PMJAY প্রত্যাহারে স্বাস্থ্যে অনেকটা পিছিয়ে বাংলা, এগিয়ে বিহার, অসম ও সিকিম, জানাচ্ছে সমীক্ষা

PMJAY প্রত্যাহারে স্বাস্থ্যে অনেকটা পিছিয়ে বাংলা, এগিয়ে বিহার, অসম ও সিকিম, জানাচ্ছে সমীক্ষা
Bengal Performed Poorly on Health Development Indices Post Withdrawal From PMJAY

সম্প্রতি একটি সমীক্ষা বলছে আয়ুষ্মান ভারতের অন্তর্গত প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা ওরফে পিএমজেএওয়াই (Pradhan Mantri Jan Arogya Yojana, PMJAY) বাংলা থেকে প্রত্যাহারের ফলেই রাজ্যের স্বাস্থ্যের উন্নয়ন অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছে৷

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: কেন্দ্রের অনেক প্রকল্প পশ্চিমবঙ্গে সঠিক ভাবে প্রয়োগ না হওয়ায় এই রাজ্য অনেক সুবিধা থেকেই বঞ্চিত হচ্ছে৷ গতবছর ডিসেম্বরে মেদিনীপুরের মেগা সভায় এমনটাই অভিযোগ এনেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও সিনিয়র বিজেপি নেতা অমিত শাহ৷

    সম্প্রতি একটি সমীক্ষা বলছে আয়ুষ্মান ভারতের অন্তর্গত প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা ওরফে পিএমজেএওয়াই (Pradhan Mantri Jan Arogya Yojana, PMJAY) বাংলা থেকে প্রত্যাহারের ফলেই রাজ্যের স্বাস্থ্যের উন্নয়ন অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছে৷ বাংলার তিন পড়শি রাজ্য বিহার, অসম এবং সিকিমের আর্থ-সামাজিক পরিকাঠামো প্রায় একই রকম৷ এই তিন রাজ্য পিএমজেএওয়াই-এর সুবিধা নিয়ে বাংলার থেকে এগিয়ে গিয়েছে৷

    রিপোর্ট বলছে, ২০১৫-১৬ থেকে ২০১৯-২০-র মধ্যে বিহার, অসম এবং সিকিমে ঘরে ঘরে স্বাস্থ্যবীমার হার ৮৯ শতাংশ বেড়েছে৷ সেখানে বাংলায় ১২ শতাংশ কমেছে৷ বাংলায় অনূর্ধ্ব-৫ মৃতের হার ২০ শতাংশ বেড়েছে৷ সেখানে অনান্য রাজ্যে ২৭ শতাংশ কমেছে৷ স্বাস্থ্যের দিক থেকে বাংলার পাশের রাজ্যগুলির অবস্থা ৭-৮ শতাংশ ভাল হয়েছে৷ গর্ভনিরোধ, মহিলা নির্বীজন ও পিলের ব্যবহার বিহার, অসম ও সিকিমে যথাক্রমে ৩৬%, ২২% ও ২৮% বেড়েছে৷ বাংলায় বিষয়গুলো উপেক্ষণীয়৷ স্বাস্থ্যবীমার আওতায় আসার পরেই এই তিন রাজ্যের মা এবং সন্তানের যত্নের বিষয়টা অনেক উন্নত হয়েছে৷


    শুরুতে বাংলায় পিএমজেএওয়াই চালু হলেও পরে তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়৷ এই প্রকল্পের নাম নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকার আপত্তি জানিয়েছিল৷ পাশাপাশি তাদের মনে হয়েছিল যে, ৬০:৪০ অংশিদারী না হয়, একই রাখা উচিত ছিল৷ ১০ জানুয়ারি রাজ্য চিঠি দিয়ে কেন্দ্রকে জানিয়ে দেয় যে, এই প্রকল্প এখান থেকে প্রত্যাহার করা হচ্ছে৷ রাজ্য সরকার এই প্রকল্পের নাম দেয় জন আরোগ্য যোজনা৷

    Published by:Subhapam Saha
    First published:

    লেটেস্ট খবর