বিহারে খৈনির উপর জারি হতে পারে নিষেধাজ্ঞা, যার কোপ পড়তে পারে আসন্ন নির্বাচনে

File photo

অ্যালকোহলের পর এবার খৈনিতেও নিষেধাজ্ঞা জারি ৷ দু’বছর আগেই অ্যালকোহল বিক্রির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল সরকার ৷ স্বাস্থ্য সুরক্ষার খাতিরে এবার খৈনি বিক্রির উপরও কোপ বিহার সরকারের ৷

  • Share this:

    #পটনা: অ্যালকোহলের পর এবার খৈনিতেও নিষেধাজ্ঞা জারি ৷ দু’বছর আগেই অ্যালকোহল বিক্রির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল সরকার ৷ স্বাস্থ্য সুরক্ষার খাতিরে এবার খৈনি বিক্রির উপরও কোপ বিহার সরকারের ৷ আসন্ন নির্বাচনের আগে বিহার সরকারের এহেন সিদ্ধান্ত সরকারের বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে সাধারণ মানুষের মধ্যে ৷ এমনটাই সম্ভাবনা রাজনৈতিক মহলের ৷

    আরও পড়ুন: OLX-এ সেলে বিক্রি হচ্ছে কেরল কংগ্রেসের অফিস !

    ২০১৬ থেকে ২০১৭ সালে দ্যা গ্লোবাল অ্যাডাল্ট টোবাকো-র সমীক্ষা বলছে, রাজ্যের ২৫.৯ শতাংশ মানুষই এই চুইং টোবাকো খান ৷ যাদের মধ্যে ২০.৪ শতাংশ মানুষই খৈনির মত মাদকে আসক্ত হন ৷ খৈনির মত মাদকের জেরে ভবিষ্যতে ক্যান্সারের মত রোগও হতে পারে ৷ যার জেরেই রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর কেন্দ্রের কাছে লিখিত দরখাস্ত পাঠান ৷ সেই চিঠিতে খৈনিকে ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া(এফএসএসএআই)-র অধীনে নিয়ে আসার কথা উল্লেখ করা হয় ৷ অপরদিকে, সীডস(সোসিও-ইকনমিক অ্যান্ড এডুকেশনাল ডেভলপমেন্ট সোশাইটি)-ও এই একই আর্জি জানিয়ে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের কাছে চিঠি লেখে ৷

    প্রসঙ্গত, বিহারের বেশ কিছু রাজনৈতিক নেতাও খৈনির মত তামাকজাতীয় দ্রব্যে আসক্তি রয়েছে ৷ এমনকী, আরজেডি নেতা লালু প্রসাদ যাদবেরও এই তামাকজাত দ্রব্যে আসক্তি রয়েছে ৷ গত বার লালু যখন জেলে ছিলেন ৷ সেই সময়ও বাড়ি থেকে তাঁর খাবার আসত এবং পটনা থেকে এই সমস্ত তামাকজাত দ্রব্য আসত ৷

    তবে, এই খৈনির মত তামাকজাত দ্রব্যের চাষ বন্ধ হয়ে গেলে কৃষকদের আর্থিক আয়ের উপর কোপ পড়তে পারে ৷ যার জেরে কৃষকদের একটা বড় অংশের ভোট আরজেডি-র বদলে যেতে পারে জেডি(ইউ) এবং এনডিএ জোটের দিকে ৷ এমনটাই মত রাজনৈতিক মহলের ৷

    দেশের ষষ্ঠ বৃহত্তম রাজ্য বিহার তামাকজাত দ্রব্য তৈরির জন্য ৷ সমস্তিপুর ছাড়াও বৈশালি, মজফরপুর, দ্বারভাঙা এবং সীতামারহিতে খৈনির মত তামাকজাত দ্রব্যের চাষ হয় ৷ সেখান থেকেই অসম, পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ড এবং মধ্যপ্রদেশে বিক্রি করা হয় সেই সমস্ত তামাকজাত দ্রব্য ৷

    First published: