কৃষকদের নিয়ে রিহানার টুইটে ক্ষুব্ধ কেন্দ্রীয় সরকার, অন্যদিকে পপ তারকার দেশের প্রধানমন্ত্রী ধন্যবাদ জানালেন মোদিকে

কৃষকদের নিয়ে রিহানার টুইটে ক্ষুব্ধ কেন্দ্রীয় সরকার, অন্যদিকে পপ তারকার দেশের প্রধানমন্ত্রী ধন্যবাদ জানালেন মোদিকে
একদিকে যখন রিহানার প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করা হচ্ছে কেন্দ্রের তরফ থেকে, ঠিক তখনই বারবাডোস প্রধানমন্ত্রী মিয়া আমোর মটলেকে করোনাভাইরাসের অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকে ভ্যাকসিনের ১০ হাজারটি ডোজ পাঠালো মোদি সরকার।

একদিকে যখন রিহানার প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করা হচ্ছে কেন্দ্রের তরফ থেকে, ঠিক তখনই বারবাডোস প্রধানমন্ত্রী মিয়া আমোর মটলেকে করোনাভাইরাসের অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকে ভ্যাকসিনের ১০ হাজারটি ডোজ পাঠালো মোদি সরকার।

  • Share this:
    #ব্রিজটাউন: কৃষি আইনকে কেন্দ্র করে কেন্দ্রীয় সরকার ও কৃষকদের মধ্যে তরজা চলছে বিগত দুমাসের বেশি সময় ধরে। এই কৃষক আন্দোলন সারা বিশ্বেই ছাপ রেখেছে ইতিমধ্যে। বারবেডিয়ান গায়িকা রিহানা সম্প্রতি কৃষক আন্দোলনের সমর্থনে একটি টুইট করেছেন। তার পরেই ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফ থেকে রীতিমতো হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে, না জেনে যেন কোনও মন্তব্য না করা হয়। এতে ভুল বার্তা প্রেরিত হয়। একদিকে যখন রিহানার প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করা হচ্ছে কেন্দ্রের তরফ থেকে, ঠিক তখনই বারবাডোস প্রধানমন্ত্রী মিয়া আমোর মটলেকে করোনাভাইরাসের অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা ভ্যাকসিনের ১০ হাজারটি ডোজ পাঠালো মোদি সরকার।

    ক্যারিবিয়ান সাগরের ধারে দ্বীপ রাষ্ট্র বারবাডোসের প্রধানমন্ত্রী এর জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। মোদিকে একটি চিঠি পাঠিয়ে মিয়া আমোর মটলে বলেছেন, "আমার রাষ্ট্রের সরকার, মানুষের পক্ষ থেকে আমি আপনাকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন দান করার জন্য।"

    মটলে সেই চিঠিতে আরও লিখছেন, "স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও প্রধান মেডিক্যাল অফিসার দুজনেই বারবাডোসে এই ভ্যাকসিন ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছেন।" বিশ্বের মোট ১৫২ টি দেশ ভারতের কাছে ভ্যাকসিন চেয়েছে। মার্চের মধ্যে ৬০ টি দেশের কাছে অনন্ত ১৬ মিলিয়ন ভ্যাকসিনের ডোজ পাঠানোর কথা ভারতের।


    প্রসঙ্গত, আন্তর্জাতিক পপ তারকা আবার বারবাডোসেরই নাগরিক। দিন কয়েক আগেই একটি প্রতিবেদন শেয়ার করে রিহানা কৃষক আন্দোলনের সমর্থনে টুইট করেন। সেই টুইটের সাক্ষী তাঁর ১০০ মিলিয়ন ফলোয়ার। তাই রিহানার টুইটের পরেই বিশ্বের নেটদুনিয়ায় জায়গা করে নিয়েছে কৃষক আন্দোলন।

    রিহানার পরেই একাধিক আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব এই বিষয়টি নিয়ে টুইট করেন। আর তার পরেই রিহানার পরিচয় জানতে উঠে পড়ে লাগেন নেটিজেনরা। বিশ্বব্যাপী কৃষক আন্দোলন নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়ায় নড়েচড়ে বসে কেন্দ্রীয় সরকারও। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার থেকে বলা হয়, সেলেব্রিটিদের আগে বিষয়টি জেনে ও বুঝে এই ধরনের টুইট ও হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করা উচিত। না হলে ভুল বার্তা যায় মানুষের কাছে।

    Published by:Swaralipi Dasgupta
    First published:

    লেটেস্ট খবর