সাজা ঘোষণার সময় কোর্টরুমে চলল ধর্ষক বাবার নাটক !

সাজা ঘোষণার সময় কোর্টরুমে চলল ধর্ষক বাবার নাটক !

ধর্ষণে দোষী সাব্যস্ত। কিন্তু তাতে কি? সাজা ঘোষণার সময়ও নিজের মহিমা দেখিয়ে গেলেন গুরুমিত রাম রহিম।

ধর্ষণে দোষী সাব্যস্ত। কিন্তু তাতে কি? সাজা ঘোষণার সময়ও নিজের মহিমা দেখিয়ে গেলেন গুরুমিত রাম রহিম।

  • Share this:

    #রোহতক: ধর্ষণে দোষী সাব্যস্ত। কিন্তু তাতে কি? সাজা ঘোষণার সময়ও নিজের মহিমা দেখিয়ে গেলেন গুরুমিত রাম রহিম। কেঁদে-কেটে, মাটিতে গড়াগড়ি দিয়ে, বুকে ব্যথার অভিযোগ করে চলল ধর্ষক বাবার নাটক। তাতে অবশ্য প্রভাবিত হয়নি আদালত। নিজের দাবিও আদায় করতে পারলেন না স্বঘোষিত গডম্যান। তবে নাটক করতে গিয়ে ধর্ষণের অপরাধ মেনে নেওয়ায় বিপাকে পড়ার রাস্তাটাও খুলে দিলেন নিজের হাতেই।

    এমনই বাবার মহিমা যে জেলের মধ্যেই উঠে এসেছিল আদালত। শাস্তি ঘোষণা পর্ব শুরুর পরেও নাটকের পর নাটক।

    মেসেঞ্জার অফ গড ছবিতে তিনি ছিলেন ঈশ্বরের দূত। অপরাধীদের ট্যাঁ-ফো সহ্য না করেই শাস্তি দিয়েছেন। সোমবার মাত্র ৪০ মিনিটে যেন সেই মহিমা দেখানোরই ছক কষেছিলেন স্বঘোষিত গডম্যান। কান্না, অসুস্থতার নাটক, ক্ষমা চাওয়া, খাবার নিয়ে আপত্তি, ডেরার বাণী প্রচার - ঠিক যেন টানটান সিনেমা।

    পর্ব ১-

    বিচারক বক্তব্য শুরুর আগেই কান্না রাম-রহিমের কেঁদে হাঁটু গেড়ে ক্ষমাপ্রার্থনার আবেদন

    পর্ব ২-

    চেয়ারে বসতে অস্বীকার। মাটিতে বসে আবার কান্না বাবাকে শান্ত থাকার নির্দেশ বিচারকের

    পর্ব ৩ সরকারি আইনজীবী সওয়াল করার সময় বাবার আর্তনাদ রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার অজুহাতে চিকিৎসক তলব

    পর্ব ৪ দুই আইনজীবীকেই আদালত ছাড়ার নির্দেশ

    পর্ব ৫ রায় ঘোষণা করার আগে ফের নাটক বাবার কোর্টের মধ্যে বসে কান্না জেলের খাবার নিয়েও অভিযোগ

    পর্ব ৬ সাজা ঘোষণার পর আবার বাবার মহিমা। কোর্টরুম না ছাড়তে জোরাজুরি

    কখনও অপরাধের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন। কখনও নিজেকে বলেছেন নির্দোষ।

    -রাম রহিম - হুজুর, ভুল হয়ে গিয়েছে। যা করেছি তার জন্য ক্ষমা করে দিন -বিচারক - চুপ করে থাকুন। যা বলার আপনার আইনজীবী বলবেন

    রাম রহিম - হুজুর, আমি অসুস্থ। রক্তচাপের সমস্যায় ভুগছি। চিকিৎসক পাঠানোর নির্দেশ দিন।

    রাম রহিম - জেলের খাবার খেতে পারছি না। আমি অসুস্থ। বিশেষভাবে তৈরি খাবার খাই।

    রাম রহিম - শাস্তির কথা শুনেছি। কিন্তু আমি নির্দোষ। আমাকে মুক্তি দিন। ক্ষমা করে দিন। না হলে এখান থেকে যাব না। বসে থাকব সারাক্ষণ।

    ধর্ষণে দোষী সাব্যস্ত গুরু কাণ্ডকারখানা দেখে বিরক্ত হয়েছেন বিচারক। ক্ষোভের মুখে পড়তে হয় আইনজীবীকে। প্রভাবশালী বাবা জেলে ভিআইপি খাতির পেয়েছেন। তাতেই কি আদালতে এভাবে নাটক করার সাহস জুটে যায়?

    First published: