু মানুষের দায়িত্বজ্ঞানহীনতা আরো বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে। একদিন আগেই খবর পাওয়য়া গিয়েছিল, গঙ্গার জলে বেশ কয়েকটি মৃতদেহ ভাসছে। সেই মৃতদেহগুলি কোনও করোনা আক্রান্তের বলেই ধরে নেওয়া হয়েছিল। ওই ঘটনা নিয়ে এমনিতেই গোটা দেশে আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। চিকিৎসকরা বারবার বলছেন, সাবধানতা অবলম্বন না করলে করোনাভাইরাস ভয়ঙ্কর সংক্রমণ ঘটাতে পারে। চিকিৎসকদের সতর্কবাণী সত্বেও কিছু মানুষ দায় ঝেড়ে ফেলছে দায়িত্বজ্ঞানহীনের মতো।

    বিহার ও উত্তরপ্রদেশের সীমান্তে অবস্থিত জয় প্রভা সেতু থেকে করোনা আক্রান্তদের মৃতদেহ নদীর জলে ফেলে পালাচ্ছে অ্যাম্বুলেন্স চালক। এমন ঘটনার ভিডিও দেখার পর অনেকেই আতঙ্কে চোখ বন্ধ করে নিচ্ছেন।

    বিহার ও উত্তরপ্রদেশের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করে এই জয় প্রভা সেতু। দুই রাজ্যের সীমান্তবর্তী বিহারের সারণ জেলার মানঝি এলাকায় এমন ঘটনা ঘটছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, উত্তরপ্রদেশ ও বিহার দুদিক থেকেই একের পর এক অ্যাম্বুলেন্স চালক এসে করোনা আক্রান্তদের মৃত দেহ সেতুর উপর থেকে নদীর জলে ফেলে পালাচ্ছে। এই ব্যাপারে স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেছিলেন অনেকেই। কিন্তু সব কিছু দেখার পরও প্রশাসনের তরফে এখনো কোনো পদক্ষেপ হয়নি। এভাবে যদি করোনা আক্রান্তদের মৃতদেহ নদীর জলে ফেলে দেওয়া হয়, তবে সংক্রমণ কতটা ভয়ঙ্কর আকার নেবে তার আন্দাজ পাওয়া যায়।

    এমন ঘটনার পর ওই এলাকার মানুষেরা ভয়ে কাঁটা হয়ে রয়েছেন।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই বলছেন, ওই সেতুর উপর থেকে অ্যাম্বুলেন্স চালকরা করোনা আক্রান্তদের মৃতদেহ নদীর জলে ফেলে দেয়। কোনওদিন তো একাধিক মৃতদেহও সেতু থেকে নিচে ফেলা হচ্ছে। করোনা আক্রান্তদের দেহগুলি সৎকার করা হচ্ছে না। এমনকী মাটিতেও পোঁতা হচ্ছে না। নদীর জলে মৃতদেহগুলি পড়ার পর সেগুলি টেনে নিয়ে যাচ্ছে শেয়াল, কুকুর। এমন চলতে থাকলে সংক্রমণ মাত্রা ছাড়াবে বলে আশঙ্কা করেছেন স্থানীয়রা। যদিও স্থানীয় প্রশাসনে তরফে এই ব্যাপারে এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    Published by:Suman Majumder
    First published: