corona virus btn
corona virus btn
Loading

এবার নির্বাচনে ঐশ্বর্য লড়বেন নিজের স্বামীর বিরুদ্ধেই? বিহার নির্বাচনে দারুন ট্যুইস্ট...

এবার নির্বাচনে ঐশ্বর্য লড়বেন নিজের স্বামীর বিরুদ্ধেই? বিহার নির্বাচনে দারুন ট্যুইস্ট...
Bihar Election 2020

লালুর ছেলের বিরুদ্ধেই নাকি ময়দানে নামছেন তাঁর বৌমা! ঘরোয়া কোন্দল এবার কি তাহলে রাজনীতির ময়দানে? সরগরম বিহার নির্বাচনের প্রস্তুতিপর্ব

  • Share this:

#পটনা: রাবড়ি দেবীর পুত্রবধূ ঐশ্বর্য (Aishwarya Rai) কি এবার তাঁর ছেলে তেজ প্রতাপের (Tejpratap Yadav) বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন? এবার কি রাজনৈতিক যুদ্ধে একে অপরের মুখোমুখি হবেন? এই প্রশ্নই এখন বিহারের রাজনৈতিক মহলে ঘুরপাক খাচ্ছে। এখনও পর্যন্ত সঠিক খবরটি না জানা থাকলেও, জল্পনা চলছে জোরদার৷ কী হতে চলেছে সমীকরণ তা নিয়েই চলছে আলোচনা। তবে এরই মধ্যে ঐশ্বর্যর বাবা চন্দ্রিকা রাই বিহার বিধানসভা নির্বাচন ( Bihar Assembly Election ) নিয়ে একটি বড় ঘোষণা করেছেন।

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ঐশ্বর্যর বাবা চন্দ্রিকা রাই বলেছেন যে, তাঁর মেয়ে তেজ প্রতাপের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন। ঐশ্বর্য নিজের মতো করে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন এবং সে ব্যাপারে তাঁর স্বাধীনতা রয়েছে বলে স্পষ্ট করেন চন্দ্রিকা রাই৷ এবং এইরকম পরিস্থিতিতে বাবা ও এক রাজনীতিক হিসেবে তিনি যে ঐশ্বর্যকে সমর্থন করবেন, সে ব্যাপারেও কোনও সন্দেহ নেই। চন্দ্রিকা রাইয়ের মতে, 'ঐশ্বর্য যে কোনও আসনেই দাঁড়াতে পারেন, নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন, আমি থামাব না।'

চন্দ্রিকা রাইয়ের মতে, ঐশ্বর্য শীঘ্রই সংবাদমাধ্যমের সামনে এসে তাঁর পরিকল্পনার কথা বলবেন। স্পষ্টতই, এই বিবৃতি দিয়ে, চন্দ্রিকা রাই ঐশ্বর্যের নির্বাচনে লড়ার কথাই একপ্রকার পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিয়েছেন। অর্থাৎ এবারে বিহারের নির্বাচনে ঐশ্বর্য এবং তেজ প্রতাপের রাজনৈতিক লড়াইের সাক্ষী থাকতে চলেছেন বিহারবাসী৷ যে কোনও আসন বা যেখানে থেকেই দাঁড়াক দু’জনে, লড়াইয়ের ময়দানে একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তাঁরা৷

ঐশ্বর্য বাবা এবং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দারোগা রাইয়ের ছেলে চন্দ্রিকা রাই সম্প্রতি আরজেডি (RJD) ছেড়ে নিতিশের জেডিইউতে (JDU) যোগ দিয়েছেন। দলে পরিবর্তনের পর, চন্দ্রিকা রায় অভিযোগ করনে যে, আরজেডি দরিদ্রদের কথা বললেও, দল মোটেও দরিদ্রদের নয়। লালুর দলটি ধনীদের দলে পরিণত হয়েছে৷ অর্থাৎ নেতারা সকলেই লোভী ও টাকাই সেখানে শেষ কথা। যে দরিদ্ররা দল তৈরি করেছিল আজ তাদের দলে কোনও সম্মান নেই বলেই চন্দ্রিকা রাইয়ের অভিযোগ৷

দলের প্রবীণ কর্মীদের উপেক্ষা করার কথাও জানিয়েছেন চন্দ্রিকা। 'আরজেডি একটি বাণিজ্যিক দলে পরিণত হয়েছে, তাই আমরা পার্টি ছেড়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। নীতীশ যেভাবে সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করেছেন তাতে আমরা সবাই মুগ্ধ। এখন আমরা নীতির নেতৃত্বে কাজ করব'। জানান চন্দ্রিকা৷

চন্দ্রিকা রাইয়ের রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় ১৯৮৫ সালে। বাবা দারোগা রাইয়ের মতো ১৯৮৫ সালে কংগ্রেসের টিকিটে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং বিধায়ক হন। ১৯৯০ সালে তিনি লালু প্রসাদের দলে যোগ দেন। ২০০৫ এবং ২০১০ সালের নির্বাচনে জেডিইউর ছোটলাল রাইয়ের কাছে চন্দ্রিকা রাই পরাজিত হন, তবে ২০১৫ সালে আবারও চন্দ্রিকা নির্বাচন জেতেন।

Published by: Pooja Basu
First published: September 9, 2020, 11:11 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर